Darjeeling: ভিড়ের এড়িয়ে পাহাড়ের শান্ত ঠিকানা, শিলিগুড়ি থেকে পকরি বং, অফবিট পর্যটনের নতুন গন্তব্য

Last Updated:
Darjeeling: শিলিগুড়ি থেকে রিজার্ভ গাড়িতে দার্জিলিং–কালিম্পং রোড ধরে সিটং বা লাতপাঞ্চার দিক দিয়ে প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টার পথ। চাইলে শিলিগুড়ি থেকে সিটং পর্যন্ত শেয়ার জিপ নিয়ে সেখান থেকে লোকাল গাড়িতেও যাওয়া যায়।
1/5
*দার্জিলিং, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: ভিড়, হর্ন আর কংক্রিটের ক্লান্তি থেকে একটু নিঃশ্বাস নিতে চাইলে পাহাড়ে যাওয়ার নাম মানেই দার্জিলিং বা কালিম্পং—এই ধারণা বদলাতে শুরু করেছে। শিলিগুড়ির কাছেই দার্জিলিং পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা এক নির্জন গ্রাম পকরি বং (Pokhri Bong) এখন ধীরে ধীরে উঠে আসছে অফবিট পর্যটনের মানচিত্রে। চা বাগান, ঘন বন আর কাঞ্চনজঙ্ঘার নিঃশব্দ উপস্থিতি—সব মিলিয়ে শহরের কোলাহল থেকে দূরে এক শান্ত ঠিকানা এই পকরি বং।
*দার্জিলিং, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: ভিড়, হর্ন আর কংক্রিটের ক্লান্তি থেকে একটু নিঃশ্বাস নিতে চাইলে পাহাড়ে যাওয়ার নাম মানেই দার্জিলিং বা কালিম্পং—এই ধারণা বদলাতে শুরু করেছে। শিলিগুড়ির কাছেই দার্জিলিং পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা এক নির্জন গ্রাম পকরি বং (Pokhri Bong) এখন ধীরে ধীরে উঠে আসছে অফবিট পর্যটনের মানচিত্রে। চা বাগান, ঘন বন আর কাঞ্চনজঙ্ঘার নিঃশব্দ উপস্থিতি—সব মিলিয়ে শহরের কোলাহল থেকে দূরে এক শান্ত ঠিকানা এই পকরি বং।
advertisement
2/5
*শিলিগুড়ি থেকে পকরি বং পৌঁছনো বেশ সহজ। শিলিগুড়ি থেকে রিজার্ভ গাড়িতে দার্জিলিং–কালিম্পং রোড ধরে সিটং বা লাতপাঞ্চার দিক দিয়ে প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টার পথ। চাইলে শিলিগুড়ি থেকে সিটং পর্যন্ত শেয়ার জিপ নিয়ে সেখান থেকে লোকাল গাড়িতেও যাওয়া যায়। পাহাড়ি পথে চলতে চলতে চা বাগান আর সবুজ পাহাড়ের দৃশ্য নিজেই হয়ে ওঠে ভ্রমণের বড় প্রাপ্তি।
*শিলিগুড়ি থেকে পকরি বং পৌঁছনো বেশ সহজ। শিলিগুড়ি থেকে রিজার্ভ গাড়িতে দার্জিলিং–কালিম্পং রোড ধরে সিটং বা লাতপাঞ্চার দিক দিয়ে প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টার পথ। চাইলে শিলিগুড়ি থেকে সিটং পর্যন্ত শেয়ার জিপ নিয়ে সেখান থেকে লোকাল গাড়িতেও যাওয়া যায়। পাহাড়ি পথে চলতে চলতে চা বাগান আর সবুজ পাহাড়ের দৃশ্য নিজেই হয়ে ওঠে ভ্রমণের বড় প্রাপ্তি।
advertisement
3/5
*পকরি বং-এ বড় হোটেলের ভিড় নেই। এখানকার আকর্ষণ মূলত লোকাল হোমস্টে। প্রতিদিন জনপ্রতি থাকা ও খাওয়া মিলিয়ে খরচ পড়ে আনুমানিক ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা। হোমস্টেগুলিতে পর্যটকদের জন্য পরিবেশন করা হয় একেবারে পাহাড়ি ঘরোয়া খাবার—ভাত, ডাল, শাকসবজি, ডিমের ঝোল, মুরগির ঝোল, পাহাড়ি চাটনি ও স্থানীয় চা। বিলাস নয়, কিন্তু স্বাদ আর আন্তরিকতায় ভরপুর।
*পকরি বং-এ বড় হোটেলের ভিড় নেই। এখানকার আকর্ষণ মূলত লোকাল হোমস্টে। প্রতিদিন জনপ্রতি থাকা ও খাওয়া মিলিয়ে খরচ পড়ে আনুমানিক ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা। হোমস্টেগুলিতে পর্যটকদের জন্য পরিবেশন করা হয় একেবারে পাহাড়ি ঘরোয়া খাবার—ভাত, ডাল, শাকসবজি, ডিমের ঝোল, মুরগির ঝোল, পাহাড়ি চাটনি ও স্থানীয় চা। বিলাস নয়, কিন্তু স্বাদ আর আন্তরিকতায় ভরপুর।
advertisement
4/5
*ঘোরার দিক থেকে পকরি বং একেবারেই নিস্তব্ধতার ঠিকানা। ভোরে কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য, জঙ্গলের মধ্যে ছোট ছোট হাঁটা পথ, চা বাগানে নিরিবিলি বিকেল—এই নিয়েই এখানে ভ্রমণ। কাছাকাছি সিটং, লাতপাঞ্চার, আরবং ফলস বা নেওরা ভ্যালির প্রান্তে ছোট ট্রিপ করা যায়। যারা ফটোগ্রাফি, বার্ড ওয়াচিং বা নিঃশব্দে সময় কাটাতে ভালবাসেন, তাঁদের জন্য পকরি বং আদর্শ।
*ঘোরার দিক থেকে পকরি বং একেবারেই নিস্তব্ধতার ঠিকানা। ভোরে কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য, জঙ্গলের মধ্যে ছোট ছোট হাঁটা পথ, চা বাগানে নিরিবিলি বিকেল—এই নিয়েই এখানে ভ্রমণ। কাছাকাছি সিটং, লাতপাঞ্চার, আরবং ফলস বা নেওরা ভ্যালির প্রান্তে ছোট ট্রিপ করা যায়। যারা ফটোগ্রাফি, বার্ড ওয়াচিং বা নিঃশব্দে সময় কাটাতে ভালবাসেন, তাঁদের জন্য পকরি বং আদর্শ।
advertisement
5/5
*দার্জিলিংয়ের পরিচিত ভিড়ের বাইরে দাঁড়িয়ে পকরি বং যেন পর্যটনের এক অন্য গল্প বলছে। এখানে নেই শপিং মল, নেই পর্যটকদের কোলাহল—আছে শুধু পাহাড়, প্রকৃতি আর সময়কে ধীরে চলতে দেখার সুযোগ। ব্যস্ত জীবনে ক্লান্ত মানুষের কাছে পকরি বং এখন শুধু একটি গ্রাম নয়, বরং শান্ত থাকার এক বিকল্প ঠিকানা।
*দার্জিলিংয়ের পরিচিত ভিড়ের বাইরে দাঁড়িয়ে পকরি বং যেন পর্যটনের এক অন্য গল্প বলছে। এখানে নেই শপিং মল, নেই পর্যটকদের কোলাহল—আছে শুধু পাহাড়, প্রকৃতি আর সময়কে ধীরে চলতে দেখার সুযোগ। ব্যস্ত জীবনে ক্লান্ত মানুষের কাছে পকরি বং এখন শুধু একটি গ্রাম নয়, বরং শান্ত থাকার এক বিকল্প ঠিকানা।
advertisement
advertisement
advertisement