advertisement

Nil Shasthi Pujo 2026: ১২ নাকি ১৩ এপ্রিল এ বছরের নীলষষ্ঠী? এই দিনে কেন শিবের পুজো হয়? ষষ্ঠীর শুভ সময়, পালনের নিয়ম ও মাহাত্ম্য জানুন

Last Updated:
Nil Shasthi Pujo 2026: ২০২৬ সালের নীলষষ্ঠীর সঠিক তারিখ, পুজোর সময় ও নীল বাতি দেওয়ার শুভ মুহূর্ত জানুন। ভগবান শিবের আরাধনায় পালিত এই পবিত্র ব্রতে সন্তানদের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনায় কীভাবে উপবাস, পুজোর নিয়ম ও ব্রতকথা পালন করবেন তা সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
1/8
*সন্তানের মঙ্গল কামনায় নীল ষষ্ঠীর ব্রত রাখেন বাংলার মায়েরা। চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সারাদিন নির্জলা উপবাস রাখেন তাঁরা। সন্ধেয় শিবলিঙ্গে জল ঢেলে মহাদেবের পুজোর প্রসাদ মুখে দিয়ে তবে উপবাস ভঙ্গ করেন। চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন পঞ্জিকা অনুসারে ষষ্ঠী তিথি নয়, তা হলেও এই দিনটিতে নীল ষষ্ঠীর ব্রত পালন করা হয়। সংগৃহীত ছবি। 
*সন্তানের মঙ্গল কামনায় নীল ষষ্ঠীর ব্রত রাখেন বাংলার মায়েরা। চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সারাদিন নির্জলা উপবাস রাখেন তাঁরা। সন্ধেয় শিবলিঙ্গে জল ঢেলে মহাদেবের পুজোর প্রসাদ মুখে দিয়ে তবে উপবাস ভঙ্গ করেন। চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন পঞ্জিকা অনুসারে ষষ্ঠী তিথি নয়, তা হলেও এই দিনটিতে নীল ষষ্ঠীর ব্রত পালন করা হয়। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
2/8
*বাংলার বারো মাসের তেরো পার্বনের অন্যতম নীল ষষ্ঠী। সন্তানের মঙ্গল, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বাংলার বহু 'মা' এই ব্রত পালন করেন। আর প্রচন্ড গরমের মধ্যেও সারাদিন উপবাস থেকে সন্ধ্যায় শিবের আরাধনার প্রথা রয়েছে এই দিন। সংগৃহীত ছবি। 
*বাংলার বারো মাসের তেরো পার্বনের অন্যতম নীল ষষ্ঠী। সন্তানের মঙ্গল, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বাংলার বহু 'মা' এই ব্রত পালন করেন। আর প্রচন্ড গরমের মধ্যেও সারাদিন উপবাস থেকে সন্ধ্যায় শিবের আরাধনার প্রথা রয়েছে এই দিন। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
3/8
*তবে চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে নীলষষ্ঠী কত তারিখে পড়ছে, কীভাবে পালন করবেন? কী কী মাহাত্ম্য রয়েছে? বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালে নীলষষ্ঠী পরেছে ৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। ইংরাজির ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ সোমবার। নীলষষ্ঠীর দিন সন্তানদের মঙ্গলের জন্য 'নীল বাতি' জ্বালানোর সবচেয়ে বিশেষ সময় হল বিকেল ৫ঃ০২ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭ঃ১৫ মিনিটের মধ্যে। সংগৃহীত ছবি। 
*তবে চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে নীলষষ্ঠী কত তারিখে পড়ছে, কীভাবে পালন করবেন? কী কী মাহাত্ম্য রয়েছে? বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালে নীলষষ্ঠী পরেছে ৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। ইংরাজির ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ সোমবার। নীলষষ্ঠীর দিন সন্তানদের মঙ্গলের জন্য 'নীল বাতি' জ্বালানোর সবচেয়ে বিশেষ সময় হল বিকেল ৫ঃ০২ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭ঃ১৫ মিনিটের মধ্যে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
4/8
*গ্রাম বাংলায় ষষ্ঠী তিথিতে উর্বরা শক্তির দেবী ষষ্ঠীর আরাধনা করার রীতি প্রচলিত আছে। অশোক ষষ্ঠী ও শীতল ষষ্ঠী হল এমনই কয়েকটি ষষ্ঠী পার্বণ। কিন্তু নীল ষষ্ঠীতে ষষ্ঠী দেবী নন, সন্তানের মঙ্গল কামনা করে মহাদেবের আরাধনা করা হয়। নীল ষষ্ঠীর পরের দিন পালিত হয় চৈত্র সংক্রান্তি। আর তার পরের দিন পয়লা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষের শুরু। সংগৃহীত ছবি। 
