২০০২ সালে একই গল্প নিয়ে তিন ছবি একসঙ্গে ! একটি ব্লকবাস্টার, অন্যগুলো দুই ভাইয়ের কেরিয়ার ধ্বংস করে দেয়

Last Updated:
সোনু সুদ অভিনীত শহিদ-এ-আজম ৩১ মে, ২০০২ সালে মুক্তি পায়। এক সপ্তাহ পরে, ৭ জুন, ২০০২ তারিখে অজয় ​​দেবগনের দ্য লেজেন্ড অফ ভগত সিং সানি দেওল এবং ববি দেওলের ২৩ মার্চ ১৯৩১: শহিদ-এর মুখোমুখি হয়।
1/9
ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যেখানে একই বিষয় নিয়ে তৈরি দুটি চলচ্চিত্রের মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয়েছে, কিন্তু কিন্তু ২০০২ সাল আজও সিনেমা জগতে আলোচনার বিষয় হয়ে থেকে গিয়েছে। সেই বছর ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবী শহিদ ভগত সিং-এর জীবনের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি, দুটি নয়, তিনটি চলচ্চিত্র মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে মুক্তি পেয়েছিল। এই ঐতিহাসিক সংঘর্ষ কেবল চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতিযোগিতাকেই তুলে ধরেনি বরং অনেক বড় তারকার কেরিয়ারকেও বদলে দিয়েছে।
ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যেখানে একই বিষয় নিয়ে তৈরি দুটি চলচ্চিত্রের মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয়েছে, কিন্তু কিন্তু ২০০২ সাল আজও সিনেমা জগতে আলোচনার বিষয় হয়ে থেকে গিয়েছে। সেই বছর ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবী শহিদ ভগত সিং-এর জীবনের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি, দুটি নয়, তিনটি চলচ্চিত্র মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে মুক্তি পেয়েছিল। এই ঐতিহাসিক সংঘর্ষ কেবল চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতিযোগিতাকেই তুলে ধরেনি বরং অনেক বড় তারকার কেরিয়ারকেও বদলে দিয়েছে।
advertisement
2/9
দ্য লেজেন্ড অফ ভগত সিং, ২৩ মার্চ ১৯৩১: শহিদ এবং শহিদ-এ-আজম- এই ছিল তিন ছবির নাম। সিনেমার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সংঘর্ষ: ২০০২ সালের জুন মাসে দেশের সিনেমা হলগুলো এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী হয়। দর্শকরা একই গল্প তিনটি ভিন্ন সংস্করণে দেখার সুযোগ নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসতে থাকেন। সোনু সুদ অভিনীত শহিদ-এ-আজম ৩১ মে, ২০০২ সালে মুক্তি পায়। এক সপ্তাহ পরে, ৭ জুন, ২০০২ তারিখে অজয় ​​দেবগনের দ্য লেজেন্ড অফ ভগত সিং সানি দেওল এবং ববি দেওলের ২৩ মার্চ ১৯৩১: শহিদ-এর মুখোমুখি হয়।
দ্য লেজেন্ড অফ ভগত সিং, ২৩ মার্চ ১৯৩১: শহিদ এবং শহিদ-এ-আজম- এই ছিল তিন ছবির নাম।সিনেমার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সংঘর্ষ: ২০০২ সালের জুন মাসে দেশের সিনেমা হলগুলো এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী হয়। দর্শকরা একই গল্প তিনটি ভিন্ন সংস্করণে দেখার সুযোগ নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসতে থাকেন। সোনু সুদ অভিনীত শহিদ-এ-আজম ৩১ মে, ২০০২ সালে মুক্তি পায়। এক সপ্তাহ পরে, ৭ জুন, ২০০২ তারিখে অজয় ​​দেবগনের দ্য লেজেন্ড অফ ভগত সিং সানি দেওল এবং ববি দেওলের ২৩ মার্চ ১৯৩১: শহিদ-এর মুখোমুখি হয়।
advertisement
3/9
এই দ্বন্দ্ব কেবল ছবিটি নিয়েই ছিল না, বরং অভিনয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও ছিল। রাজকুমার সন্তোষী এবং সানি দেওলের মধ্যে মতবিরোধের পর দুজনেই আলাদা ছবি করার সিদ্ধান্ত নেন। সন্তোষী অজয় ​​দেবগনকে বেছে নেন, অন্য দিকে, সানি দেওল তাঁর ছোট ভাই ববিকে ভগত সিং চরিত্রে নেন।
