আজ থেকেই খেত মজুরদের অ্যাকাউন্টে কড়কড়ে ৪০০০ টাকা ঢোকা শুরু...! কী ভাবে আবেদন এই সরকারি প্রকল্পে? কী কী নথি লাগছে? জানুন!
- Published by:Sanjukta Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
Bhumihin Krishak Bandhu Scheme: বিরাট সুখবর! পয়লা এপ্রিল নয়, ভূমিহীন খেত মজুরদের ৪০০০ টাকা আজ থেকেই ঢুকছে, আপনিও আবেদন করতে চান? কী কী নথি লাগবে? জানুন সব খুঁটিনাটি!
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
রাজ্যের কৃষকদের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্প চালু রয়েছে। এবার সেই সুবিধার পরিধি বাড়িয়ে ভূমিহীন খেত মজুরদের জন্য আলাদা আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তারা বছরে মোট ৪,০০০ টাকা পাবেন। তবে পুরো টাকা একসঙ্গে দেওয়া হবে না। বছরে দুইবার ২,০০০ টাকা করে সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। অর্থাৎ ডিবিটি (Direct Benefit Transfer) পদ্ধতিতেই টাকা পৌঁছবে।
advertisement
Landless Labourer Scheme : কারা এই প্রকল্পে আবেদনের যোগ্য?সবাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করলেই আবেদন করা যাবে।১) আবেদনকারীকে অবশ্যই একজন ভূমিহীন খেত মজুর হতে হবে, অর্থাৎ তিনি অন্যের জমিতে শ্রম দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন এমন ব্যক্তি হতে হবে।২) আবেদনকারীর নিজস্ব কোনও কৃষি জমি থাকা চলবে না।
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
লিঙ্গ ও জাতি (SC/ST/OBC/General) নির্দিষ্ট ঘরে টিক চিহ্ন দিতে হবে। তারপর ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত তথ্য পাসবই দেখে সঠিকভাবে লিখতে হবে। অর্থাৎ, ব্যাঙ্কের নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, আইএফএসসি (IFSC) কোড।নমিনির নাম, সম্পর্ক ও বয়স উল্লেখ করতে হবে। নমিনি নাবালক হলে অভিভাবকের নাম দিতে হবে। সবশেষে আবেদনকারীকে নিজের সই বা টিপসই দিতে হবে এবং রিসিট কপি বুঝে নিতে হবে।
advertisement
দ্বিতীয় পাতা: স্বঘোষণা (Self Declaration)এই অংশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আবেদনকারীকে ঘোষণা করতে হবে যে তাঁর কোনও চাষযোগ্য জমি নেই এবং তিনি বর্গাদার নন। এছাড়া অন্য কোনও সরকারি ভাতা, যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন কি না, তাও জানাতে হবে। ভুল তথ্য দিলে প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দিতে হবে, এই শর্তে সম্মতি জানিয়ে সই করতে হবে।
advertisement
advertisement
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি এই প্রকল্পের ফর্ম সাধারণত দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বা বিডিও অফিস থেকে নির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা স্ট্যাম্প-সহ দেওয়া হয়। তাই বাইরে খোলা বাজার থেকে ফর্ম কিনে জমা না দেওয়াই ভাল। সরকারি সূত্রে দেওয়া নির্ধারিত ফর্মই ব্যবহার করতে হবে। তাই প্রকল্পের সুবিধা পেতে চাইলে আজই আবেদন করুন। কিন্তু অনুসরণ করুন সঠিক উপায়।






