Iran-America: চাপের মুখে মাথা ঝোঁকালেন ট্রাম্প! ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ নিয়ে বড় ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের
- Published by:Pooja Basu
Last Updated:
তিনি আরও জানান যে, তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর সব ধরনের হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, এই সংঘাত এখন ধীরে ধীরে সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে।
ইরান-ইজরায়েল এবং আমেরিকার সংঘাত সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন৷ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে ইরানের সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং তিনি এই সংঘাতের একটি পূর্ণাঙ্গ সমাধানের আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও জানান যে, তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর সব ধরনের হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, এই সংঘাত এখন ধীরে ধীরে সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে।
advertisement
ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন – “আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গত দুই দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অত্যন্ত ভাল ও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে, যার লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের সংঘাতের একটি পূর্ণাঙ্গ সমাধান। এই নিবিড়, বিস্তারিত ও গঠনমূলক আলোচনার আবহ বিবেচনা করে, যা সপ্তাহজুড়ে চলবে, আমি যুদ্ধ বিষয়ক দফতরকে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর সকল সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছি। এই সিদ্ধান্তটি চলমান বৈঠক ও আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করবে।”
advertisement
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে শুধু ক্ষেপণাস্ত্রই নয়, তেল, জল এবং অর্থও অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। ইরান স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলা করে, তবে তারা হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেবে, যা বর্তমানে বন্ধ নেই। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পথ, যা দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ করা হয়। এটি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম আকাশচুম্বী হতে পারে। ইরান আরও জানিয়েছে যে, তারা শুধু তেল নয়, এই অঞ্চলের জ্বালানি এবং জল পরিশোধন কেন্দ্রগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।
advertisement
এর অর্থ হল, যুদ্ধ এখন সাধারণ মানুষের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। তবে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এও বলেছেন যে, যদিও প্রণালীটি পুরোপুরি বন্ধ নয়, জাহাজগুলো প্রবেশ করছে না কারণ যুদ্ধের ভয়ে বীমা কোম্পানিগুলো সরে দাঁড়াচ্ছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন যে, হুমকির পরিবর্তে সম্মানের পথ অবলম্বন করাই শ্রেয় হবে।
advertisement
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সরাসরি ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন যে, তেহরান যদি অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে বড় ধরনের হামলা চালাবে। ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল হ্যান্ডল ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক প্রকার হুমকি দিয়েছে৷ ইরানকে তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় এই সতর্কবার্তা দেন।প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন যে, ট্রাম্প তাঁর বন্ধুদের উপেক্ষা করেছেন এবং এখন তিনি তাঁর মূল্য চোকাচ্ছেন। তিনি বলেন, "আপনি যদি যুদ্ধের পরিকল্পনা করেন, তবে আপনার বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।" কিন্তু ট্রাম্প জোটগুলোকে উপেক্ষা করেছেন এবং এখন তাঁকে সেই ন্যাটোরই সাহায্য চাইতে হচ্ছে, যাকে তিনি আগে 'কাগুজে বাঘ' বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।









