Bank Account Frozen: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে গেলে কী করবেন? সঙ্গে সঙ্গে অ্যাক্সেস পাওয়ার উপায় জানুন
- Reported by:BENGALI NEWS18
- Written by:Trending Desk
Last Updated:
Bank Account Frozen? ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট হঠাৎ ফ্রিজ হয়ে গেলে কীভাবে তা আনফ্রিজ করবেন? KYC সমস্যা, সন্দেহজনক লেনদেন বা আদালতের নির্দেশ—কারণ যাই হোক, দ্রুত সমাধানের সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন এখানে।
আজকালকার দিনে বাড়িতে টাকা কেউই রাখেন না, সবারই এই ক্ষেত্রে ভরসার জায়গা নিজের পছন্দের ব্যাঙ্ক। সেভিং অ্যাকাউন্ট থেকেই সাধারণত টাকা জমা এবং তোলার কাজ সকলে করে থাকেন। এবার যদি এত দরকারের সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট হঠাৎ করে ফ্রিজ করা হয়, তাহলে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রথমত, এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন KYC-এর অভাব, সন্দেহজনক লেনদেন, অথবা আইনি আদেশ। প্রতিটি কারণের আলাদা সমাধান রয়েছে, তাই কেবল অনুমান করার চেয়ে আসল কারণটি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
প্রথমে কী করা উচিত?প্রথমে ব্যাঙ্কের মোবাইল অ্যাপ বা নেট ব্যাঙ্কিং পরীক্ষা করতে হবে। কারণটি প্রায়শই ডেবিট ব্লকড বা রেস্ট্রিক্টেড ডু কমপ্লায়েন্স-এর মতো ছোট লাইনে লেখা থাকে। যদি অ্যাপটিতে স্পষ্ট তথ্য না থাকে, তাহলে গ্রাহক পরিষেবায় কল করতে হবে অথবা কোনও শাখায় গিয়ে সরাসরি জানতে চাইতে হবে কেন অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ করা হয়েছে, এবং এটি আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে ব্লক করা হয়েছে কি না। সিস্টেমের সমস্যার মতো উত্তর নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না। সঠিক কারণ জানা গ্রাহকের অধিকার।
advertisement
KYC-এর কারণে কি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে?আপডেট না করা KYC-এর কারণে ভারতে বিপুল সংখ্যক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার এটিই সবচেয়ে সাধারণ কারণ। যদি KYC-এর সমস্যা থাকে, তাহলে স্পষ্টভাবে ব্যাঙ্ককে জিজ্ঞাসা করতে হবে কোন কোন নথিপত্র প্রয়োজন। শুধুমাত্র যেগুলো চাওয়া হল, সেই নথিপত্রই জমা দেওয়া যথেষ্ট। অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও প্রক্রিয়াটি দ্রুত হবে না। নথিপত্র জমা দেওয়ার পরে ফ্রিজমুক্ত করার সময়সীমার জন্য অনুরোধ করতে হবে। এতে সাধারণত ২ থেকে ৫ কার্যদিবস সময় লাগে।
advertisement
সন্দেহজনক লেনদেনের কারণে কি ব্লক করা হয়েছে?যদি হঠাৎ করে অ্যাকাউন্টে প্রচুর পরিমাণে টাকা জমা পড়ে, ঘন ঘন উচ্চমূল্যের স্থানান্তর ঘটে, অথবা স্বাভাবিক প্যাটার্নের চেয়ে ভিন্ন লেনদেন হয়, তাহলে ব্যাঙ্ক একটি সতর্কতা জারি করতে পারে। ফ্রিল্যান্সার, ছোট ব্যবসা এবং যাঁরা এককালীন অর্থ গ্রহণ করেন তাঁরা প্রায়শই এই পরিস্থিতিতে পড়েন। এই ধরনের ক্ষেত্রে টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং কেন এসেছে সে সম্পর্কে একটি স্পষ্ট উত্তর দেওয়া উচিত। যদি প্রাসঙ্গিক নথি থাকে, তাহলে অবিলম্বে সেগুলি শেয়ার করতে হবে। দেরি বা অসম্পূর্ণ উত্তরের ফলে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়েই থাকতে পারে।
advertisement
কর নোটিস বা আদালতের আদেশের কারণে ফ্রিজযদি বিষয়টি আয়কর নোটিস বা আদালতের আদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে ব্যাঙ্ক নিজে থেকে অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ করতে পারবে না। অতএব, জিজ্ঞাসা করতে হবে যে পুরো পরিমাণ ব্লক করা হয়েছে না কি কেবল বিতর্কিত পরিমাণ। অনেক ক্ষেত্রে কেবলমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্লক করা হয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে এর পর সমস্যাটির সমাধান করতে হবে। রিলিজ অর্ডার বা কনফারমেশন পাওয়ার পরে এটি ব্যাঙ্কে জমা দিতে হবে। ব্যাঙ্কগুলি সাধারণত সঠিক নথিপত্র পাওয়ার পরে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।
advertisement
এই সময়ে আর্থিক ব্যবস্থাপনা কীভাবে করা উচিত?যদি প্রাথমিক অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়, তাহলে দৈনন্দিন খরচ ব্যাহত হতে পারে। যদি দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে সেটি ব্যবহার করতে হবে এক্ষেত্রে। যদি ফ্রিজ হয়ে যাওয়া অ্যাকাউন্টে বেতন জমা হয়, তাহলে অস্থায়ীভাবে এটি দ্বিতীয় অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করার কথা বিবেচনা করা উচিত। KYC-সম্পর্কিত ক্ষেত্রে প্রায়শই দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট খোলা বা ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়।
advertisement
কখন অভিযোগ করা দরকার?যদি ব্যাঙ্ক একটি সময়সীমা দিয়ে থাকে এবং তা পূরণ না হয়, তাহলে প্রথমে ব্যাঙ্কের অভিযোগ ই-মেল বা নোডাল অফিসারের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে হবে। বার বার শাখায় যাওয়ার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা ভাল। যদি কোনও সমাধান না পাওয়া যায়, তাহলে ব্যাঙ্কিং ন্যায়পালের কাছে যাওয়া যেতে পারেন। তবে, বেশিরভাগ মামলা সেই পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই সমাধান হয়ে যায়।
advertisement





