Bengal Tourism: এই বাংলায় রয়েছে 'এক টুকরো গোয়া'! চট করে ঘুরে আসুন, বেশি খরচ হবে না, হবে ফুল 'fun'!
- Reported by:Sujoy Ghosh
- hyperlocal
- Published by:Pooja Basu
Last Updated:
সমতলে গরম পড়তেই পাহাড়ি ঝর্ণায় গোয়ার ভাইবস নিতে ঝরনার জলে গা চুবিয়ে গানের তালে চুটিয়ে আনন্দ পর্যটকদের!
বর্তমানে শহরের তীব্র গরম থেকে রেহাই পেতে সকলেই পাড়ি দিচ্ছে পাহাড়ে। সেই অর্থেই পাহাড়ি নদী কিংবা পাহাড়ি ঝর্ণার ধারে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। পাহাড় মানেই পর্যটকদের কাছে একটা আবেগের জায়গা সেই অর্থে হাতে একটু সময় পেলেই পাহাড় প্রেমী সকলেই ছুটে চলে আসে পাহাড়ে, কারণ পাহাড়ের এই শান্ত শীতল পরিবেশে নিরিবিলিতে কিছুটা সময় কাটাবে বলে। আর সেই ঝর্ণায় যদি গা ডুবিয়ে প্রকৃতির মাঝে স্নানের মজা নেওয়া যায় তাহলে তো কোন কথাই নেই। (সুজয় ঘোষ)
advertisement
বর্তমানে পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে আসা এই পাহাড়ি ঝরনায় দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসছে পর্যটকেরা এতে এই হাসি ফিরছে দার্জিলিং যাওয়ার পথে রোহিণীর রত্নাডাঙ এলাকার যুবক যুবতীদের। প্রতিনিয়ত পর্যটকদের ভিড়ে জমজমাট এই জায়গা। কেউ রিলস কেউ আর সেলফি নানাভাবে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ক্যামেরাবন্দি করতে এবং এই পাহাড়ি ঝরনার ঠান্ডা জলে পা চুবিয়ে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসছে পর্যটকেরা।
advertisement
বর্তমানে দার্জিলিং এর রোহিনীর রত্নাডাঙ এলাকায় এই ঝর্ণা পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঝর্ণার নাম দিয়েছে লিওপার্ড ঝর্ণা।প্রতিনিয়ত এই এই পাহাড়ী ঝর্না দেখতে ভিড় বাড়ছে পর্যটকদের এরফলে আয়ও বাড়ছে। পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু এই লিওপার্ড ঝর্ণাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে পাহাড়ের কোল দিয়ে হাইকিং এর রাস্তা। বর্তমানে হাইকিং এর রাজধানীর শিরোপা পেয়েছে দার্জিলিং সেই অর্থেই এই ঝর্ণা নতুন করে বেকার যুবক-যুবতীদের আয়ের দিশা দেখাবে। এই ঝর্ণাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই আশেপাশে করে উঠেছে বেশ কিছু ছোট ছোট দোকান।
advertisement
চারিদিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই জায়গা বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানে ঘুরতে আসা এক পর্যটক অখিলেশ প্রতাপ বলেন পাহাড়ের বুকে এই ঝর্ণা সত্যিই অসাধারণ এখানে স্নান করে নিমিষেই সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে গেল, সবথেকে ভালো জিনিস এই জায়গাটিকে প্লাস্টিক ফ্রী জোন করা হয়েছে সেই অর্থে নিজের ব্যবহৃত প্লাস্টিকের জিনিস স্নান শেষে নিজের হাতে নিয়েই নির্দিষ্ট জায়গায় এটিকে ফেলতে হবে। প্রকৃতিকে বাঁচাতে এই এলাকার যুবক-যুবতীদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
advertisement









