advertisement

পাইলট হওয়ার স্বপ্ন? দ্বাদশ শ্রেণির পর কী ভাবে প্রস্তুতি নেবেন? জেনে নিন দেশের পাইলটের মুখ থেকেই!

Last Updated:
দ্বাদশ শ্রেণির পর থেকেই সঠিক প্রস্তুতি নিলে পাইলট হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব। গণিত ও পদার্থবিদ্যায় দক্ষতা, নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স প্রক্রিয়া এবং মানসিক দৃঢ়তাই এয়ারলাইন ক্যারিয়ারে সফল হওয়ার মূল চাবিকাঠি। জেনে নিন বিশদে।
1/8
ইশ যদি পাইলট হতাম! চাকরিতে ঢুকে পড়ে অনেকেরই আফসোস হয়। আগে যদি জানতেন সেভাবেই এগোতে পারতেন। হয়ে যেতেন পাইলট! কী তাই তো? আসুন, জেনে নিন এবং বয়স থাকতে ছোটদেরও জানান। কী ভাবে এরোপ্লেনের চালক বা পাইলট হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করা যায়! 
ইশ যদি পাইলট হতাম! চাকরিতে ঢুকে পড়ে অনেকেরই আফসোস হয়। আগে যদি জানতেন সেভাবেই এগোতে পারতেন। হয়ে যেতেন পাইলট! কী তাই তো? আসুন, জেনে নিন এবং বয়স থাকতে ছোটদেরও জানান। কী ভাবে এরোপ্লেনের চালক বা পাইলট হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করা যায়! (Representative Image) 
advertisement
2/8
আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন যদি থাকে এবং পাইলট হতে চান, তবে দ্বাদশ শ্রেণির পর থেকেই সঠিক দিশায় প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। এয়ারলাইন ক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়তে গণিত ও পদার্থবিদ্যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই দুই বিষয়ে মজবুত ভিত্তি তৈরি করাই পাইলট হওয়ার প্রথম ধাপ।
আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন যদি থাকে এবং পাইলট হতে চান, তবে দ্বাদশ শ্রেণির পর থেকেই সঠিক দিশায় প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। এয়ারলাইন ক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়তে গণিত ও পদার্থবিদ্যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই দুই বিষয়ে মজবুত ভিত্তি তৈরি করাই পাইলট হওয়ার প্রথম ধাপ। (Representative Image) 
advertisement
3/8
সাধারণত দ্বাদশ শ্রেণি পাশের পর প্রায় ১৭ বছর বয়স থেকে পাইলট লাইসেন্সের প্রশিক্ষণ শুরু করা যায়। পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা অর্জনে কয়েক বছর সময় লাগে। তবে কমার্শিয়াল পাইলট হয়ে উঠতে পারলে এই পেশায় সম্মান, উচ্চ বেতন এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ মিলতে পারে।
সাধারণত দ্বাদশ শ্রেণি পাশের পর প্রায় ১৭ বছর বয়স থেকে পাইলট লাইসেন্সের প্রশিক্ষণ শুরু করা যায়। পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা অর্জনে কয়েক বছর সময় লাগে। তবে কমার্শিয়াল পাইলট হয়ে উঠতে পারলে এই পেশায় সম্মান, উচ্চ বেতন এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ মিলতে পারে। (Representative Image) 
advertisement
4/8
নিউজ১৮কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট ক্যাপ্টেন চন্দন কুমার জানান, পাইলট হওয়ার পথ কঠিন হলেও সঠিক জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও পরিশ্রম থাকলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। দ্বাদশ শ্রেণির পর শিক্ষার্থীদের গণিত ও পদার্থবিদ্যার পাশাপাশি পাইলট প্রশিক্ষণের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও দক্ষতা গড়ে তুলতে হয়।
নিউজ১৮কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট ক্যাপ্টেন চন্দন কুমার জানান, পাইলট হওয়ার পথ কঠিন হলেও সঠিক জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও পরিশ্রম থাকলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। দ্বাদশ শ্রেণির পর শিক্ষার্থীদের গণিত ও পদার্থবিদ্যার পাশাপাশি পাইলট প্রশিক্ষণের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও দক্ষতা গড়ে তুলতে হয়। (Representative Image) 
advertisement
5/8
 এই বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে আবহাওয়াবিজ্ঞান, নেভিগেশন, যোগাযোগব্যবস্থা এবং বিমান ব্যবস্থার প্রাথমিক জ্ঞান। এয়ারলাইন ক্ষেত্রে সাফল্য পেতে কেবল শিক্ষাগত যোগ্যতা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ভাল ইংরেজি যোগাযোগ দক্ষতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, মানসিক স্থিরতা এবং শারীরিক সক্ষমতা। উড়ানের সময় আবহাওয়া, প্রযুক্তি ও নেভিগেশন সংক্রান্ত বহু দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তাই মানসিক দৃঢ়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। (Representative Image) 