এই দ্বন্দ্ব কেবল ছবিটি নিয়েই ছিল না, বরং অভিনয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও ছিল। রাজকুমার সন্তোষী এবং সানি দেওলের মধ্যে মতবিরোধের পর দুজনেই আলাদা ছবি করার সিদ্ধান্ত নেন। সন্তোষী অজয় ​​দেবগনকে বেছে নেন, অন্য দিকে, সানি দেওল তাঁর ছোট ভাই ববিকে ভগত সিং চরিত্রে নেন।
advertisement
4/9
অজয় দেবগনের দ্য লেজেন্ড অফ ভগত সিং: রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত এই ছবিটি এখনও ভগত সিং-কে নিয়ে তৈরি সেরা ছবিগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত হয়। ছবির চিত্রনাট্য, এ আর রহমানের সঙ্গীত এবং অজয় দেবগনের চোখে বিপ্লবী আগুন দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল। অজয় দেবগন এই চরিত্রটি এতটাই গুরুত্ব সহকারে অভিনয় করেছিলেন যে তিনি সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন। ছবিটি কেবল সমালোচকদের প্রশংসাই পায়নি, বরং বক্স অফিসেও সাফল্য পেয়েছিল। আজও, ভগত সিং-এর কথা উঠলেই অজয় দেবগনের মুখটি সবার আগে মনে আসে। পাগড়ি সম্ভাল জট্টা এবং মেরা রঙ দে বসন্তী চোলা-র মতো গানগুলি ছবিটিকে যেন অমর করে দিয়েছে। মুক্তির পর ছবিটি বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার হিসেবে প্রমাণিত হয়।
অজয় দেবগনের দ্য লেজেন্ড অফ ভগত সিং: রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত এই ছবিটি এখনও ভগত সিং-কে নিয়ে তৈরি সেরা ছবিগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত হয়। ছবির চিত্রনাট্য, এ আর রহমানের সঙ্গীত এবং অজয় দেবগনের চোখে বিপ্লবী আগুন দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল। অজয় দেবগন এই চরিত্রটি এতটাই গুরুত্ব সহকারে অভিনয় করেছিলেন যে তিনি সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন।ছবিটি কেবল সমালোচকদের প্রশংসাই পায়নি, বরং বক্স অফিসেও সাফল্য পেয়েছিল। আজও, ভগত সিং-এর কথা উঠলেই অজয় দেবগনের মুখটি সবার আগে মনে আসে। পাগড়ি সম্ভাল জট্টা এবং মেরা রঙ দে বসন্তী চোলা-র মতো গানগুলি ছবিটিকে যেন অমর করে দিয়েছে। মুক্তির পর ছবিটি বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার হিসেবে প্রমাণিত হয়।
advertisement
5/9
দেওল ভাইদের ২৩ মার্চ ১৯৩১: শহিদ: গুড্ডু ধানোয়া পরিচালিত এই ছবিতে ববি দেওল ভগত সিং চরিত্রে এবং সানি দেওল চন্দ্রশেখর আজাদের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ছবিটি বিশাল বাজেট এবং ব্যাপক প্রচারণা সত্ত্বেও বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। ছবিটির ব্যর্থতা মূলত অজয় দেবগনের ছবির সঙ্গে সরাসরি তুলনা করার কারণে হয়। দর্শকরা অজয় দেবগনের অভিনয় এবং সন্তোষীর পরিচালনাকে অনেক বেশি চিত্তাকর্ষক বলে মনে করেছিলেন। ববি দেওলের জন্য ছবিটি তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে খারাপ টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে প্রমাণিত হয়েছিল।
দেওল ভাইদের ২৩ মার্চ ১৯৩১: শহিদ: গুড্ডু ধানোয়া পরিচালিত এই ছবিতে ববি দেওল ভগত সিং চরিত্রে এবং সানি দেওল চন্দ্রশেখর আজাদের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ছবিটি বিশাল বাজেট এবং ব্যাপক প্রচারণা সত্ত্বেও বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। ছবিটির ব্যর্থতা মূলত অজয় দেবগনের ছবির সঙ্গে সরাসরি তুলনা করার কারণে হয়। দর্শকরা অজয় দেবগনের অভিনয় এবং সন্তোষীর পরিচালনাকে অনেক বেশি চিত্তাকর্ষক বলে মনে করেছিলেন। ববি দেওলের জন্য ছবিটি তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে খারাপ টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে প্রমাণিত হয়েছিল।
advertisement
6/9
কেরিয়ার ধ্বংস এবং নির্বাসনের বছর: ২৩ মার্চ ১৯৩১: শহিদ ছবির ব্যর্থতা সানি এবং ববি দেওলের কেরিয়ারে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই ছবির পর দুই ভাইয়ের কেরিয়ারের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে পরবর্তী বেশ কয়েক বছর ধরে সেগুলো ফ্লপে ভরা ছিল।
