Bollywood Gossip: বহু ছবিতে শাহরুখ খানের সঙ্গে কাজ করেছেন ফরিদা জালাল! কেমন ছিল বলিউড বাদশার সঙ্গে অভিজ্ঞতা?
- Published by:Rachana Majumder
Last Updated:
বলিউড সুপারস্টারের প্রতি মাতৃসুলভ স্নেহ-মায়া-মমতার অনুভূতি তাঁর মনের মধ্যে কাজ করত।
Galatta Plus-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় শাহরুখ খানের প্রসঙ্গে অভিনেত্রী ফরিদা জালাল বলেন যে, “একাধিক ছবিতে আমি ওর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। ভীষণই প্রাণবন্ত ও। এহেন এনার্জি আমি কারও মধ্যে কখনওই দেখিনি। ওর সঙ্গে প্রত্যেকটা কাজের প্রতিটা মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি।”
একাধিক ছবিতে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ফরিদা জালাল। আর সেই অভিজ্ঞতাই সম্প্রতি তুলে ধরলেন তিনি। বলেন যে, শাহরুখের প্রতি তিনি একেবারেই মাতৃসুলভ ছিলেন। আসলে যেহেতু অভিনেতা নিজের মা-কে হারিয়েছিলেন, সেই কারণে কিং খানের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাঁদের অনেকটা মা-ছেলের মতো সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।
advertisement
বলিউড সুপারস্টারের প্রতি মাতৃসুলভ স্নেহ-মায়া-মমতার অনুভূতি তাঁর মনের মধ্যে কাজ করত।Galatta Plus-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় শাহরুখ খানের প্রসঙ্গে অভিনেত্রী ফরিদা জালাল বলেন যে, “একাধিক ছবিতে আমি ওর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। ভীষণই প্রাণবন্ত ও। এহেন এনার্জি আমি কারও মধ্যে কখনওই দেখিনি। ওর সঙ্গে প্রত্যেকটা কাজের প্রতিটা মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি।”
advertisement
কিং খানের প্রতি মাতৃসুলভ স্নেহের কথাও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, “আমি তো ওর সঙ্গে প্রচুর ছবি করেছি। এমনকী আমি ওর মায়ের ভূমিকায় অভিনয়ও করেছি। শাহরুখের সঙ্গে মা-ছেলের সম্পর্কের একটা অনুভূতি আর টান আমি অনুভব করি। আসলে আমি অনুভব করতাম যে, যেহেতু ওর জীবনে মা ছিলেন না, তাই আমার সব সময় মনে হত যে, ওর প্রতি আরও বেশি করে স্নেহ-মমতা দেওয়া উচিত। আর এই আবেগটা স্বাভাবিক ভাবেই আমার মধ্যে আসত।”
advertisement
প্রথমবার শাহরুখের সঙ্গে ফরিদা জালালের প্রথম আলাপ ১৯৯২ সালে। ‘দিল আশনা হ্যায়’ ছবির সেটে প্রথম আলাপের সেই কথাও তুলে ধরেন অভিনেত্রী। তিনি জানান যে, শাহরুখ খুবই লাজুক প্রকৃতির। তবে ‘ডিডিএলজে’ ছবির শ্যুটিংয়ের সময় শাহরুখকে অন্য রূপে আবিষ্কার করেছিলেন তিনি। বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর কথায়, “ডিডিএলজে ছবির সেটে শাহরুখকে অন্য রকম ভাবে পেয়েছি। সাফল্যের কারণে আপনার সঙ্গেও এমনটাই হবে।”
advertisement
advertisement
শাহরুখের কথায়, “আমি যে সময় ফিল্মি দুনিয়ায় পা রেখেছি, সেই সময় আমার মা-বাবা প্রয়াত হয়েছেন। দুজনের কেউই বেঁচেছিলেন না। আমি জানি না, কিছু কারণবশত আমার মনে হত যে, আমি অত্যন্ত বড় বড় ছবি বানাব, যাতে আমার মা-বাবা সেটা স্বর্গে বসেই দেখতে পান। বিষয়টাকে শিশুসুলভ বলে মনে হতে পারে। তবে আমি এখনও মনে করি যে, আমার মা আকাশের তারা হয়ে গিয়েছেন। আর এটাই কাজে দেয়। এমনকী আমি মনে করি, আমি এটাও জানি যে, কোন তারাটা আমার মা।”









