advertisement

Agriculture News: জমিতে ফলনের জোয়ার! বাজারে বাড়তি দামের আশায় চাষিরা

Last Updated:
Agriculture News: অনুকূল আবহাওয়া ও আধুনিক চাষপদ্ধতির জেরে এবার জমিতে ফলনের জোয়ার। উৎপাদন বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এখন বাজারে বাড়তি দামের আশায় প্রহর গুনছেন চাষিরা।
1/5
পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কাঁলেখাতলা ১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ধিতপুর এলাকায় আলু চাষিরা পড়েছেন চরম দুশ্চিন্তায়। বাজারে আলুর দাম তলানিতে ঠেকায় মাথায় হাত চাষিদের। তাঁদের একাংশ এই পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্র সরকারকেই দায়ী করছেন। চাষিদের বক্তব্য, উৎপাদন ভাল হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় বড় সংকটে পড়তে হচ্ছে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কাঁলেখাতলা ১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ধিতপুর এলাকায় আলু চাষিরা পড়েছেন চরম দুশ্চিন্তায়। বাজারে আলুর দাম তলানিতে ঠেকায় মাথায় হাত চাষিদের। তাঁদের একাংশ এই পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্র সরকারকেই দায়ী করছেন। চাষিদের বক্তব্য, উৎপাদন ভাল হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় বড় সংকটে পড়তে হচ্ছে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
2/5
চাষিদের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ হাজার টাকা। বীজ, সেচ, শ্রমিক খরচের পাশাপাশি সারের মূল্যবৃদ্ধিও বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। কিন্তু বাজারে এখন এক বস্তা আলুর দাম মিলছে মাত্র ২২০ থেকে ২৫০ টাকা। এই দামে চাষের খরচও উঠবে না বলে দাবি তাঁদের।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
চাষিদের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ হাজার টাকা। বীজ, সেচ, শ্রমিক খরচের পাশাপাশি সারের মূল্যবৃদ্ধিও বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। কিন্তু বাজারে এখন এক বস্তা আলুর দাম মিলছে মাত্র ২২০ থেকে ২৫০ টাকা। এই দামে চাষের খরচও উঠবে না বলে দাবি তাঁদের।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
3/5
অনেক চাষিকেই ঋণ নিয়ে চাষ করতে হয়েছে। ফলে লোকসানের আশঙ্কায় বাড়ছে উদ্বেগ। তাঁদের দাবি, ফলন স্বাভাবিক হলেও বিঘা পিছু পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন না হলে চাষিদের আর্থিক সংকট আরও গভীর হবে বলে আশঙ্কা।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
অনেক চাষিকেই ঋণ নিয়ে চাষ করতে হয়েছে। ফলে লোকসানের আশঙ্কায় বাড়ছে উদ্বেগ। তাঁদের দাবি, ফলন স্বাভাবিক হলেও বিঘা পিছু পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন না হলে চাষিদের আর্থিক সংকট আরও গভীর হবে বলে আশঙ্কা।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
4/5
জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট প্রায় ৬৯ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। শক্তিগড় থেকে মশাগ্রাম পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘জলদি’ আলুর চাষ বেশি হয়। এছাড়াও গলসি, আউশগ্রাম, পূর্বস্থলী, মেমারি এবং জামালপুরের বেরুগ্রাম এলাকাতেও আলু চাষ ব্যাপকভাবে হয়।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট প্রায় ৬৯ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। শক্তিগড় থেকে মশাগ্রাম পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘জলদি’ আলুর চাষ বেশি হয়। এছাড়াও গলসি, আউশগ্রাম, পূর্বস্থলী, মেমারি এবং জামালপুরের বেরুগ্রাম এলাকাতেও আলু চাষ ব্যাপকভাবে হয়।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
5/5
চাষিদের আশঙ্কা, জ্যোতি আলু বাজারে পুরোপুরি উঠতে শুরু করার পরেও যদি দাম না বাড়ে, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। তবে সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই রাজ্য সরকারের উদ্যোগে সহায়ক মূল্যে আলু কেনা শুরু হতে পারে। যদিও এখনও নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হয়নি, তবুও সেই ঘোষণার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন চাষিরা।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
চাষিদের আশঙ্কা, জ্যোতি আলু বাজারে পুরোপুরি উঠতে শুরু করার পরেও যদি দাম না বাড়ে, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। তবে সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই রাজ্য সরকারের উদ্যোগে সহায়ক মূল্যে আলু কেনা শুরু হতে পারে। যদিও এখনও নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হয়নি, তবুও সেই ঘোষণার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন চাষিরা।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
advertisement
advertisement