advertisement

Mukul Roy Demise: বাম ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু! শেষে তৃণমূলে ‘প্রত্যাবর্তন’ হলেও ফেরা হয়নি, নানা উত্থানপতনের সাক্ষী মুকুল রায়ের এক রাজনীতিক জীবন

Last Updated:
প্রয়াত মুকুল রায়৷ দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বাম, কংগ্রেস, তৃণমূল, বিজেরি ছুঁয়ে বৃত্তের শেষে তৃণমূলে ফেরা৷ কেমন ছিল উত্থানপতনের সেই ঘটনাবহুল রাজনীতিক জীবন?
1/15
উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুরের কাঁচরাপাড়া৷ আর আজীবনই তিনি ছিলেন ‘কাঁচরাপাড়ার ছেলে’৷ ১৯৫৪ সালের ১৭ এপ্রিল ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম৷ বাবার নাম ছিল যুগল রায়, মা রেখা রায়৷ পাঁচ সন্তানের মধ্যে একমাত্র পুত্র৷
উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুরের কাঁচরাপাড়া৷ আর আজীবনই তিনি ছিলেন ‘কাঁচরাপাড়ার ছেলে’৷ ১৯৫৪ সালের ১৭ এপ্রিল ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম৷ বাবার নাম ছিল যুগল রায়, মা রেখা রায়৷ পাঁচ সন্তানের মধ্যে একমাত্র পুত্র৷
advertisement
2/15
 কাঁচরাপাড়া হর্নেট হাই স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনা করেছিলেন। নৈহাটির ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক। পরের দিকে রাজনীতি করতে করতেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছিলেন ‘পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে৷’
কাঁচরাপাড়া হর্নেট হাই স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনা করেছিলেন। নৈহাটির ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক। পরের দিকে রাজনীতি করতে করতেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছিলেন ‘পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে৷’
advertisement
3/15
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির প্রতি প্রবল ঝোঁক৷ সত্তরের দশকে সেই সময়কার আরও অনেক ছাত্র যুবর সঙ্গে তিনিও জড়িয়ে পড়েছিলেন বাম ছাত্র আন্দোলনে৷ এসএফআইয়ের সংগঠনও করেছিলেন কিছুদিন৷ তবে সেই রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল বুদবুদের মতোই ক্ষণস্থায়ী৷
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির প্রতি প্রবল ঝোঁক৷ সত্তরের দশকে সেই সময়কার আরও অনেক ছাত্র যুবর সঙ্গে তিনিও জড়িয়ে পড়েছিলেন বাম ছাত্র আন্দোলনে৷ এসএফআইয়ের সংগঠনও করেছিলেন কিছুদিন৷ তবে সেই রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল বুদবুদের মতোই ক্ষণস্থায়ী৷
advertisement
4/15
তখনই কাঁচরাপাড়ার মুকুল রায়কে ‘আবিষ্কার’ করেন ব্যারাকপুর শিল্পাৎঞ্চলের তৎকালীন কংগ্রেস নেতা মৃণাল সিংহরায়৷ মৃণাল ওরফে আবু সিংহরায় ছিলেন সোমেন মিত্রর ‘বিশ্বস্ত অনুগামী’৷ সেই মৃণাল সিংহরায়ের হাত ধরেই কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদের সক্রিয় রাজনীতিতে হাতেখড়ি মুকুল রায়ের৷
তখনই কাঁচরাপাড়ার মুকুল রায়কে ‘আবিষ্কার’ করেন ব্যারাকপুর শিল্পাৎঞ্চলের তৎকালীন কংগ্রেস নেতা মৃণাল সিংহরায়৷ মৃণাল ওরফে আবু সিংহরায় ছিলেন সোমেন মিত্রর ‘বিশ্বস্ত অনুগামী’৷ সেই মৃণাল সিংহরায়ের হাত ধরেই কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদের সক্রিয় রাজনীতিতে হাতেখড়ি মুকুল রায়ের৷
advertisement
5/15
তবে, তাঁর রাজনীতিক জীবনে মূল বাঁক আসে তৎকালীন কংগ্রেস যুবনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পরে৷ নব্বইয়ের দশকে মমতার সঙ্গে তাঁর পরিচয়৷ সেখান থেকে রাজনৈতিক ‘নৈকট্য’ এবং ‘বিশ্বস্ততার’ পরিসর তৈরি হওয়া৷
তবে, তাঁর রাজনীতিক জীবনে মূল বাঁক আসে তৎকালীন কংগ্রেস যুবনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পরে৷ নব্বইয়ের দশকে মমতার সঙ্গে তাঁর পরিচয়৷ সেখান থেকে রাজনৈতিক ‘নৈকট্য’ এবং ‘বিশ্বস্ততার’ পরিসর তৈরি হওয়া৷
advertisement
6/15
‘দিদি’র উপরে এতটাই আস্থা ছিল যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে নতুন দল গঠনের সিদ্ধান্ত নিলে, প্রথমসারির নেতৃত্বের মধ্যেই দেখা যায় মুকুল রায়কে৷ ১৯৯৭ সালে দল ‘তৃণমূল কংগ্রেসে’র জন্ম হলে কমিশনের নথিতে অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসাবে নাম ছিল মুকুল রায়ের৷
