advertisement

China News: সর্বনাশ! অরুণাচলের কিছু দূরেই ভয়াবহ পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার বানাচ্ছে চিন! ছবিতে যা ধরা পড়ল, প্রহর গুনছে গোটা বিশ্ব

Last Updated:
China News: পেন্টাগনের আশঙ্কা, ২০২৪ সালের শেষের দিকে চিনের পরমাণু বোমার সংখ্যা ৫০০-র গণ্ডি ছাড়িয়ে যাবে।
1/6
বেজিং: গোপনে পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার বৃদ্ধির চেষ্টা করছে বেজিং! চিনের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তের সিচুয়ান প্রদেশেও তৈরি হচ্ছে পরমাণু অস্ত্রের ভান্ডার। কিছু উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে এমনটাই জানা গিয়েছে। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
বেজিং: গোপনে পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার বৃদ্ধির চেষ্টা করছে বেজিং! চিনের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তের সিচুয়ান প্রদেশেও তৈরি হচ্ছে পরমাণু অস্ত্রের ভান্ডার। কিছু উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে এমনটাই জানা গিয়েছে। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
advertisement
2/6
দু’টি উপত্যকায় চিন এমন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে দাবি করছে তারা। একটি জিটং উপত্যকায়, অন্যটি পিংটন উপত্যকায়। চিনের সিচুয়ান প্রদেশটি ভারত লাগোয়া নয়। তবে অরুণাচল প্রদেশ থেকে খুব বেশি দূরেও নয়। ২০১৯ সাল থেকেই পারমাণবিক শক্তিধর চিন নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে শুরু করে। সিচুয়ান প্রদেশের এই পরমাণুকেন্দ্রগুলিও সেই উদ্যোগের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
দু’টি উপত্যকায় চিন এমন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে দাবি করছে তারা। একটি জিটং উপত্যকায়, অন্যটি পিংটন উপত্যকায়। চিনের সিচুয়ান প্রদেশটি ভারত লাগোয়া নয়। তবে অরুণাচল প্রদেশ থেকে খুব বেশি দূরেও নয়। ২০১৯ সাল থেকেই পারমাণবিক শক্তিধর চিন নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে শুরু করে। সিচুয়ান প্রদেশের এই পরমাণুকেন্দ্রগুলিও সেই উদ্যোগের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
advertisement
3/6
রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চিন গোপনে সিচুয়ান প্রদেশে পারমাণবিক অস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞদের মতে, উপত্যকার মাঝখানে সিচুয়ানের জিটংয়ে বড় বড় বাঙ্কার তৈরি করেছে চিন। এখানে পাইপের জাল বিছানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে পাহাড় খুঁড়ে পরমাণু ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চিন গোপনে সিচুয়ান প্রদেশে পারমাণবিক অস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞদের মতে, উপত্যকার মাঝখানে সিচুয়ানের জিটংয়ে বড় বড় বাঙ্কার তৈরি করেছে চিন। এখানে পাইপের জাল বিছানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে পাহাড় খুঁড়ে পরমাণু ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে।
advertisement
4/6
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত একটি ছবি অনুযায়ী, চিন প্রতিনিয়ত তাদের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করছে। পেন্টাগনের অনুমান অনুসারে, ২০২৪ সালের শেষের দিকে চিনের পরমাণু বোমার সংখ্যা ৫০০-র গণ্ডি ছাড়িয়ে যাবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যাটি ১ হাজারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়েছে তারা।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত একটি ছবি অনুযায়ী, চিন প্রতিনিয়ত তাদের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করছে। পেন্টাগনের অনুমান অনুসারে, ২০২৪ সালের শেষের দিকে চিনের পরমাণু বোমার সংখ্যা ৫০০-র গণ্ডি ছাড়িয়ে যাবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যাটি ১ হাজারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়েছে তারা।
advertisement
5/6
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনের কাছে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি শুধু ভারতের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এই নিয়ে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এক কর্মকর্তা বলছেন, এই প্রবণতা বেশ উদ্বেগজনক। জিটং এবং পিংটংয়ের নির্মাণ কাজ খুব দ্রুত হচ্ছে। এখানে একটি নতুন কমপ্লেক্সও তৈরি করা হচ্ছে। জিটংয়ে বাঙ্কার এবং হাই এক্সপ্লোসিভ টেস্টিং সেন্টারও তৈরি করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনের কাছে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি শুধু ভারতের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এই নিয়ে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এক কর্মকর্তা বলছেন, এই প্রবণতা বেশ উদ্বেগজনক। জিটং এবং পিংটংয়ের নির্মাণ কাজ খুব দ্রুত হচ্ছে। এখানে একটি নতুন কমপ্লেক্সও তৈরি করা হচ্ছে। জিটংয়ে বাঙ্কার এবং হাই এক্সপ্লোসিভ টেস্টিং সেন্টারও তৈরি করা হয়েছে।
advertisement
6/6
মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি থমাস জি ডিনান্নো বলেছেন, ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকে ফাঁকি দেওয়ার পদ্ধতি ব্যবহার করে গোপনে পারমাণবিক বিস্ফোরক পরীক্ষা চালাচ্ছে চিন। মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, ২০২০ সালের ২২ জুন এই ধরনেরই একটি পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন। অর্থাৎ, গালওয়ান সংঘর্ষের কয়েকদিন পরই এই পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন।
মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি থমাস জি ডিনান্নো বলেছেন, ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকে ফাঁকি দেওয়ার পদ্ধতি ব্যবহার করে গোপনে পারমাণবিক বিস্ফোরক পরীক্ষা চালাচ্ছে চিন। মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, ২০২০ সালের ২২ জুন এই ধরনেরই একটি পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন। অর্থাৎ, গালওয়ান সংঘর্ষের কয়েকদিন পরই এই পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন।
advertisement
advertisement
advertisement