*গ্রাম বাংলায় ষষ্ঠী তিথিতে উর্বরা শক্তির দেবী ষষ্ঠীর আরাধনা করার রীতি প্রচলিত আছে। অশোক ষষ্ঠী ও শীতল ষষ্ঠী হল এমনই কয়েকটি ষষ্ঠী পার্বণ। কিন্তু নীল ষষ্ঠীতে ষষ্ঠী দেবী নন, সন্তানের মঙ্গল কামনা করে মহাদেবের আরাধনা করা হয়। নীল ষষ্ঠীর পরের দিন পালিত হয় চৈত্র সংক্রান্তি। আর তার পরের দিন পয়লা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষের শুরু। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
5/8
*বিভিন্ন আচার, রীতি পালন করে এই নীল ষষ্ঠীর পুজো করা হয়। নীল ষষ্ঠী পুজো ২০২৬ সালে ১৩ এপ্রিল তারিখে। চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় নীল ষষ্ঠী। তারপর দিনই বাংলা বৈশাখকে স্বাগত জানায়। পালিত হয় পয়লা বৈশাখ। সংগৃহীত ছবি। 
*বিভিন্ন আচার, রীতি পালন করে এই নীল ষষ্ঠীর পুজো করা হয়। নীল ষষ্ঠী পুজো ২০২৬ সালে ১৩ এপ্রিল তারিখে। চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় নীল ষষ্ঠী। তারপর দিনই বাংলা বৈশাখকে স্বাগত জানায়। পালিত হয় পয়লা বৈশাখ। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
6/8
*পালনের নিয়ম ও উপচার: নীলষষ্ঠীর দিন মায়েরা সারাদিন নির্জলা উপবাস করেন। সন্ধ্যার সময় শিবলিঙ্গে জল ও দুধ অর্পণ করে তবেই উপবাস ভঙ্গ করার রীতি রয়েছে। শিবের প্রিয় উপচার হিসেবে পুজোর থালায় থাকে—কাঁচা দুধ, দই, ঘি, মধু, চিনি (পঞ্চামৃত), গঙ্গাজল, বেলপাতা, চন্দন, আতপ চাল, নীল অপরাজিতা ফুল, ধুতরা ফুল এবং আকন্দ ফুলের মালা। সংগৃহীত ছবি।  
*পালনের নিয়ম ও উপচার: নীলষষ্ঠীর দিন মায়েরা সারাদিন নির্জলা উপবাস করেন। সন্ধ্যার সময় শিবলিঙ্গে জল ও দুধ অর্পণ করে তবেই উপবাস ভঙ্গ করার রীতি রয়েছে। শিবের প্রিয় উপচার হিসেবে পুজোর থালায় থাকে—কাঁচা দুধ, দই, ঘি, মধু, চিনি (পঞ্চামৃত), গঙ্গাজল, বেলপাতা, চন্দন, আতপ চাল, নীল অপরাজিতা ফুল, ধুতরা ফুল এবং আকন্দ ফুলের মালা। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
7/8
*সন্তানের নামে শিবলিঙ্গের সামনে ঘিয়ের প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালানো হয়, যাকে 'নীল বাতি দেওয়া' বলা হয়। পুজোর পর প্রসাদ খেয়ে ব্রতভঙ্গ করার সময় অন্ন বা ভাত খাওয়া নিষিদ্ধ। পরিবর্তে ফল, সাবুদানা, মিষ্টি অথবা ময়দার তৈরি নিরামিষ খাবার (যেমন লুচি) গ্রহণের বিধান রয়েছে। সংগৃহীত ছবি। 
*সন্তানের নামে শিবলিঙ্গের সামনে ঘিয়ের প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালানো হয়, যাকে 'নীল বাতি দেওয়া' বলা হয়। পুজোর পর প্রসাদ খেয়ে ব্রতভঙ্গ করার সময় অন্ন বা ভাত খাওয়া নিষিদ্ধ। পরিবর্তে ফল, সাবুদানা, মিষ্টি অথবা ময়দার তৈরি নিরামিষ খাবার (যেমন লুচি) গ্রহণের বিধান রয়েছে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
8/8
*গ্রাম বাংলার প্রচলিত কাহিনি অনুসারে চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিনেই বিয়ে হয়েছিল মহাদেব ও নীলাবতীর। সেই কারণে নীল ষষ্ঠী, চৈত্র সংক্রান্তি ও গাজন শিব-দুর্গার বিয়ের উত্‍সব হিসেবে পালিত হয় রাজ্যের অনেক জায়গায়। গাজনের সময় গ্রাম বাংলায় শিব ও পার্বতী সেজে ঘরে ঘরে ঘুরে ভিক্ষা সংগ্রহ করার ছবি সামনে আসে। সংগৃহীত ছবি।
*গ্রাম বাংলার প্রচলিত কাহিনি অনুসারে চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিনেই বিয়ে হয়েছিল মহাদেব ও নীলাবতীর। সেই কারণে নীল ষষ্ঠী, চৈত্র সংক্রান্তি ও গাজন শিব-দুর্গার বিয়ের উত্‍সব হিসেবে পালিত হয় রাজ্যের অনেক জায়গায়। গাজনের সময় গ্রাম বাংলায় শিব ও পার্বতী সেজে ঘরে ঘরে ঘুরে ভিক্ষা সংগ্রহ করার ছবি সামনে আসে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
advertisement
advertisement