advertisement

Rajiv Kumar: ‘আমরা চ্যালেঞ্জ করতে পারি...,’ বিদায়ের সময় বাহিনীকে বড় বার্তা রাজীব কুমারের, ৩১ জানুয়ারি অবসর

Last Updated:
রাজীব কুমার বলেন, ‘‘ঈশ্বর ও ভগবানের ওপর বিশ্বাস রাখুন। পরিবার, বাহিনীর লোকদের কাছে রাখবেন। মনের কথা শুনুন৷ সমালোচনা কী বলছে সেটা ফেলে দিন৷ ’’ শেষে শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ, মা, বউ ও ছেলে ও পরিবারকে।’’
1/6
আগামী ৩১ জানুয়ারি তাঁর অবসর৷ পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিকতম প্রশাসনিক ইতিহাসে রাজীব কুমার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম৷ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (DGP)-এর দায়িত্বে রয়েছেন৷ সেই রাজীব কুমারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল বৃহস্পতিবার ৷
আগামী ৩১ জানুয়ারি তাঁর অবসর৷ পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিকতম প্রশাসনিক ইতিহাসে রাজীব কুমার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম৷ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (DGP)-এর দায়িত্বে রয়েছেন৷ সেই রাজীব কুমারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল বৃহস্পতিবার ৷ ছবি PTI
advertisement
2/6
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত রইলেন রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। ছিলেন অ্যাডিশনল ডিরেক্টর জেনারেল, পুলিশ কমিশনার, অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার সহ একাধিক দফতরের আধিকারিক।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত রইলেন রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। ছিলেন অ্যাডিশনল ডিরেক্টর জেনারেল, পুলিশ কমিশনার, অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার সহ একাধিক দফতরের আধিকারিক। ছবি PTI
advertisement
3/6
সহধর্মীনি সঞ্জিতা কুমারকে সঙ্গে নিয়ে এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন ডিজিপি রাজীব কুমার৷ এদিনের অনুষ্ঠানের প্রথমে প্যারেড প্রদর্শন করা হয়, তারপরে সংবর্ধনা। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজে রবি ঠাকুরের 'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে'৷ গাড়িতে করে প্যারেড প্রদর্শনের সময় ঘোষণা করা হয় রাজীব কুমারের কর্মজীবনের নানা কথা।
সহধর্মীনি সঞ্জিতা কুমারকে সঙ্গে নিয়ে এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন ডিজিপি রাজীব কুমার৷ এদিনের অনুষ্ঠানের প্রথমে প্যারেড প্রদর্শন করা হয়, তারপরে সংবর্ধনা। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজে রবি ঠাকুরের 'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে'৷ গাড়িতে করে প্যারেড প্রদর্শনের সময় ঘোষণা করা হয় রাজীব কুমারের কর্মজীবনের নানা কথা। ছবি PTI
advertisement
4/6
১৮৮৯ ব্যাচের আইপিএস রাজীব কুমার। কর্মজীবনে সামলেছেন একাধিক ডিপার্টমেন্টের ভার। রাজীব কুমার বলেন, ‘‘সাহস ছাড়া পুলিশ হয় না। লাইন অফ ডিউটিতে গর্বের সঙ্গে প্রাণ দিতে প্রস্তুত আছি। সাহস মানে নিজে রুখে দাঁড়িয়ে যাওয়া। নিজের মত টিকে থাকা। আমাদের রাজ্য জিও পলিটিকাল প্লেস। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান বর্ডারের প্রবলেম আমাদের স্টেটে প্রভাব পরে। এই জন্য আমাদের চ্যালেঞ্জ অনেক বড়। লোকের সোশ্যাল মিডিয়া কী বলল, টিভিতে কী বলল সেটা কিছু এসে যায়৷ আমাদের কর্মটাই শেষ কথা। আমার মন বলে দেবে আমি ঠিক করেছি না ভুল। সৎসাহস এটা নিজে থেকে বলে দেবে। মনের কথা শুনবেন।’’
১৮৮৯ ব্যাচের আইপিএস রাজীব কুমার। কর্মজীবনে সামলেছেন একাধিক ডিপার্টমেন্টের ভার। রাজীব কুমার বলেন, ‘‘সাহস ছাড়া পুলিশ হয় না। লাইন অফ ডিউটিতে গর্বের সঙ্গে প্রাণ দিতে প্রস্তুত আছি। সাহস মানে নিজে রুখে দাঁড়িয়ে যাওয়া। নিজের মত টিকে থাকা। আমাদের রাজ্য জিও পলিটিকাল প্লেস। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান বর্ডারের প্রবলেম আমাদের স্টেটে প্রভাব পরে। এই জন্য আমাদের চ্যালেঞ্জ অনেক বড়। লোকের সোশ্যাল মিডিয়া কী বলল, টিভিতে কী বলল সেটা কিছু এসে যায়৷ আমাদের কর্মটাই শেষ কথা। আমার মন বলে দেবে আমি ঠিক করেছি না ভুল। সৎসাহস এটা নিজে থেকে বলে দেবে। মনের কথা শুনবেন।’’ ছবি PTI
advertisement
5/6
রাজীব কুমারের মতে, ‘‘আমরা সমালোচনা ও আলোচনা করতে ভালবাসি৷ আমাদের ২৫০ জনের চেয়ে বেশি লোককে বলিদান দিতে হয়েছে। আমরা যে পরিমাণে ল অ্যান্ড মেইনটেন করি৷ পুজো, গঙ্গাসাগর ইত্যাদি। আমরা গর্ব করে বলতে পারি, আমরা চ্যালেঞ্জ করতে পারি। হোমগার্ড, সিভিক, সিনিয়র অফিসার সবার অবদান এক। আমাদের বাহিনীর দক্ষতার উপর আমাদের গর্ব করা উচিত। আমাদের রাজ্যের মতো আর কোথাও এত চ্যালেঞ্জ নেই।’’
রাজীব কুমারের মতে, ‘‘আমরা সমালোচনা ও আলোচনা করতে ভালবাসি৷ আমাদের ২৫০ জনের চেয়ে বেশি লোককে বলিদান দিতে হয়েছে। আমরা যে পরিমাণে ল অ্যান্ড মেইনটেন করি৷ পুজো, গঙ্গাসাগর ইত্যাদি। আমরা গর্ব করে বলতে পারি, আমরা চ্যালেঞ্জ করতে পারি। হোমগার্ড, সিভিক, সিনিয়র অফিসার সবার অবদান এক। আমাদের বাহিনীর দক্ষতার উপর আমাদের গর্ব করা উচিত। আমাদের রাজ্যের মতো আর কোথাও এত চ্যালেঞ্জ নেই।’’ ছবি PTI
advertisement
6/6
 রাজীব কুমার বলেন, ‘‘ঈশ্বর ও ভগবানের ওপর বিশ্বাস রাখুন। পরিবার, বাহিনীর লোকদের কাছে রাখবেন। মনের কথা শুনুন৷ সমালোচনা কী বলছে সেটা ফেলে দিন৷ ’’ শেষে শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ, মা, বউ ও ছেলে ও পরিবারকে।’’
রাজীব কুমার বলেন, ‘‘ঈশ্বর ও ভগবানের ওপর বিশ্বাস রাখুন। পরিবার, বাহিনীর লোকদের কাছে রাখবেন। মনের কথা শুনুন৷ সমালোচনা কী বলছে সেটা ফেলে দিন৷ ’’ শেষে শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ, মা, বউ ও ছেলে ও পরিবারকে।’’ ছবি PTI
advertisement
advertisement
advertisement