এই বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে আবহাওয়াবিজ্ঞান, নেভিগেশন, যোগাযোগব্যবস্থা এবং বিমান ব্যবস্থার প্রাথমিক জ্ঞান। এয়ারলাইন ক্ষেত্রে সাফল্য পেতে কেবল শিক্ষাগত যোগ্যতা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ভাল ইংরেজি যোগাযোগ দক্ষতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, মানসিক স্থিরতা এবং শারীরিক সক্ষমতা। উড়ানের সময় আবহাওয়া, প্রযুক্তি ও নেভিগেশন সংক্রান্ত বহু দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তাই মানসিক দৃঢ়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। (Representative Image) 
advertisement
6/8
পাইলট প্রশিক্ষণে পাঁচটি মূল বিষয় পাশ করা বাধ্যতামূলক, যা এয়ারলাইন ক্যারিয়ারের ভিত্তি গড়ে দেয়। এগুলি হল এভিয়েশন রেগুলেশন (বিমান সংক্রান্ত নিয়ম ও নিরাপত্তা মানদণ্ড), মেটিওরোলজি (আবহাওয়া ও তার প্রভাব), নেভিগেশন (বিমানের দিক ও রুট নির্ধারণ), টেকনিক্যাল বা এয়ারক্রাফট সিস্টেম (বিমানের প্রযুক্তিগত কাঠামো) এবং আরটিআর বা রেডিও টেলিফোনি (এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ)।
পাইলট প্রশিক্ষণে পাঁচটি মূল বিষয় পাশ করা বাধ্যতামূলক, যা এয়ারলাইন ক্যারিয়ারের ভিত্তি গড়ে দেয়। এগুলি হল এভিয়েশন রেগুলেশন (বিমান সংক্রান্ত নিয়ম ও নিরাপত্তা মানদণ্ড), মেটিওরোলজি (আবহাওয়া ও তার প্রভাব), নেভিগেশন (বিমানের দিক ও রুট নির্ধারণ), টেকনিক্যাল বা এয়ারক্রাফট সিস্টেম (বিমানের প্রযুক্তিগত কাঠামো) এবং আরটিআর বা রেডিও টেলিফোনি (এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ)। (Representative Image) 
advertisement
7/8
এই বিষয়গুলিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পরই লাইসেন্স প্রক্রিয়া শুরু হয়। পাইলট হতে হলে ধাপে ধাপে স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স (এসপিএল), প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স (পিপিএল) এবং কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স (সিপিএল) সম্পূর্ণ করতে হয়। ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ পাইলটদের মতে, নিয়মিত পড়াশোনা, ফ্লাইট সিমুলেটর অনুশীলন এবং সঠিক ফ্লাইং স্কুল নির্বাচন সফলতার চাবিকাঠি। ফ্লাইং প্রশিক্ষণ ব্যয়বহুল ও চ্যালেঞ্জিং হওয়ায় ধৈর্য এবং আর্থিক পরিকল্পনা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
এই বিষয়গুলিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পরই লাইসেন্স প্রক্রিয়া শুরু হয়। পাইলট হতে হলে ধাপে ধাপে স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স (এসপিএল), প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স (পিপিএল) এবং কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স (সিপিএল) সম্পূর্ণ করতে হয়। ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ পাইলটদের মতে, নিয়মিত পড়াশোনা, ফ্লাইট সিমুলেটর অনুশীলন এবং সঠিক ফ্লাইং স্কুল নির্বাচন সফলতার চাবিকাঠি। ফ্লাইং প্রশিক্ষণ ব্যয়বহুল ও চ্যালেঞ্জিং হওয়ায় ধৈর্য এবং আর্থিক পরিকল্পনা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
advertisement
8/8
ক্যারিয়ার গাইডেন্স: দ্বাদশ শ্রেণি পাশের পর থেকেই পাইলট হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করতে হয়। বিশেষ করে গণিত ও পদার্থবিদ্যায় ভাল দখল তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।
ক্যারিয়ার গাইডেন্স: দ্বাদশ শ্রেণি পাশের পর থেকেই পাইলট হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করতে হয়। বিশেষ করে গণিত ও পদার্থবিদ্যায় ভাল দখল তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। অর্থাৎ, স্বপ্ন পূরণ করতে চাইলে কিশোর বয়স থেকেই সচেতন হতে হবে। পড়াশোনাও করতে হবে সেই অনুযায়ী। এই প্রতিবেদন আপনাদের সাহায্য করতে পারে। (Representative Image) 
advertisement
advertisement
advertisement