‘দিদি’র উপরে এতটাই আস্থা ছিল যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে নতুন দল গঠনের সিদ্ধান্ত নিলে, প্রথমসারির নেতৃত্বের মধ্যেই দেখা যায় মুকুল রায়কে৷ ১৯৯৭ সালে দল ‘তৃণমূল কংগ্রেসে’র জন্ম হলে কমিশনের নথিতে অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসাবে নাম ছিল মুকুল রায়ের৷
advertisement
7/15
মুকুল থেকে শুরু অতীন ঘোষ ও তমোনাশ ঘোষেদের মতো ৯ জন নেতা নির্বাচন কমিশনে নতুন দল তৈরির আবেদন করেন৷ মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য৷ ২০০১ সালের জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন৷ কিন্তু, পরাস্ত হন ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থীর কাছে৷
মুকুল থেকে শুরু অতীন ঘোষ ও তমোনাশ ঘোষেদের মতো ৯ জন নেতা নির্বাচন কমিশনে নতুন দল তৈরির আবেদন করেন৷ মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য৷ ২০০১ সালের জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন৷ কিন্তু, পরাস্ত হন ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থীর কাছে৷
advertisement
8/15
তারপরেই ২০০৬ সালে তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন৷ ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে কংগ্রেস-তৃণমূল জোট গড়তেও বড় ভূমিকা ছিল মুকুলের। পরে ২০০৮ এ পঞ্চায়েত ভোটে সাফল্য এবং ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পাশা-বদলের ক্ষেত্রেও তৃণমূলের অন্যতম সেনানি ছিলেন মুকুল৷
তারপরেই ২০০৬ সালে তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন৷ ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে কংগ্রেস-তৃণমূল জোট গড়তেও বড় ভূমিকা ছিল মুকুলের। পরে ২০০৮ এ পঞ্চায়েত ভোটে সাফল্য এবং ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পাশা-বদলের ক্ষেত্রেও তৃণমূলের অন্যতম সেনানি ছিলেন মুকুল৷
advertisement
9/15
 এরপর মুকুলের ‘চাণক্যনীতি’র কূটনীতিতেই বিরোধী শিবিরে প্রবল ভাঙন ঘটিয়ে ক্রমশ আরও প্রভাব বাড়ায় তৃণমূল৷ সেই সময় মুকুল বঙ্গ রাজনীতির দাপুটে নেতা৷ তৃণমূলের অঘোষিত সেকেন্ড ইন কম্যান্ড৷
এরপর মুকুলের ‘চাণক্যনীতি’র কূটনীতিতেই বিরোধী শিবিরে প্রবল ভাঙন ঘটিয়ে ক্রমশ আরও প্রভাব বাড়ায় তৃণমূল৷ সেই সময় মুকুল বঙ্গ রাজনীতির দাপুটে নেতা৷ তৃণমূলের অঘোষিত সেকেন্ড ইন কম্যান্ড৷
advertisement
10/15
এরপর ২০১৫ থেকে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে মুকুল এবং তৃণমূলের৷ দলের অন্দরে কানাঘুষো শোনা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থানেই আলো মৃদু হচ্ছিল মুকুলের৷ যদিও পরে সেই সমস্ত জল্পনা নস্যাৎ করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী নিজেই৷
এরপর ২০১৫ থেকে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে মুকুল এবং তৃণমূলের৷ দলের অন্দরে কানাঘুষো শোনা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থানেই আলো মৃদু হচ্ছিল মুকুলের৷ যদিও পরে সেই সমস্ত জল্পনা নস্যাৎ করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী নিজেই৷
advertisement
11/15
২০১৫ সালের পর থেকে ক্রমশ বাড়তে থাকে ফাটল৷ ২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বিজেপির তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবং বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করায় ছ’বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয় মুকুল রায়কে৷ ২০১৭ সালের অক্টোবরে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন মুকুল। নভেম্বরে দিল্লিতে গিয়ে যোগ দেন বিজেপিতে।
২০১৫ সালের পর থেকে ক্রমশ বাড়তে থাকে ফাটল৷ ২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বিজেপির তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবং বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করায় ছ’বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয় মুকুল রায়কে৷ ২০১৭ সালের অক্টোবরে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন মুকুল। নভেম্বরে দিল্লিতে গিয়ে যোগ দেন বিজেপিতে।
advertisement
12/15
