advertisement

সকালে ঘুম থেকে উঠেই ঢকঢক করে জল খান? না কি পরে... কোন অভ্যাসটি বেশি স্বাস্থ্যকর অনেকেই জানেন না!

Last Updated:
ঘুম থেকে উঠেই ঢকঢক করে জল খান? নাকি জল খান অনেকটা পরে? আপনার এই অভ্যাসের উপর নির্ভর করে আছে সারা দিনের সুস্থতা, জানলে এখনই ভুল শুধরে নেবেন।
1/8
 Drink water immediately after waking up or later most people dont know Which habit is actually healthier
সকালে চোখ খোলার পর শরীরের প্রথম ও সবচেয়ে জরুরি চাহিদা হল জল। সারা রাত ঘুমের সময় শরীর খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করলেও শ্বাসপ্রশ্বাস, ঘাম, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য পদার্থ বেরোনোর মতো প্রক্রিয়া চলতেই থাকে। এর ফলে শরীর ধীরে ধীরে জলশূন্য হয়ে পড়ে। তাই ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস জল খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
advertisement
2/8
 কলকাতার পুষ্টিবিদ ডঃ লীলা রায় জানাচ্ছেন, ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমের পর শরীর স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা শুষ্ক হয়ে যায়। সকালে উঠেই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে শরীরের তরলের ভারসাম্য ঠিক হয়। এতে ব্রেন ফগ কমে, ঝিমুনি কাটে এবং মনোযোগ বাড়ে। শিশুদের ক্ষেত্রে স্কুলে যাওয়ার আগে জল খেলে মনোসংযোগ বাড়ার সম্ভাবনাও থাকে।
কলকাতার পুষ্টিবিদ ডঃ লীলা রায় জানাচ্ছেন, ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমের পর শরীর স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা শুষ্ক হয়ে যায়। সকালে উঠেই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে শরীরের তরলের ভারসাম্য ঠিক হয়। এতে ব্রেন ফগ কমে, ঝিমুনি কাটে এবং মনোযোগ বাড়ে। শিশুদের ক্ষেত্রে স্কুলে যাওয়ার আগে জল খেলে মনোসংযোগ বাড়ার সম্ভাবনাও থাকে।
advertisement
3/8
ঘুমের সময় শরীরে কোনও খাবার বা পানীয় না ঢুকলেও দেহের ভিতরের কাজ থেমে থাকে না। শ্বাস নেওয়া, রক্তসঞ্চালন, শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ এবং বিষাক্ত পদার্থ বের করার জন্য শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। তাই সকালে জল না খেলে ক্লান্তি, মাথা ভার লাগা বা অলস ভাব দেখা দিতে পারে।
ঘুমের সময় শরীরে কোনও খাবার বা পানীয় না ঢুকলেও দেহের ভিতরের কাজ থেমে থাকে না। শ্বাস নেওয়া, রক্তসঞ্চালন, শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ এবং বিষাক্ত পদার্থ বের করার জন্য শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। তাই সকালে জল না খেলে ক্লান্তি, মাথা ভার লাগা বা অলস ভাব দেখা দিতে পারে।
advertisement
4/8
সকালে জল খাওয়ার একাধিক উপকারিতা রয়েছে। রাতে যে জলের ঘাটতি তৈরি হয়, তা পূরণ করে শরীরকে আবার কর্মক্ষম করে তোলে। জল খেলে অন্ত্রে স্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হয়, ফলে হজম ভালো হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।
সকালে জল খাওয়ার একাধিক উপকারিতা রয়েছে। রাতে যে জলের ঘাটতি তৈরি হয়, তা পূরণ করে শরীরকে আবার কর্মক্ষম করে তোলে। জল খেলে অন্ত্রে স্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হয়, ফলে হজম ভালো হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।
advertisement
5/8
অনেক ক্ষেত্রে পরবর্তী এক ঘণ্টার জন্য বিপাকীয় হার প্রায় ২৫–৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি শরীরের ভিতরে জমে থাকা বর্জ্য পদার্থ সহজে বেরিয়ে যায়, কিডনি ও লিভারের উপর চাপ কমে।
অনেক ক্ষেত্রে পরবর্তী এক ঘণ্টার জন্য বিপাকীয় হার প্রায় ২৫–৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি শরীরের ভিতরে জমে থাকা বর্জ্য পদার্থ সহজে বেরিয়ে যায়, কিডনি ও লিভারের উপর চাপ কমে।
advertisement
6/8
সকালে জল খেলে মন ও শরীর দু’টোই সতেজ হয়। ঝিমুনি কাটে, মাথা হালকা লাগে এবং দিনের শুরুটা অনেক বেশি সক্রিয় হয়। নিয়মিত এই অভ্যাস অপ্রয়োজনীয় খিদে কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। প্রাতরাশের আগে জল খেলে অন্ত্রের ভিতরের আস্তরণ খাবার গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয়, ফলে খাবার থেকে পুষ্টিগুণ শোষণের ক্ষমতাও বাড়ে।
সকালে জল খেলে মন ও শরীর দু’টোই সতেজ হয়। ঝিমুনি কাটে, মাথা হালকা লাগে এবং দিনের শুরুটা অনেক বেশি সক্রিয় হয়। নিয়মিত এই অভ্যাস অপ্রয়োজনীয় খিদে কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। প্রাতরাশের আগে জল খেলে অন্ত্রের ভিতরের আস্তরণ খাবার গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয়, ফলে খাবার থেকে পুষ্টিগুণ শোষণের ক্ষমতাও বাড়ে।
advertisement
7/8
সকালে জল খেলে মন ও শরীর দু’টোই সতেজ হয়। ঝিমুনি কাটে, মাথা হালকা লাগে এবং দিনের শুরুটা অনেক বেশি সক্রিয় হয়। নিয়মিত এই অভ্যাস অপ্রয়োজনীয় খিদে কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। প্রাতরাশের আগে জল খেলে অন্ত্রের ভিতরের আস্তরণ খাবার গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয়, ফলে খাবার থেকে পুষ্টিগুণ শোষণের ক্ষমতাও বাড়ে।
সকালে জল খেলে মন ও শরীর দু’টোই সতেজ হয়। ঝিমুনি কাটে, মাথা হালকা লাগে এবং দিনের শুরুটা অনেক বেশি সক্রিয় হয়। নিয়মিত এই অভ্যাস অপ্রয়োজনীয় খিদে কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। প্রাতরাশের আগে জল খেলে অন্ত্রের ভিতরের আস্তরণ খাবার গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয়, ফলে খাবার থেকে পুষ্টিগুণ শোষণের ক্ষমতাও বাড়ে।
advertisement
8/8
Generated image পরিমাণের দিক থেকে, ঘুম থেকে উঠে ১ থেকে ২ গ্লাস জলই যথেষ্ট। খুব ঠান্ডা বা খুব গরম জল নয়—স্বাভাবিক তাপমাত্রার বা সামান্য উষ্ণ জল শরীর সবচেয়ে সহজে গ্রহণ করতে পারে। প্রতিদিন এই ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় উপকার এনে দিতে পারে।
পরিমাণের দিক থেকে, ঘুম থেকে উঠে ১ থেকে ২ গ্লাস জলই যথেষ্ট। খুব ঠান্ডা বা খুব গরম জল নয়—স্বাভাবিক তাপমাত্রার বা সামান্য উষ্ণ জল শরীর সবচেয়ে সহজে গ্রহণ করতে পারে। প্রতিদিন এই ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় উপকার এনে দিতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement