Uric Acid Remedy: ২ টাকার ঘরোয়া টোটকাতেই কাবু কোমর-হাঁটু-গিঁটে ব্যথা! পর পর ৭ দিন খান, বশে আসবে ইউরিক অ্যাসিডের জেদি ব্যথা
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
Uric Acid Remedy: ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা অনেককেই বিরক্ত করছে। ফলে জয়েন্টগুলোতে তীব্র ব্যথা এবং ফোলাভাব হয় এবং হাঁটা কঠিন হয়ে পড়ে। ওষুধের দাম বেশি এবং তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। কিন্তু আপনার রান্নাঘরে থাকা উপাদানের সাহায্যে আপনি মাত্র ২-৫ টাকায় সহজেই এই সমস্যা কমাতে পারেন।
advertisement
advertisement
*লেবুর জলঃ মাত্র ৫ টাকার এই টোটকা দারুণ কার্যকরী। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা গরম জলে একটি লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। এটি খুবই সহজ, কিন্তু খুবই শক্তিশালী পদ্ধতি। লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এটি শরীর থেকে দ্রুত ইউরিক অ্যাসিড বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে ক্ষারযুক্ত করে এবং অ্যাসিড স্ফটিক জমা হতে বাধা দেয়। যদি প্রতিদিন এই টোটকা মানেন, তাহলে এক সপ্তাহের মধ্যে পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
advertisement
*আদা চাঃ ২ টাকার আদার টুকরো দিয়ে ব্যথাকে বিদায় জানাতে পারবেন। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি। আদা এমন একটি জিনিস, যা আমাদের রান্নাঘরে সবসময় পাওয়া যায়। ছোট এক টুকরো (প্রায় ২ টাকা) আদা নিয়ে এক গ্লাস জলে ফুটিয়ে চায়ের মতো পান করুন। দিনে দু'বার পান করুন। আদার প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো জয়েন্টের ফোলাভাব কমায় এবং ইউরিক অ্যাসিডের কারণে হওয়া ব্যথা দ্রুত কমায়। অনেকেই এই টোটকা ব্যবহার করেছেন এবং গাঁটে বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি, এই চা হজমশক্তিও উন্নত করে।
advertisement
*হলুদের জলঃ ২ টাকার হলুদ ব্যথা কমাতে অব্যর্থ। হলুদ আমাদের বাড়িতে একটি অপরিহার্য মশলা। হালকা গরম জলে এক চিমটি হলুদ (প্রায় ২ টাকা মূল্যের) মিশিয়ে প্রতিদিন পান করুন। অথবা রাতে ঘুমানোর আগে পান করলে আরও ভাল হয়। হলুদে কারকিউমিন নামক একটি উপাদান থাকে। এটি একটি শক্তিশালী প্রদাহ-বিরোধী হিসেবে কাজ করে। এটি শরীরে ফোলাভাব কমায় এবং ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এই টিপসটি আয়ুর্বেদে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। জয়েন্টের ব্যথা স্থায়ীভাবে কমে যায়।
advertisement
advertisement
*যদি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা খুব বেশি থাকে বা তীব্র ব্যথা হয়, তাহলে আপনার অবশ্যই একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। কারণ আমরা যে টিপসগুলি উল্লেখ করেছি তা কেবল ঘরোয়া উপায়। এগুলো ভাল ফলাফল দেয় কিন্তু.. কখনও কখনও যথেষ্ট নাও হতে পারে। সমস্যাটি আরও গুরুতর হতে পারে। সেক্ষেত্রে, আমাদের আর দেরি করা উচিত নয়, অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত এবং পরীক্ষা করানো উচিত।
advertisement







