Investment Formula: আপনার স্যালারি কি ১ লাখ টাকা ? তাহলে প্রতি মাসে কত টাকা বিনিয়োগ করা উচিত ?
- Published by:Dolon Chattopadhyay
- news18 bangla
Last Updated:
Investment Formula: আপনার মাসিক স্যালারি ১ লক্ষ টাকা? তাহলে অন্তত ২০ শতাংশ বিনিয়োগ করা উচিত। ৫০-৩০-২০ নিয়ম মেনে কীভাবে খরচ, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ করবেন—জেনে নিন সহজ গাইড।
advertisement
কীভাবে বিনিয়োগ করবেন?এরপর বেতনের ৩০ শতাংশ অর্থাৎ ৩০ হাজার টাকা ব্যক্তিগত খরচ ও বিনোদনের জন্য রাখুন। এর মধ্যে বাইরে ঘুরতে যাওয়া, শপিং, বন্ধুদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, সিনেমা দেখা, নতুন পোশাক কেনা বা কোনও শখ পূরণে খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে।এই অংশটি আপনাকে আনন্দ দেয় এবং জীবন উপভোগ করতে সাহায্য করে। তবে এটিকেও নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি, যাতে এই খরচ বেড়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় খরচের উপর চাপ না ফেলে।
advertisement
এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল বেতনের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগের জন্য বরাদ্দ করা। এটিই ন্যূনতম পরিমাণ, যা নিয়মিত বিনিয়োগ করা উচিত। আপনি যদি এর চেয়ে বেশি সঞ্চয় করতে পারেন, তাহলে আরও ভাল। তবে অন্তত ২০ হাজার টাকা অবশ্যই বিনিয়োগ করুন।এই টাকা এক জায়গায় না রেখে বিভিন্ন মাধ্যমে ভাগ করে বিনিয়োগ করা বুদ্ধিমানের কাজ, যাতে ঝুঁকি কমে এবং ভাল রিটার্ন পাওয়া যায়। যেমন—মিউচুয়াল ফান্ডে SIP শুরু করতে পারেন।পিপিএফ (PPF)-এ নিয়মিত টাকা জমা রাখতে পারেন।
advertisement
ইপিএফ (EPF)-এ কোম্পানির অবদান থাকলে সেটিও আপনার দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ে সহায়ক হবে।পরিবারের সুরক্ষার জন্য হেলথ ইনস্যুরেন্স ও টার্ম ইনস্যুরেন্স অবশ্যই নিন।পাশাপাশি ৬ থেকে ১২ মাসের খরচের সমপরিমাণ একটি ইমারজেন্সি ফান্ড আলাদা করে রাখুন।এইভাবে পরিকল্পিত ও বৈচিত্র্যময় বিনিয়োগ ভবিষ্যতে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
advertisement
advertisement
বেতন যতই হোক না কেন, বিনিয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি। এতে অবসরকাল, সন্তানের পড়াশোনা, বিয়ে বা কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে আর্থিক সমস্যায় পড়তে হয় না। আপনি যদি দিল্লির মতো উচ্চ ব্যয়ের শহরে থাকেন, তাহলেও এই ফর্মুলাটি সামান্য পরিবর্তন করে অনুসরণ করা যেতে পারে। তবে ২০ শতাংশ বিনিয়োগের অংশটি কখনও কমানো উচিত নয়।
advertisement
অনেকেই ভাবেন, ১ লক্ষ টাকার বেতনে বিনিয়োগ কীভাবে সম্ভব? কিন্তু এই ফর্মুলা দেখায় যে ছোট ছোট পদক্ষেপ নিয়েই বড় লক্ষ্য অর্জন করা যায়। শুরুতে এটি কঠিন মনে হতে পারে, কিন্তু অভ্যাস হয়ে গেলে সহজ হয়ে যাবে। আপনি যদি ২৫–৩০ বছর বয়সে এটি শুরু করেন, তাহলে অবসর নেওয়ার সময় কোটিপতি হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।








