Bangladesh News: বাংলাদেশের বিশ্ব বিখ্যাত সেই ভবন...অদ্ভুত! জানেন ভিতরে কী আছে? এখানেই শপথ নেবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- Published by:Satabdi Adhikary
Last Updated:
ঢাকার শের-এ বাংলা নগরের ঠিক কেন্দ্রে অবস্থিত এই জাতীয় সংসদ ভবন৷ লুই কান এবং মুজারুল ই,লামের পরিকল্পনার সৃষ্টি৷ তৈরি হয়েছিল ১৯৮২ সালে৷
বাংলাদেশের প্রাক্তন তথা ক্ষমতাচ্যূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রায় দেড় বছর পরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাধারণ নির্বাচন৷ তাতে বিপুল ভোট পেয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে বিএনপি৷ সব কিছু ঠিক থাকলে, আগামিকাল, মঙ্গলবার বাংলাদেশের নব নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ করবেন জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার সুপুত্র তথা বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমান৷ নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ ঘিরে ইতিমধ্যেই সাজো সাজো রব পড়শি দেশে৷ কোথায় আয়োজন করা হয়েছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান? কী তার বিশেষত্ব জানেন? Pic: AP
advertisement
ঢাকার শের-এ-বাংলা নগরের ঠিক প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় আইনসভা ভবনগুলির মধ্যে একটি বলে পরিচিত৷ প্রায় ৮,৪০,০০০ বর্গমিটার অর্থাৎ, প্রায় ২১০ একর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই ভবন। বৃত্ত, ত্রিভুজ এবং আয়তক্ষেত্রের মতো জ্যামিতিক আকৃতির সাহসী বিন্যাসে তৈরি ভবনিটি মূলত কংক্রিট দ্বারা নির্মিত৷ ভবনটিকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে কৃত্রিম হ্রদ৷ রয়েছে সবুজ গালিচা পাতা লন এবং আইনসভার সদস্যদের জন্য আবাসিক কোয়ার্টার৷ এই স্মৃতিস্তম্ভটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতীক হিসাবে বিবেচিত। News18 Hindi
advertisement
এই কমপ্লেক্সটি তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত - মেইন প্লাজা, সাউথ প্লাজা এবং প্রেসিডেন্সিয়াল প্লাজা। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের মুখোমুখি অবস্থিত সাউথ প্লাজাটি ধাপে ধাপে উঁচু হয়েছে প্রায় ২০ ফুট৷ অধিবেশন চলাকালীন সংসদ সদস্যদের জন্য এটি প্রধান প্রবেশপথ হিসাবে কাজ করে। এটি একটি বিশিষ্ট আনুষ্ঠানস্থলও, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি এই প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের কথা। News18 Hindi
advertisement
ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক তথা বিখ্যাত আমেরিকান স্থপতি লুই কান তৈরি করেছিলেন এই ভবনের নকশা৷ এই ভবনটিতে স্থানীয় সহযোগী হিসেবে প্রখ্যাত বাংলাদেশী স্থপতি মুজহারুল ইসলামও জড়িত ছিলেন। ১৯৬৪ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল, তখনও এই বাংলাদেশের জন্ম হয়নি৷ তখন এই ভূখণ্ড পরিচিত ছিল পূর্ব পাকিস্তানের হিসাবে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন জাতি হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পরে, প্রকল্পটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব নতুন সরকার গ্রহণ করে। ১৯৮২ সালে এই কমপ্লেক্সটির নির্মাণ শেষ হয়৷ ততদিনে লুই কান মারা গিয়েছেন৷ এই ভবনটি তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ স্থাপত্য কৃতিত্ব বলে মনে করেন অনেকে। News18 Hindi
advertisement
আট তলা জুড়ে অবস্থিত এই সংসদ ভবনটি নয়টি পৃথক ব্লকের সমন্বয়ে গঠিত একটি অষ্টভুজাকার ভবন। এর স্থাপত্য দর্শন 'আত্মা' এবং 'শান্তি' ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, যা বাঙালি সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে। কংক্রিট এবং মার্বেল দিয়ে নির্মিত এবং বন্যা থেকে রক্ষা করার জন্য একটি স্তম্ভের উপর উঁচু করে তৈরি করা৷ এই ভবনের নকশা মসজিদ এবং দুর্গের মতো ঐতিহাসিক স্থাপত্য থেকে অনুপ্রাণিত। News18 Hindi
advertisement
advertisement
নান্দনিক আবেদনের বাইরেও, এই কাঠামোটি শাসনব্যবস্থার একটি কার্যকরী কেন্দ্র। প্রধান সংসদ কক্ষে ৩৫৪ জন সদস্য বসতে পারেন। যদিও কক্ষের সঠিক সংখ্যা কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি৷ কমপ্লেক্সটিতে অফিস, সভাকক্ষ, লাউঞ্জ এবং থাকার ব্যবস্থা সহ নানাবিধ ব্যবহারের বহু কক্ষ রয়েছে। ভবনটিতে ১,৬০৫টি দরজা, ৩৩৫টি জানালা, ৩৬৫টি ভেন্টিলেটর এবং করিডোর রয়েছে যার সম্মিলিত দৈর্ঘ্য ৪১.৬ কিলোমিটার। News18 Hindi
advertisement







