advertisement

Donald Trump on President Macron's Wife: অন্যের বউয়ের উপর বড় নজর ট্রাম্পের! ফ্রান্স প্রেসিডেন্টের স্ত্রীর ব্যবহারের কথা বলে ভাইরাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট

Last Updated:
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছে। ভিডিওটি হোয়াইট হাউসের ইউটিউব চ্যানেলে অল্প সময়ের জন্য পোস্ট করা হলেও পরে ব্লক করে দেওয়া হয়।
1/6
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ফরাসি প্রতিপক্ষ এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ওপর তীব্র ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বলেছেন, তিনি ইরানে চলমান যুদ্ধ নিয়ে ম্যাক্রোঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। এই কথোপকথনের সূত্র ধরে তিনি ম্যাক্রোঁ ও তার স্ত্রী ব্রিজিট ম্যাক্রোঁকে উপহাস করেন। ট্রাম্প বলেছেন, ম্যাক্রোঁ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ফরাসি প্রতিপক্ষ এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ওপর তীব্র ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বলেছেন, তিনি ইরানে চলমান যুদ্ধ নিয়ে ম্যাক্রোঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। এই কথোপকথনের সূত্র ধরে তিনি ম্যাক্রোঁ ও তার স্ত্রী ব্রিজিট ম্যাক্রোঁকে উপহাস করেন। ট্রাম্প বলেছেন, ম্যাক্রোঁ "এখনও সেই চপেটাঘাতের ধাক্কা সামলে উঠছেন" এবং আরও যোগ করেছেন যে তার স্ত্রী "তার সাথে ভয়ানক দুর্ব্যবহার করেন।"
advertisement
2/6
 "আমি ফ্রান্সে ম্যাক্রোঁকে ফোন করেছিলাম , যার স্ত্রী তাঁর সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করেন। তিনি এখনও সেই চপেটাঘাতের ধাক্কা সামলে উঠছেন,"  একটি ব্যক্তিগত মধ্যাহ্নভোজের সময় ট্রাম্প বলেন। এই বিবৃতিটির ভিডিও হোয়াইট হাউসের ইউটিউব চ্যানেলে কিছু সময়ের জন্য পোস্ট করা ছিল, যা পরে সরিয়ে ফেলা হয়।
"আমি ফ্রান্সে ম্যাক্রোঁকে ফোন করেছিলাম , যার স্ত্রী তাঁর সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করেন। তিনি এখনও সেই চপেটাঘাতের ধাক্কা সামলে উঠছেন,"  একটি ব্যক্তিগত মধ্যাহ্নভোজের সময় ট্রাম্প বলেন। এই বিবৃতিটির ভিডিও হোয়াইট হাউসের ইউটিউব চ্যানেলে কিছু সময়ের জন্য পোস্ট করা ছিল, যা পরে সরিয়ে ফেলা হয়।
advertisement
3/6
২০২৫ সালের মে মাসে ভিয়েতনাম সফরকালে ব্রিজিট ম্যাক্রোঁকে ফরাসি প্রেসিডেন্টের মুখে ধাক্কা দিতে দেখা যাওয়া একটি ভিডিওর প্রসঙ্গে ট্রাম্প এই মন্তব্যটি করেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছে। ভিডিওটি হোয়াইট হাউসের ইউটিউব চ্যানেলে অল্প সময়ের জন্য পোস্ট করা হলেও পরে ব্লক করে দেওয়া হয়।
২০২৫ সালের মে মাসে ভিয়েতনাম সফরকালে ব্রিজিট ম্যাক্রোঁকে ফরাসি প্রেসিডেন্টের মুখে ধাক্কা দিতে দেখা যাওয়া একটি ভিডিওর প্রসঙ্গে ট্রাম্প এই মন্তব্যটি করেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছে। ভিডিওটি হোয়াইট হাউসের ইউটিউব চ্যানেলে অল্প সময়ের জন্য পোস্ট করা হলেও পরে ব্লক করে দেওয়া হয়।
advertisement
4/6
ভিডিওটিতে ব্রিজিটকে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে চড় মারতে দেখা যায়। তবে, ম্যাক্রোঁ ভিডিওটিকে 'ভুল তথ্য' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। মধ্যাহ্নভোজের সময় ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি উপসাগরীয় অঞ্চলে সাহায্যের জন্য ফ্রান্সের কাছে আবেদন করেছেন। তিনি বলেন,
ভিডিওটিতে ব্রিজিটকে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে চড় মারতে দেখা যায়। তবে, ম্যাক্রোঁ ভিডিওটিকে 'ভুল তথ্য' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। মধ্যাহ্নভোজের সময় ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি উপসাগরীয় অঞ্চলে সাহায্যের জন্য ফ্রান্সের কাছে আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, "আমি ম্যাক্রোঁকে বলেছি, ‘উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের আপনার সাহায্য প্রয়োজন,’ যদিও আমরা দুষ্কৃতকারী ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মূলে রেকর্ড গড়ছি। সম্ভব হলে অবিলম্বে জাহাজ পাঠান।"
advertisement
5/6
ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, ম্যাক্রোঁ জবাবে বলেছিলেন, “না, আমরা তা করতে পারব না। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আমরা সাহায্য করতে পারি।” এর জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমি যুদ্ধের পর সাহায্য চাই না।” এই সময়ে ট্রাম্প ন্যাটোর সমালোচনা করে একে 'কাগজের বাঘ' আখ্যা দেন এবং বলেন, 'যদি বড় কোনও যুদ্ধ হয়, ন্যাটো সেখানে থাকবে না।'
ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, ম্যাক্রোঁ জবাবে বলেছিলেন, “না, আমরা তা করতে পারব না। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আমরা সাহায্য করতে পারি।” এর জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমি যুদ্ধের পর সাহায্য চাই না।” এই সময়ে ট্রাম্প ন্যাটোর সমালোচনা করে একে 'কাগজের বাঘ' আখ্যা দেন এবং বলেন, 'যদি বড় কোনও যুদ্ধ হয়, ন্যাটো সেখানে থাকবে না।'
advertisement
6/6
সম্প্রতি মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওও একই ধরনের পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন যে, ইরান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর গুরুত্ব পুনর্বিবেচনা করতে পারে । এদিকে, ফ্রান্স স্পষ্ট করেছে যে তারা ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে জড়িত ছিল না এবং এ বিষয়ে তাদের সাথে পরামর্শও করা হয়নি। ম্যাক্রোঁ এক সাক্ষাৎকারে বলেন,
সম্প্রতি মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওও একই ধরনের পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন যে, ইরান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর গুরুত্ব পুনর্বিবেচনা করতে পারে । এদিকে, ফ্রান্স স্পষ্ট করেছে যে তারা ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে জড়িত ছিল না এবং এ বিষয়ে তাদের সাথে পরামর্শও করা হয়নি। ম্যাক্রোঁ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "ফ্রান্স এই সামরিক অভিযানের অংশ নয় এবং এতে অংশ নেবে না।"
advertisement

ছবি

আরও দেখুন
advertisement
advertisement