শীতে ঠকঠক করে কাঁপছেন? এই ৫টি খাবার ডায়েটে রাখুন, মুহূর্তেই শরীর হয়ে উঠবে চনমনে, চাঙ্গা! জেনে নিন...

Last Updated:
Hot Foods in Cold: এইবার শীতের তীব্রতা কয়েকদিন ধরে বাড়তে শুরু করেছে। দেশের বেশিরভাগ জায়গায় ঠান্ডা আবহাওয়া চলছে। এই দীর্ঘস্থায়ী ঠান্ডা বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে শীতে শ্বাসপ্রশ্বাসের রোগ বেশি দেখা দেয়। এছাড়াও ঠান্ডার সময় ভাইরাসের সংক্রমণও বাড়তে পারে।
1/15
சென்னை மற்றும் புறநகர் பகுதிகளில் இன்று வானம் ஓரளவு மேகமூட்டத்துடன் காணப்படும். அதிகாலை வேளையில் ஓரிரு இடங்களில் லேசான பனிமூட்டம் காணப்படும். அதிகபட்ச வெப்பநிலை 29-30° செல்சியஸை ஒட்டியும், குறைந்தபட்ச வெப்பநிலை 22° செல்சியஸை ஒட்டியும் இருக்கக்கூடும்.
এইবার শীতের তীব্রতা কয়েকদিন ধরে বাড়তে শুরু করেছে। দেশের বেশিরভাগ জায়গায় ঠান্ডা আবহাওয়া চলছে। এই দীর্ঘস্থায়ী ঠান্ডা বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে শীতে শ্বাসপ্রশ্বাসের রোগ বেশি দেখা দেয়। এছাড়াও ঠান্ডার সময় ভাইরাসের সংক্রমণও বাড়তে পারে। ঠান্ডা আবহাওয়া আলস ও দুর্বল ইমিউনিটিও তৈরি করতে পারে। প্রথমে জানা যাক, কেন কিছু মানুষকে বেশি ঠান্ডা লাগে। তথ্য অনুযায়ী, যখন তাপমাত্রা কমে যায়, তখন দেহের রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যায়। এর ফলে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। ঠান্ডার সময়, হৃদয় গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে গরম রাখতে বেশি রক্ত পাঠায়, ফলে দেহের দূরের অঙ্গগুলিতে রক্ত কম পৌঁছায়। ফলস্বরূপ, কিছু মানুষকে বেশি ঠান্ডা অনুভূত হয়। তবে শারীরিক কার্যকলাপ বাড়িয়ে রক্ত সঞ্চালন বাড়ানো সম্ভব, যা শরীরকে স্বাভাবিকভাবে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে।
advertisement
2/15
 এই সময়ে বৃদ্ধ ও যারা আগে থেকেই কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে ভুগছেন, তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। এদের জন্য ঠান্ডা মোকাবেলার একটি ভালো উপায় হলো ডায়েটে পরিবর্তন আনা। কিছু খাবার এই শীতের সময় শরীরকে উষ্ণতা ও শক্তি দেয়, ফলে দেহের তাপমাত্রা ঠিক থাকে। এখানে জানুন এমন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা, যা ভিতরে থেকে শরীরকে গরম রাখে।
এই সময়ে বৃদ্ধ ও যারা আগে থেকেই কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে ভুগছেন, তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। এদের জন্য ঠান্ডা মোকাবেলার একটি ভালো উপায় হলো ডায়েটে পরিবর্তন আনা। কিছু খাবার এই শীতের সময় শরীরকে উষ্ণতা ও শক্তি দেয়, ফলে দেহের তাপমাত্রা ঠিক থাকে। এখানে জানুন এমন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা, যা ভিতরে থেকে শরীরকে গরম রাখে।
advertisement
3/15
மிளகு சூப் ரெசிபி
গরম স্যুপ: বাড়িতে তৈরি স্যুপ পুষ্টির ভালো উৎস। এতে যদি রসুন, আদা এবং মসলা যোগ করা হয়, তাহলে এটি শরীরকে ভিতরে থেকে উষ্ণ রাখে। এর ফলে দেহের তাপমাত্রা বাড়ে। আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো ধরনের স্যুপ উপভোগ করতে পারেন।
