Earthquake in Kolkata: প্রবল ভাবে কেঁপে উঠল কলকাতা, কিন্তু এ শহরে সবচেয়ে তীব্র কম্পন কবে হয়েছিল জানেন? কী হয়েছিল সে সময়!
- Published by:Soumendu Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
শুক্রবার দুপুর ১টা বেজে ২২ মিনিটে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মহানগর কলকাতা। কিন্তু, এই শহরের মাটির নীচেই লুকিয়ে আছে ভূমিকম্পের দীর্ঘ ইতিহাস। গঙ্গার বদ্বীপ অঞ্চল তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকির হলেও পার্শ্ববর্তী হিমালয়ান ফল্ট লাইন এবং পূর্বাঞ্চলের ভূগঠনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে দীর্ঘকাল থেকেই এই শহরে কম্পনে অভিঘাত অনুভূত হয়েছে।
শুক্রবার দুপুর ১টা বেজে ২২ মিনিটে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মহানগর কলকাতা। কিন্তু, এই শহরের মাটির নীচেই লুকিয়ে আছে ভূমিকম্পের দীর্ঘ ইতিহাস। গঙ্গার বদ্বীপ অঞ্চল তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকির হলেও পার্শ্ববর্তী হিমালয়ান ফল্ট লাইন এবং পূর্বাঞ্চলের ভূগঠনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে দীর্ঘকাল থেকেই এই শহরে কম্পনে অভিঘাত অনুভূত হয়েছে।
advertisement
কলকাতার ভূমিকম্পের এই অধ্যায় শুরু হয় ১৭৩৭ সালের এক ভয়ঙ্কর সকাল দিয়ে। তৎকালীন সময়ের ম্যাগাজিন 'দ্য জেন্টলম্যান'স ম্যাগাজিন (১৭৩৮) এবং 'রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটি'-এর তথ্য থেকে জানা যায় ১৭৩৭ খ্রিস্টাব্দের ১১ অক্টোবর এই শহরের বুকে ঘটে যায় প্রবল এক ভূমিকম্প। যেহেতু তখনও রিখটার স্কেল আবিষ্কার হয়নি। তাই ভূমিকম্পের তীব্রতা কত তা জানা যায় না।
advertisement
advertisement
১৯৩৪ সালের বিহার-নেপাল ভুমিকম্প- ১৭৩৭ সালের ভয়াবহ স্মৃতি ফিকে হওয়ার দুই দশকের পরেই আবার কলকাতার বুকে ফের প্রবল কম্পন অনুভূত হয়। ১৯৩৪ সালে বিহার-নেপাল ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৮.১ মাত্রার। এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র কলকাতা থেকে দূরে হলেও কম্পনের শক্তি তীব্রভাবে পৌঁছেছিল এই শহরেও। এরফলে বহু পুরনো বাড়িতে ফাটল দেখা যায়। জনজীবন প্রবলভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
advertisement
১৯৫০: অসমের ভূমিকম্প — আধুনিক কলকাতার বুকে আর এক বড় ধাক্কা ডেকে আনে এই ভূমিকম্প। ১৯৫০ সালের অসমে ভূমিকম্প। যা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম শক্তিশালী কম্পন হিসেবে পরিচিত। কলকাতাকেও গভীরভাবে নাড়িয়ে দেয়। দশতলা ভবন তখনও তেমন ছিল না, কিন্তু যে বহুতলের কাঠামো ছিল, সেগুলো দুলতে থাকে মিনিটের পর মিনিট। বহু বাড়িতে চাঙড় খসে পড়ে, কিছু এলাকায় জলের পাইপ ফেটে যায়। তৎকালীন সংবাদপত্রগুলোতে আতঙ্কগ্রস্ত মানুষের রাস্তায় নেমে আসার বর্ণনা পাওয়া যায়।
advertisement
২০০১ থেকে ২০১৫: দূরবর্তী বড় কম্পনেও কাঁপে কলকাতা। নতুন শতকের শুরুতে ২০০১ সালের গুজরাট ভূমিকম্প, ২০১১ সালের সিকিম কম্পন এবং ২০১৫ সালের নেপালের বিধ্বংসী ভূমিকম্প—সবই কলকাতায় মাঝারি থেকে তীব্র কম্পনে অনুভূত হয়। বহুতল ভবনের আধিক্য বেড়ে যাওয়ায় এই কম্পনগুলো মানুষের মধ্যে নতুন ধরনের উদ্বেগ তৈরি করে। উচ্চ ভবনে ঝুলন্ত পাখা, লাইট ও জানালার কাঁচ দুলতে থাকে; বাসিন্দারা নিরাপত্তার খোঁজে বাইরে ছুটে আসেন।
advertisement








