১০০ এবং ২০০ টাকার নোটে থাকা রেখাগুলোর অর্থ কী? জেনে রাখলে নকল নোটের চক্করে পড়তে হবে না
- Reported by:BENGALI NEWS18
- Written by:Trending Desk
Last Updated:
১০০ এবং ২০০ টাকার নোটে থাকা রেখাগুলি শুধু নকশা নয়, বরং আসল নোট শনাক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য। এই চিহ্নগুলির অর্থ জানলে সহজেই নকল নোটের ফাঁদ এড়াতে পারবেন।
ডিজিটাল পেমেন্ট আরও সাধারণ হয়ে উঠলেও, নগদ টাকা দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে রয়ে গিয়েছে। আমরা ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০ এবং ৫০০ টাকার নোটগুলো নিয়ে খুব বেশি চিন্তা না করেই নিয়মিত ব্যবহার করি। অথচ অনেকেই জানেন না যে এই নোটগুলোতে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে বিশেষ চিহ্ন থাকে। বেশিরভাগ মানুষই এগুলোর উপর মুদ্রিত প্রতীক, রেখা এবং নকশাগুলো খুব কমই লক্ষ্য করেন। তবে, এই বিবরণগুলো কেবল সজ্জার জন্য নয়, বরং প্রত্যেকটিরই একটি নির্দিষ্ট কাজ রয়েছে।
advertisement
advertisement
ভারতীয় মুদ্রার প্রতিটি মূল্যমানের নিজস্ব স্বতন্ত্র স্পর্শযোগ্য নকশা রয়েছে। ১০০ টাকার নোটে প্রতিটি পাশে চারটি করে রেখা থাকে, অন্য দিকে, ২০০ টাকার নোটে চারটি রেখার সঙ্গে কেন্দ্রে দুটি ছোট গোলাকার চিহ্ন থাকে। ৫০০ টাকার নোটে আবার প্রতিটি পাশে পাঁচটি বাঁকা রেখা থাকে, যা প্রতিটি নোটকে অন্যগুলো থেকে সহজেই আলাদা করতে সাহায্য করে।
advertisement
advertisement
এই বিশেষ চিহ্নগুলো 'ব্লিড মার্ক' নামে পরিচিত। এগুলো মূলত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাহায্য করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে তাঁরা নোটটি না দেখেই কেবল স্পর্শের মাধ্যমে এর মূল্য শনাক্ত করতে পারেন। এটি তাঁদের স্বাধীনভাবে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে টাকা লেনদেন করতে সক্ষম করে। প্রতিটি মূল্যমানকে একটি অনন্য স্পর্শযোগ্য নকশা দেওয়ার মাধ্যমে বিভ্রান্তির ঝুঁকি হ্রাস করা হয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা এই চিহ্নগুলো অনুভব করে নোটের মূল্য চিনতে পারেন, যা ভারতের মুদ্রা ব্যবস্থাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সহজলভ্য করে তোলে।
advertisement
advertisement
মূলত, প্রতিটি নোট শুধু টাকার অঙ্কই বহন করে না; এটি একটি চিন্তাশীল ধারণাও বহন করে। এই ছোট ব্লিড মার্কগুলো দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা পালন করে। পরের বার যখন কেউ একটি নোট হাতে নেবে, তখন এই রেখাগুলো লক্ষ্য করার জন্য একটু সময় নিতে হবে এবং মনে রাখতে হবে কেন এগুলো সেখানে আছে।