advertisement
4/15
 মশলা যুক্ত খাবার: প্রতিদিনের খাবারে আদা, দারচিনি, হলুদ এবং কালো মরিচের মতো গরম মশলা যোগ করলে রক্ত প্রবাহ বাড়ে এবং শরীর উষ্ণ থাকে। এর ফলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, এই মসলাগুলিতে প্রদাহ কমানোর গুণ রয়েছে, যা আপনার স্বাস্থ্য উন্নত রাখতে সাহায্য করে।
মশলা যুক্ত খাবার: প্রতিদিনের খাবারে আদা, দারচিনি, হলুদ এবং কালো মরিচের মতো গরম মশলা যোগ করলে রক্ত প্রবাহ বাড়ে এবং শরীর উষ্ণ থাকে। এর ফলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, এই মসলাগুলিতে প্রদাহ কমানোর গুণ রয়েছে, যা আপনার স্বাস্থ্য উন্নত রাখতে সাহায্য করে।
advertisement
5/15
 গরম পানীয়: হার্বাল টি, হালকা লেবুর জল—এর মতো গরম পানীয় পান করলে শরীর উষ্ণ থাকে এবং হাইড্রেশনও বজায় থাকে। বিশেষ করে যদি এগুলোর সঙ্গে মসলা যোগ করা হয় (যেমন আদা চা), তাহলে আপনার ইমিউনিটি বৃদ্ধি পায়।
গরম পানীয়: হার্বাল টি, হালকা লেবুর জল—এর মতো গরম পানীয় পান করলে শরীর উষ্ণ থাকে এবং হাইড্রেশনও বজায় থাকে। বিশেষ করে যদি এগুলোর সঙ্গে মসলা যোগ করা হয় (যেমন আদা চা), তাহলে আপনার ইমিউনিটি বৃদ্ধি পায়।
advertisement
6/15
 বাদাম ও বীজ: বাদাম, আখরোট, সূর্যমুখী বীজ—এই ধরনের স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ খাবার খুবই উপকারী। এগুলো শরীরকে শক্তি ও উষ্ণতা দেয়। তাই এগুলোকে স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া বা খাবারে পুষ্টি বাড়াতে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
বাদাম ও বীজ: বাদাম, আখরোট, সূর্যমুখী বীজ—এই ধরনের স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ খাবার খুবই উপকারী। এগুলো শরীরকে শক্তি ও উষ্ণতা দেয়। তাই এগুলোকে স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া বা খাবারে পুষ্টি বাড়াতে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
advertisement
7/15
 সম্পূর্ণ শস্য: ওটস, ব্রাউন রাইস —এই ধরনের সম্পূর্ণ শস্য শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। এগুলো খেলে পেট দীর্ঘ সময় ভরা থাকে এবং শরীর পায় শক্তি। শীতের সময় গরম ওটসের সঙ্গে ফল ও বাদাম খাওয়া একটি চমৎকার সকালের জলখাবারের বিকল্প।
সম্পূর্ণ শস্য: ওটস, ব্রাউন রাইস —এই ধরনের সম্পূর্ণ শস্য শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। এগুলো খেলে পেট দীর্ঘ সময় ভরা থাকে এবং শরীর পায় শক্তি। শীতের সময় গরম ওটসের সঙ্গে ফল ও বাদাম খাওয়া একটি চমৎকার সকালের জলখাবারের বিকল্প।
advertisement
8/15
 স্টার্চযুক্ত সবজি: শীতে মিষ্টি আলু, বাটারনাট স্কোয়াশ এবং গাজর খুবই ভালো বিকল্প। এই সবজিতে ভিটামিন ও খনিজে ভরা থাকে এবং এগুলো শরীরের শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
স্টার্চযুক্ত সবজি: শীতে মিষ্টি আলু, বাটারনাট স্কোয়াশ এবং গাজর খুবই ভালো বিকল্প। এই সবজিতে ভিটামিন ও খনিজে ভরা থাকে এবং এগুলো শরীরের শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