কেরিয়ার ধ্বংস এবং নির্বাসনের বছর: ২৩ মার্চ ১৯৩১: শহিদ ছবির ব্যর্থতা সানি এবং ববি দেওলের কেরিয়ারে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই ছবির পর দুই ভাইয়ের কেরিয়ারের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে পরবর্তী বেশ কয়েক বছর ধরে সেগুলো ফ্লপে ভরা ছিল।
advertisement
7/9
সানি দেওলের জাল: দ্য ট্র্যাপ, খেল এবং লাকির মতো ছবিগুলো বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। ইতিমধ্যে, ববি দেওলের একসময়ের উজ্জ্বল তারকাখ্যাতি সম্পূর্ণরূপে ম্লান হয়ে যায় এবং তিনি ধীরে ধীরে ইন্ডাস্ট্রি থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করেন।
সানি দেওলের জাল: দ্য ট্র্যাপ, খেল এবং লাকির মতো ছবিগুলো বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। ইতিমধ্যে, ববি দেওলের একসময়ের উজ্জ্বল তারকাখ্যাতি সম্পূর্ণরূপে ম্লান হয়ে যায় এবং তিনি ধীরে ধীরে ইন্ডাস্ট্রি থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করেন।
advertisement
8/9
সোনু সুদের অপ্রকাশিত অভিষেক: সোনু সুদের শহিদ-এ-আজম দুই ছবির কাছাকাছিও যায়নি। যদিও সোনু সুদের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছিল, কম বাজেট এবং কম হলে মুক্তির কারণে ছবিটি দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছিল। এটি ছিল সোনু সুদের প্রথম দিকের ছবিগুলির মধ্যে একটি, খুব কম লোকই তা মনে রেখেছে।
সোনু সুদের অপ্রকাশিত অভিষেক: সোনু সুদের শহিদ-এ-আজম দুই ছবির কাছাকাছিও যায়নি। যদিও সোনু সুদের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছিল, কম বাজেট এবং কম হলে মুক্তির কারণে ছবিটি দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছিল। এটি ছিল সোনু সুদের প্রথম দিকের ছবিগুলির মধ্যে একটি, খুব কম লোকই তা মনে রেখেছে।
advertisement
9/9
জমকালো প্রত্যাবর্তন: বছরের পর বছর ব্যর্থতার পর দেওল ভাইয়েরা আবারও তাঁদের শক্তি প্রদর্শন করেন ২০২৪-২৫ সালে। সানি দেওল গদর ২ দিয়ে ইতিহাস তৈরি করে দেন বক্স অফিসে, অন্য দিকে, ববি দেওল অ্যানিমাল এবং তাঁর আসন্ন ছবিগুলির মাধ্যমে ওটিটি এবং বড় পর্দায় তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে নেন নতুন করে। ২০২৬ সালে সানির বর্ডার ২-এর আগমন প্রমাণ করে যে কিংবদন্তিরা কখনও হারিয়ে যান না। ২০০২ সালের এক বিষয় নিয়ে তৈরি এই তিন ছবির যুদ্ধ আসলে আমাদের শেখায় যে যখন দর্শকদের সামনে কোনও কিছু বেছে নেওয়ার, পছন্দ করার প্রশ্ন আসে, তখন বিষয়বস্তু এবং আবেগই সর্বদা জয়ী হয়। অজয় দেবগণ যেমন জয়ী হন, অন্য দিকে, দেওল ভাইদের জন্য পরাজয় এবং সংগ্রামের দীর্ঘ যাত্রা বয়ে আনে দর্শকদের মতামত।
জমকালো প্রত্যাবর্তন: বছরের পর বছর ব্যর্থতার পর দেওল ভাইয়েরা আবারও তাঁদের শক্তি প্রদর্শন করেন ২০২৪-২৫ সালে। সানি দেওল গদর ২ দিয়ে ইতিহাস তৈরি করে দেন বক্স অফিসে, অন্য দিকে, ববি দেওল অ্যানিমাল এবং তাঁর আসন্ন ছবিগুলির মাধ্যমে ওটিটি এবং বড় পর্দায় তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে নেন নতুন করে। ২০২৬ সালে সানির বর্ডার ২-এর আগমন প্রমাণ করে যে কিংবদন্তিরা কখনও হারিয়ে যান না। ২০০২ সালের এক বিষয় নিয়ে তৈরি এই তিন ছবির যুদ্ধ আসলে আমাদের শেখায় যে যখন দর্শকদের সামনে কোনও কিছু বেছে নেওয়ার, পছন্দ করার প্রশ্ন আসে, তখন বিষয়বস্তু এবং আবেগই সর্বদা জয়ী হয়। অজয় দেবগণ যেমন জয়ী হন, অন্য দিকে, দেওল ভাইদের জন্য পরাজয় এবং সংগ্রামের দীর্ঘ যাত্রা বয়ে আনে দর্শকদের মতামত।
advertisement
advertisement
advertisement