Bonsai Gardening Tips: বনসাই গাছে আর্ট ওয়ার্ক ফুটিয়ে তোলার টিপস, একটা গাছেই বদলে যাবে 'ঘরের চেহারা', আপনার 'রুম' হয়ে উঠবে একেবারে 'হোটেলের' মতো!
- Reported by:Nilanjan Banerjee
- hyperlocal
- Published by:Pooja Basu
Last Updated:
নার্সারি মালিকদের দাবি, বনসাই শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, এটি ধৈর্য ও যত্নের প্রতীকও। বাঁকুড়ার মতো লাল মাটির জেলায় এই শিল্পের বিকাশ একদিকে যেমন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে, তেমনই জেলার নার্সারি সংস্কৃতিকে রাজ্যের মানচিত্রে আলাদা পরিচিতি দিচ্ছে।
বাঁকুড়ার বিভিন্ন নার্সারিতে এখন চোখে পড়ছে অভাবনীয় সব অদ্ভুত দর্শন গাছ। কোনও গাছের পেট অস্বাভাবিকভাবে মোটা, কোনও গাছের গোড়ায় তৈরি হয়েছে ছোট্ট একটি বাড়ি, আবার কোথাও গাছের শিকড়ের ফাঁকে জায়গা করে নিয়েছে খেলনা গাড়ি। এই অভিনব গাছগুলি বাঁকুড়ার নার্সারি কালচারকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এক নজরে দেখলে যেমন অবাক হতে হয়, তেমনই এর পেছনের কৌশল জানলে বিস্ময় আরও বাড়ে। ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement
এই সব গাছ মূলত বনসাই ও আর্টিফিশিয়াল ল্যান্ডস্কেপিং-এর মিশেলে তৈরি। বিগত চার-পাঁচ বছরে বাঁকুড়ার লাল মাটিতে নিজস্ব বাগান তৈরির প্রবণতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। তার জেরেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অসংখ্য নার্সারি। শুধু শখের বশে নয়, অনেক শিক্ষিত যুবক-যুবতী প্রশিক্ষণ নিয়ে পেশাগতভাবে নার্সারি গড়ে তুলেছেন।
advertisement
বনসাই শিল্পের মূল ধারণা হল—গাছকে ছোট পাত্রে রেখে প্রাকৃতিকভাবে বড় গাছের মতো আকার দেওয়া। এর জন্য বিশেষভাবে শিকড় ছাঁটাই, ডাল ছাঁটাই এবং তার (wire) দিয়ে শাখা-প্রশাখাকে নির্দিষ্ট আকৃতিতে বাঁকানো হয়। সাধারণত ফাইকাস, বট, পাকুড়, জুনিপার, জেড প্ল্যান্ট কিংবা বুগেনভিলিয়ার মতো গাছ বনসাই তৈরির জন্য উপযোগী বলে জানাচ্ছেন নার্সারি বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
বনসাই শিল্পের মূল ধারণা হল—গাছকে ছোট পাত্রে রেখে প্রাকৃতিকভাবে বড় গাছের মত আকার দেওয়া। এর জন্য বিশেষভাবে শিকড় ছাঁটাই, ডাল ছাঁটাই এবং তার (wire) দিয়ে শাখা-প্রশাখাকে নির্দিষ্ট আকৃতিতে বাঁকানো হয়। সাধারণত ফাইকাস, বট, পাকুড়, জুনিপার, জেড প্ল্যান্ট কিংবা বুগেনভিলিয়ার মতো গাছ বনসাই তৈরির জন্য উপযোগী বলে জানাচ্ছেন নার্সারি বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
টেকনিক্যাল দিক থেকে বনসাই তৈরিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মাটি ও জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা। বনসাই পাত্রে সাধারণ মাটির বদলে বালি, কোকোপিট ও জৈব সার মিশিয়ে বিশেষ মাটির মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়, যাতে অতিরিক্ত জল জমে শিকড় পচে না যায়। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ‘রিপটিং’ বা পাত্র পরিবর্তন করাও জরুরি, যাতে গাছ সুস্থ থাকে।
advertisement
নার্সারি মালিকদের দাবি, বনসাই শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, এটি ধৈর্য ও যত্নের প্রতীকও। বাঁকুড়ার মতো লাল মাটির জেলায় এই শিল্পের বিকাশ একদিকে যেমন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে, তেমনই জেলার নার্সারি সংস্কৃতিকে রাজ্যের মানচিত্রে আলাদা পরিচিতি দিচ্ছে। বনসাই দেখতে গেলে এখন বাঁকুড়ার নার্সারিগুলিতে পা রাখলেই চোখে পড়বে এই ক্ষুদ্র অথচ বিস্ময়কর সব সবুজ শিল্পকর্ম।