advertisement
9/15
 খাবারের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি শীতে স্বাস্থ্যকর থাকতে কিছু জীবনধারা টিপস মেনে চলাও জরুরি।
খাবারের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি শীতে স্বাস্থ্যকর থাকতে কিছু জীবনধারা টিপস মেনে চলাও জরুরি।
advertisement
10/15
 প্রথমেই, নিজেকে পর্যাপ্তভাবে হাইড্রেটেড রাখুন। তৃষ্ণা না লাগলেও, পর্যাপ্ত জল পান করা খুবই জরুরি। এছাড়াও হার্বাল টি ও গরম স্যুপ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
প্রথমেই, নিজেকে পর্যাপ্তভাবে হাইড্রেটেড রাখুন। তৃষ্ণা না লাগলেও, পর্যাপ্ত জল পান করা খুবই জরুরি। এছাড়াও হার্বাল টি ও গরম স্যুপ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
advertisement
11/15
 সঠিক পোশাক পরুন: শীতের সময় শরীর পুরো ঢেকে রাখার মতো পোশাক পরা জরুরি। এছাড়াও গরম মোজা, হাতমোজা এবং টুপি ব্যবহার করুন।
সঠিক পোশাক পরুন: শীতের সময় শরীর পুরো ঢেকে রাখার মতো পোশাক পরা জরুরি। এছাড়াও গরম মোজা, হাতমোজা এবং টুপি ব্যবহার করুন।
advertisement
12/15
 ব্যায়াম: যদি বাইরের আবহাওয়া খুব ঠান্ডা হয়, তবে বাড়ির ভেতরে ব্যায়াম করুন। যেমন যোগা, এরোবিকস বা সহজ ঘরোয়া ব্যায়াম করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং শরীরে উষ্ণতা বজায় থাকে। শীতকালে বাইরে বের হওয়া কঠিন হলে, বাড়ির ভেতরেই অনেক ধরনের ব্যায়াম করা সম্ভব।
ব্যায়াম: যদি বাইরের আবহাওয়া খুব ঠান্ডা হয়, তবে বাড়ির ভেতরে ব্যায়াম করুন। যেমন যোগা, এরোবিকস বা সহজ ঘরোয়া ব্যায়াম করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং শরীরে উষ্ণতা বজায় থাকে। শীতকালে বাইরে বের হওয়া কঠিন হলে, বাড়ির ভেতরেই অনেক ধরনের ব্যায়াম করা সম্ভব।
advertisement
13/15
 ইমিউনিটি বাড়ানো খাবার: আপনার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে ভিটামিন C, E এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। এতে কমলা জাতীয় সিট্রাস ফল, বাদাম ও বীজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা শীতে বিশেষভাবে উপকারী।
ইমিউনিটি বাড়ানো খাবার: আপনার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে ভিটামিন C, E এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। এতে কমলা জাতীয় সিট্রাস ফল, বাদাম ও বীজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা শীতে বিশেষভাবে উপকারী।
advertisement
14/15
 ভালো ঘুম: পর্যাপ্ত ঘুম আপনার ইমিউনিটি ও সার্বিক স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে। তাই প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম নেওয়া জরুরি।
ভালো ঘুম: পর্যাপ্ত ঘুম আপনার ইমিউনিটি ও সার্বিক স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে। তাই প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম নেওয়া জরুরি।
advertisement
15/15
(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
advertisement
advertisement
advertisement