advertisement

Ajit Doval on US: স্পষ্ট বলে দিয়েছেন অজিত ডোভাল...বাণিজ্য চুক্তির নামে ‘দাদাগিরি’ চলবে না! দরকার হলে ট্রাম্পের যাওয়ার অপেক্ষা করবে ভারত

Last Updated:
ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বাণিজ্য চুক্তির পরিবর্তে ভারত ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন মূল্য কিনতে রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প এবং মার্কিন পণ্যের উপরে শূন্য শতাংশ কর আরোপ করবে ভারত৷
1/8
নয়াদিল্লি: বাণিজ্য চুক্তির আড়ালে ভারতকে চাপে রাখা যাবে না৷ সংবাদসংস্থা ব্লুমবার্গ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও-কে জানিয়ে দিয়েছে, প্রয়োজন হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনকাল শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে তিনি রাজি৷
pfl নয়াদিল্লি: বাণিজ্য চুক্তির আড়ালে ভারতকে চাপে রাখা যাবে না৷ সংবাদসংস্থা ব্লুমবার্গ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও-কে জানিয়ে দিয়েছে, প্রয়োজন হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনকাল শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে তিনি রাজি৷
advertisement
2/8
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গত বছর পর পর দেখা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ সূত্রের খবর, তার ঠিক পর পরই সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ওয়াশিংটন গিয়েছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল৷ ওই প্রতিবেদন সূত্রের খবর, সম্ভবত, সেই বৈঠকেই মার্কো রুবিও-কে অজিত ডোভাল স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন ভারতের অবস্থান৷ জানা গিয়েছে, নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বাড়তি জটিলতা শিথিল করতে অজিত ডোভালকে ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে৷
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গত বছর পর পর দেখা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ সূত্রের খবর, তার ঠিক পর পরই সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ওয়াশিংটন গিয়েছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল৷ ওই প্রতিবেদন সূত্রের খবর, সম্ভবত, সেই বৈঠকেই মার্কো রুবিও-কে অজিত ডোভাল স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন ভারতের অবস্থান৷ জানা গিয়েছে, নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বাড়তি জটিলতা শিথিল করতে অজিত ডোভালকে ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে৷
advertisement
3/8
ওই বৈঠকে, ডোভাল রুবিওকে জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প বা তাঁর সহযোগীরা ভারতকে চাপ দিতে পারবে না এবং নয়াদিল্লি অতীতে কড়া মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে মোকাবিলা করেছে।
ওই বৈঠকে, ডোভাল রুবিওকে জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প বা তাঁর সহযোগীরা ভারতকে চাপ দিতে পারবে না এবং নয়াদিল্লি অতীতে কড়া মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে মোকাবিলা করেছে।
advertisement
4/8
প্রসঙ্গত, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়ে উঠে ছিলেন ট্রাম্প৷ দাবি করেছিলেন, এই ভাবে আদতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে জ্বালানি জোগাচ্ছে ভারত৷ তারপরে ভারতীয় পণ্যের উপরে চাপানো হয় ৫০ শতাংশ শুল্ক৷ ভিসা নিয়েও শুরু হয় কড়াকড়ি৷
প্রসঙ্গত, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়ে উঠে ছিলেন ট্রাম্প৷ দাবি করেছিলেন, এই ভাবে আদতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে জ্বালানি জোগাচ্ছে ভারত৷ তারপরে ভারতীয় পণ্যের উপরে চাপানো হয় ৫০ শতাংশ শুল্ক৷ ভিসা নিয়েও শুরু হয় কড়াকড়ি৷
advertisement
5/8
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন সূত্রের খবর, অজিত ডোভালের সেই দৌত্যকর্ম কাজে দিয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে৷ কারণ, গত ১৬ সেপ্টেম্বর মোদির জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প৷ তারপরে গত বছরের শেষের দিকে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে চারবারের বেশি কথা হয় এবং বাণিজ্যচুক্তির কথা এগোতে থাকে৷
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন সূত্রের খবর, অজিত ডোভালের সেই দৌত্যকর্ম কাজে দিয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে৷ কারণ, গত ১৬ সেপ্টেম্বর মোদির জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প৷ তারপরে গত বছরের শেষের দিকে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে চারবারের বেশি কথা হয় এবং বাণিজ্যচুক্তির কথা এগোতে থাকে৷
advertisement
6/8
গত সোমবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ভারত এবং আমেরিকা অবশেষে বাণিজ্য চুক্তিতে ঐকমত্য হয়েছে৷ ভারতীয় পণ্যের উপরে ৫০ শতাংশ ট্যারিফ কমে ১৮ শতাংশ হয়৷ তবে পাশাপাশি, ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার থেকে আর তেল না কেনার বিষয়ে রাজি হয়েছে ভারত এবং ভেনেজুয়েলা থেকে উত্তোলন করা মার্কিন তেল কেনার বিষয়ে ভারত আগ্রহ দেখিয়েছে৷
গত সোমবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ভারত এবং আমেরিকা অবশেষে বাণিজ্য চুক্তিতে ঐকমত্য হয়েছে৷ ভারতীয় পণ্যের উপরে ৫০ শতাংশ ট্যারিফ কমে ১৮ শতাংশ হয়৷ তবে পাশাপাশি, ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার থেকে আর তেল না কেনার বিষয়ে রাজি হয়েছে ভারত এবং ভেনেজুয়েলা থেকে উত্তোলন করা মার্কিন তেল কেনার বিষয়ে ভারত আগ্রহ দেখিয়েছে৷
advertisement
7/8
পাশাপাশি, ভারত ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন মূল্য কিনতে রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প এবং মার্কিন পণ্যের উপরে শূন্য শতাংশ কর আরোপ করবে ভারত৷
পাশাপাশি, ভারত ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন মূল্য কিনতে রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প এবং মার্কিন পণ্যের উপরে শূন্য শতাংশ কর আরোপ করবে ভারত৷
advertisement
8/8
প্রতিবেদন অনুসারে, নয়াদিল্লির রিপোর্ট বলছে, চিনের মোকাবিলা করার জন্য এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত অর্থনীতিতে পরিণত করার প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য পূরণের জন্য ভারতের মার্কিন মূলধন, প্রযুক্তি এবং সামরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে ট্রাম্প একটি অস্থায়ী পর্যায় এবং ভারতকে দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে হবে।
প্রতিবেদন অনুসারে, নয়াদিল্লির রিপোর্ট বলছে, চিনের মোকাবিলা করার জন্য এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত অর্থনীতিতে পরিণত করার প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য পূরণের জন্য ভারতের মার্কিন মূলধন, প্রযুক্তি এবং সামরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে ট্রাম্প একটি অস্থায়ী পর্যায় এবং ভারতকে দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে হবে।
advertisement
advertisement
advertisement