advertisement

দুধ হজম না হলে পাচনতন্ত্রের উপর প্রভাব পড়তে পারে... পুষ্টিকর হলেও কারা খাবেন না জানুন

Last Updated:
মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যা যা প্রয়োজন তার সব কিছুই থাকে। যদি খাঁটি দুধ হয়, তাহলে মাত্র ২৫০ গ্রাম দুধে ৮.১৪ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। একই সাথে ১২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১২ গ্রাম চিনি এবং ৮ গ্রাম ফ্যাট পাওয়া যায়।
1/5
মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যা যা প্রয়োজন তার সব কিছুই থাকে।  যদি খাঁটি দুধ হয়, তাহলে মাত্র ২৫০ গ্রাম দুধে ৮.১৪ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। একই সাথে ১২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১২ গ্রাম চিনি এবং ৮ গ্রাম ফ্যাট পাওয়া যায়।
মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যা যা প্রয়োজন তার সব কিছুই থাকে। যদি খাঁটি দুধ হয়, তাহলে মাত্র ২৫০ গ্রাম দুধে ৮.১৪ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। একই সাথে ১২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১২ গ্রাম চিনি এবং ৮ গ্রাম ফ্যাট পাওয়া যায়।
advertisement
2/5
প্রাপ্তবয়স্ক হলেও মানুষ নিয়মিত গরু বা মহিষের দুধ পান করে। কারণ দুধ ক্যালসিয়ামের একটি বড় উৎস। এটি হাড়কে শক্তিশালী করে। ২৫০ গ্রাম দুধে ১৫২ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো দুধ সবার জন্য স্বাস্থ্যকর জিনিস নয়। এর কারণে অনেকের হজমের সমস্যা হয়।
প্রাপ্তবয়স্ক হলেও মানুষ নিয়মিত গরু বা মহিষের দুধ পান করে। কারণ দুধ ক্যালসিয়ামের একটি বড় উৎস। এটি হাড়কে শক্তিশালী করে। ২৫০ গ্রাম দুধে ১৫২ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো দুধ সবার জন্য স্বাস্থ্যকর জিনিস নয়। এর কারণে অনেকের হজমের সমস্যা হয়।
advertisement
3/5
গুরগাঁওয়ের সি কে বিড়লা হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের কনসালটেন্ট ডঃ তুষার তায়ালের বলেন, অনেকেই দুধেঅসহিষ্ণুতা রয়েছে। অর্থাৎ দুধ হজম করার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি অন্ত্রে কম থাকে। দুধে ল্যাকটোজ নামক একটি চর্বি থাকে। এটি হজম করার জন্য অন্ত্রে ল্যাকটেজ নামক এনজাইম থাকে।
গুরগাঁওয়ের সি কে বিড়লা হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের কনসালটেন্ট ডঃ তুষার তায়ালের বলেন, অনেকেই দুধেঅসহিষ্ণুতা রয়েছে। অর্থাৎ দুধ হজম করার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি অন্ত্রে কম থাকে। দুধে ল্যাকটোজ নামক একটি চর্বি থাকে। এটি হজম করার জন্য অন্ত্রে ল্যাকটেজ নামক এনজাইম থাকে।
advertisement
4/5
একইভাবে দুধও কেসিন নামক একটি এনজাইম দ্বারা হজম হয়। বেশিরভাগ ভারতীয়ের ল্যাকটেজ এবং কেসিন এনজাইমের অভাব থাকে। কিছু লোকের মধ্যে এগুলি একেবারেই থাকে না। জিনের ব্যাধির কারণে, বেশিরভাগ মানুষের অন্ত্রে এই এনজাইমগুলি থাকে না এবং এর কারণে যখন দুধ অন্ত্রে যায়, তখন এটি সঠিকভাবে হজম হয় না।
একইভাবে দুধও কেসিন নামক একটি এনজাইম দ্বারা হজম হয়। বেশিরভাগ ভারতীয়ের ল্যাকটেজ এবং কেসিন এনজাইমের অভাব থাকে। কিছু লোকের মধ্যে এগুলি একেবারেই থাকে না। জিনের ব্যাধির কারণে, বেশিরভাগ মানুষের অন্ত্রে এই এনজাইমগুলি থাকে না এবং এর কারণে যখন দুধ অন্ত্রে যায়, তখন এটি সঠিকভাবে হজম হয় না।
advertisement
5/5
কারও দুধ হজম না হলে সবচেয়ে বড় প্রভাব পাচনতন্ত্রের উপর পড়ে। এর সবচেয়ে বড় লক্ষণ হল পেট ফুলে যাওয়া। এর সঙ্গে পেট ফোলা, প্রচুর ঢেকুর ওঠে, পেটে প্রচুর গ্যাস তৈরি হয়। খাবার খাওয়ার পর কারও কারও পেটে ব্যথা হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যও হতে পারে। এটি যদি কয়েকদিন ধরে একটানা চলতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে দুধের কারণেই এমনটা হচ্ছে।
কারও দুধ হজম না হলে সবচেয়ে বড় প্রভাব পাচনতন্ত্রের উপর পড়ে। এর সবচেয়ে বড় লক্ষণ হল পেট ফুলে যাওয়া। এর সঙ্গে পেট ফোলা, প্রচুর ঢেকুর ওঠে, পেটে প্রচুর গ্যাস তৈরি হয়। খাবার খাওয়ার পর কারও কারও পেটে ব্যথা হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যও হতে পারে। এটি যদি কয়েকদিন ধরে একটানা চলতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে দুধের কারণেই এমনটা হচ্ছে।
advertisement
advertisement
advertisement