কিন্তু, বিজেপিতে গিয়েও তেমন ‘গুরুত্ব’ পাননি মুকুল৷ ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ও ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের হয়ে মুকুল বড় ভূমিকা নিলেও তাঁকে কোনও পদ দেয়নি বিজেপি। কলকাতায় বিজেপি রাজ্য দফতরে একটি ছোট ঘর দেওয়া হলেও কোনও ঘোষিত পদ ছাড়াই কাজ করতেন মুকুল। বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার প্রায় ৩ বছর পরে ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়।
কিন্তু, বিজেপিতে গিয়েও তেমন ‘গুরুত্ব’ পাননি মুকুল৷ ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ও ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের হয়ে মুকুল বড় ভূমিকা নিলেও তাঁকে কোনও পদ দেয়নি বিজেপি। কলকাতায় বিজেপি রাজ্য দফতরে একটি ছোট ঘর দেওয়া হলেও কোনও ঘোষিত পদ ছাড়াই কাজ করতেন মুকুল। বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার প্রায় ৩ বছর পরে ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়।
advertisement
13/15
এরপরে ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কিছুটা পিছনের সারিতে চলে যান মুকুল। একুশে সেইভাবে সক্রিয় দেখা যায়নি বিজেপির মুকুল রায়কে৷ কৃষ্ণনগর উত্তরে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে জয়লাভ করেন৷
এরপরে ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কিছুটা পিছনের সারিতে চলে যান মুকুল। একুশে সেইভাবে সক্রিয় দেখা যায়নি বিজেপির মুকুল রায়কে৷ কৃষ্ণনগর উত্তরে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে জয়লাভ করেন৷
advertisement
14/15
২০২১ সালে স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের মৃত্যুর পরে ফের কাছাকাছি আসে মুকুল এবং তৃণমূল৷ তারপরে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পতাকা নিয়ে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেন। তাঁর ঘরের ফেরার দিন উপস্থিত ছিলেন মমতাও৷ একসময়ের ছায়াসঙ্গী, যাঁকে ভাইফোঁটা দিতেন, ফিরিয়ে নিয়েছিলেন দলে৷
২০২১ সালে স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের মৃত্যুর পরে ফের কাছাকাছি আসে মুকুল এবং তৃণমূল৷ তারপরে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পতাকা নিয়ে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেন। তাঁর ঘরের ফেরার দিন উপস্থিত ছিলেন মমতাও৷ একসময়ের ছায়াসঙ্গী, যাঁকে ভাইফোঁটা দিতেন, ফিরিয়ে নিয়েছিলেন দলে৷
advertisement
15/15
মুকুল রায়কে বিধানসভার পিএসি চেয়ারম্যান করা হলে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত৷ কিন্তু ততদিনে তিনি নানা শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত৷ ভুগছেন কিডনির অসুখে৷ আরও নানা শারীরিক সমস্যা৷ তাঁর অসুস্থতার কথা ভেবেই হাইকোর্টের দেওয়া তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের আবেদনে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ ঘটনাবহুল এই রাজনৈতিক জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে হয়েছিলেন বিধায়ক৷ কিন্তু, তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন হলেও ফেরা হয়নি রাজনীতিতে৷ দীর্ঘ রোগভোগের পরে রবিবার রাতে প্রয়াত হলেন বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’ মুকুল রায়৷
মুকুল রায়কে বিধানসভার পিএসি চেয়ারম্যান করা হলে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত৷ কিন্তু ততদিনে তিনি নানা শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত৷ ভুগছেন কিডনির অসুখে৷ আরও নানা শারীরিক সমস্যা৷ তাঁর অসুস্থতার কথা ভেবেই হাইকোর্টের দেওয়া তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের আবেদনে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ ঘটনাবহুল এই রাজনৈতিক জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে হয়েছিলেন বিধায়ক৷ কিন্তু, তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন হলেও ফেরা হয়নি রাজনীতিতে৷ দীর্ঘ রোগভোগের পরে রবিবার রাতে প্রয়াত হলেন বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’ মুকুল রায়৷
advertisement
advertisement
advertisement