advertisement

SIP Investment Tips: মাত্র ৫০ বছর বয়সের মধ্যেই ২ কোটি টাকার মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন? এখন যদি ৩০ বছর বয়স হয়, তাহলে কত টাকার SIP করতে হবে?

Last Updated:
SIP Investment Tips: আজকাল বিনিয়োগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হল এসআইপি বা সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান। আসলে এর মাধ্যমে নিয়মিত ভাবে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা সম্ভব।
1/6
চাকরি কিংবা ব্যবসা করলেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে আর্থিক সুরক্ষা বজায় রাখা আবশ্যক। আর ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করলেও মুদ্রাস্ফীতির কথাটাও মাথায় রাখতে হবে। যাতে অবসর জীবন নির্বিঘ্নে আর নির্ঝঞ্ঝাটে কেটে যেতে পারে। সেই কারণে চাকরি জীবনের গোড়ার দিক থেকেই বিনিয়োগ করা আবশ্যক। আর বিনিয়োগ করার জন্য অনেকেই নিরাপদ মাধ্যম বেছে নেন ঠিকই, কিন্তু তাতে রিটার্ন খুব একটা মেলে না।
চাকরি কিংবা ব্যবসা করলেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে আর্থিক সুরক্ষা বজায় রাখা আবশ্যক। আর ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করলেও মুদ্রাস্ফীতির কথাটাও মাথায় রাখতে হবে। যাতে অবসর জীবন নির্বিঘ্নে আর নির্ঝঞ্ঝাটে কেটে যেতে পারে। সেই কারণে চাকরি জীবনের গোড়ার দিক থেকেই বিনিয়োগ করা আবশ্যক। আর বিনিয়োগ করার জন্য অনেকেই নিরাপদ মাধ্যম বেছে নেন ঠিকই, কিন্তু তাতে রিটার্ন খুব একটা মেলে না।
advertisement
2/6
এমনিতে বিনিয়োগ এক্সপার্ট বা বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন যে, নিয়মিত বিনিয়োগ করলে দীর্ঘমেয়াদে মোটা টাকা রিটার্ন হিসেবে পাওয়া যায়। বর্তমানে বাজারে অনেক রকমের বিনিয়োগ বিকল্প রয়েছে। তবে হ্যাঁ, এসবে ঝুঁকিও রয়েছে। তবে সরকারি স্কিম, বন্ড, ফিক্সড ডিপোজিট স্কিমের মতো বিনিয়োগে অবশ্য গ্যারান্টি-সহ রিটার্ন পাওয়া যায়। এই সব ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে না। তবে তা মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে না।
এমনিতে বিনিয়োগ এক্সপার্ট বা বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন যে, নিয়মিত বিনিয়োগ করলে দীর্ঘমেয়াদে মোটা টাকা রিটার্ন হিসেবে পাওয়া যায়। বর্তমানে বাজারে অনেক রকমের বিনিয়োগ বিকল্প রয়েছে। তবে হ্যাঁ, এসবে ঝুঁকিও রয়েছে। তবে সরকারি স্কিম, বন্ড, ফিক্সড ডিপোজিট স্কিমের মতো বিনিয়োগে অবশ্য গ্যারান্টি-সহ রিটার্ন পাওয়া যায়। এই সব ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে না। তবে তা মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে না।
advertisement
3/6
সেই কারণে আজকাল বিনিয়োগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হল এসআইপি বা সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান। আসলে এর মাধ্যমে নিয়মিত ভাবে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে ঝুঁকি একটু বেশি। কারণ এটি শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত। তাই রিটার্নও নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না। তবুও এসআইপি-র মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ উত্তরোত্তর বাড়ছে।
সেই কারণে আজকাল বিনিয়োগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হল এসআইপি বা সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান। আসলে এর মাধ্যমে নিয়মিত ভাবে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে ঝুঁকি একটু বেশি। কারণ এটি শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত। তাই রিটার্নও নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না। তবুও এসআইপি-র মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ উত্তরোত্তর বাড়ছে।
advertisement
4/6
এবার ধরা যাক, বর্তমানে একজন ব্যক্তির বয়স ৩০ বছর। তিনি ৫০ বছর বয়সে ২ কোটি টাকার ফান্ড গড়ে তুলতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে বিনিয়োগের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার জন্য তাঁকে এসআইপি-র মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডে নিয়মিত কত টাকা বিনিয়োগ করে যেতে হবে, সেটাই আজকের প্রতিবেদন থেকে জেনে নেওয়া যাক। যদিও মিউচুয়াল ফান্ডে রিটার্নের কোনও সীমা নেই। তবে এক্ষেত্রে রিটার্ন ১২ শতাংশ হিসেবে ধরে নিয়েই এগোনো যাক।
এবার ধরা যাক, বর্তমানে একজন ব্যক্তির বয়স ৩০ বছর। তিনি ৫০ বছর বয়সে ২ কোটি টাকার ফান্ড গড়ে তুলতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে বিনিয়োগের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার জন্য তাঁকে এসআইপি-র মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডে নিয়মিত কত টাকা বিনিয়োগ করে যেতে হবে, সেটাই আজকের প্রতিবেদন থেকে জেনে নেওয়া যাক। যদিও মিউচুয়াল ফান্ডে রিটার্নের কোনও সীমা নেই। তবে এক্ষেত্রে রিটার্ন ১২ শতাংশ হিসেবে ধরে নিয়েই এগোনো যাক।
advertisement
5/6
অ্যাঞ্জেল-ওয়ান এসআইপি ক্যালকুলেটর অনুযায়ী, ৩০ বছর বয়সী কেউ যদি ১২ শতাংশ রিটার্নের হিসেবে পরবর্তী ২০ বছরের জন্য এসআইপি করতে চান, তাহলে তাঁকে প্রতি মাসে অন্ততপক্ষে ২০১০০ টাকা করে বিনিয়োগ করে যেতে হবে। তাহলে ২০ বছর পর অর্থাৎ নিজের বয়স ৫০ বছর হওয়ার সময় তাঁর মোট ফান্ড হবে ২ কোটি ৮২ হাজার ৮৭৩ টাকা।
অ্যাঞ্জেল-ওয়ান এসআইপি ক্যালকুলেটর অনুযায়ী, ৩০ বছর বয়সী কেউ যদি ১২ শতাংশ রিটার্নের হিসেবে পরবর্তী ২০ বছরের জন্য এসআইপি করতে চান, তাহলে তাঁকে প্রতি মাসে অন্ততপক্ষে ২০১০০ টাকা করে বিনিয়োগ করে যেতে হবে। তাহলে ২০ বছর পর অর্থাৎ নিজের বয়স ৫০ বছর হওয়ার সময় তাঁর মোট ফান্ড হবে ২ কোটি ৮২ হাজার ৮৭৩ টাকা।
advertisement
6/6
কিন্তু কীভাবে? হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২০ বছরে ওই ব্যক্তির মোট বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৪৮ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা। আর এই পরিমাণ অর্থ থেকে রিটার্ন হিসেবে তিনি পেয়ে যাবেন ১ কোটি ৫২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৮৭৩ টাকা।
কিন্তু কীভাবে? হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২০ বছরে ওই ব্যক্তির মোট বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৪৮ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা। আর এই পরিমাণ অর্থ থেকে রিটার্ন হিসেবে তিনি পেয়ে যাবেন ১ কোটি ৫২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৮৭৩ টাকা।
advertisement
advertisement
advertisement