advertisement

Holi 2026: হোলিতে ভুল রঙে খেললেই সর্বনাশ! আপনার রাশির জন্য কোন রঙ শুভ, আর কারা লাল ছুঁলেই বিপদ? এখনই জানুন!

Last Updated:
শতাব্দীর পর হোলির দিন চন্দ্রগ্রহণ ও ভদ্রকাল একসঙ্গে পড়ায় উৎসব উদ্‌যাপন নিয়ে ভক্তদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। পণ্ডিতদের মতে, শাস্ত্রসম্মত সময়ে হোলিকা দহন করে এবং রাশি অনুযায়ী রঙ ব্যবহার করলে শুভ ফল লাভ করা যায়।
1/7
ভারতীয় সংস্কৃতিতে হোলি উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তবে ২০২৬ সালে আসন্ন হোলি উৎসবকে জ্যোতিষশাস্ত্রের দৃষ্টিতে অত্যন্ত বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন পণ্ডিতেরা। প্রায় ১০০ বছর পর হোলির দিনেই চন্দ্রগ্রহণ এবং ভদ্রকাল (অশুভ সময়) একসঙ্গে পড়ছে—এটাই এর প্রধান কারণ।এই বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ও জ্যোতিষীয় ঘটনাপ্রবাহের প্রেক্ষাপটে হোলি উদ্‌যাপন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে হরিদ্বারের বিশিষ্ট পণ্ডিত শ্রীধর শাস্ত্রি বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রদান করেছেন।
ভারতীয় সংস্কৃতিতে হোলি উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তবে ২০২৬ সালে আসন্ন হোলি উৎসবকে জ্যোতিষশাস্ত্রের দৃষ্টিতে অত্যন্ত বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন পণ্ডিতেরা। প্রায় ১০০ বছর পর হোলির দিনেই চন্দ্রগ্রহণ এবং ভদ্রকাল (অশুভ সময়) একসঙ্গে পড়ছে—এটাই এর প্রধান কারণ। এই বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ও জ্যোতিষীয় ঘটনাপ্রবাহের প্রেক্ষাপটে হোলি উদ্‌যাপন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে হরিদ্বারের বিশিষ্ট পণ্ডিত শ্রীধর শাস্ত্রি বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রদান করেছেন।
advertisement
2/7
জ্যোতিষ গণনা অনুযায়ী ফাল্গুন পূর্ণিমা তিথি ২ মার্চ সন্ধ্যা ৫টা ৫৬ মিনিটে শুরু হয়ে ৩ মার্চ সন্ধ্যা ৫টা ৭ মিনিট পর্যন্ত চলবে। এই সময়ে সময়নিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।২ মার্চ সন্ধ্যা থেকে সারা রাত ‘ভদ্র’ প্রভাব থাকবে। শাস্ত্র অনুযায়ী ভদ্র কালে কোনো শুভ কাজ বা হোলিকা দহন করা নিষিদ্ধ।
জ্যোতিষ গণনা অনুযায়ী ফাল্গুন পূর্ণিমা তিথি ২ মার্চ সন্ধ্যা ৫টা ৫৬ মিনিটে শুরু হয়ে ৩ মার্চ সন্ধ্যা ৫টা ৭ মিনিট পর্যন্ত চলবে। এই সময়ে সময়নিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২ মার্চ সন্ধ্যা থেকে সারা রাত ‘ভদ্র’ প্রভাব থাকবে। শাস্ত্র অনুযায়ী ভদ্র কালে কোনো শুভ কাজ বা হোলিকা দহন করা নিষিদ্ধ।
advertisement
3/7
 ৩ মার্চ দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে শেষ হবে। গ্রহণের আগে যে সূতককাল থাকে, তা ৩ মার্চ সকাল ৬টা ২০ মিনিট থেকেই শুরু হবে। এই হিসাব অনুযায়ী, হোলিকা দহনের জন্য সবচেয়ে শুভ সময় হবে ৩ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত।
৩ মার্চ দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে শেষ হবে। গ্রহণের আগে যে সূতককাল থাকে, তা ৩ মার্চ সকাল ৬টা ২০ মিনিট থেকেই শুরু হবে। এই হিসাব অনুযায়ী, হোলিকা দহনের জন্য সবচেয়ে শুভ সময় হবে ৩ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত।
advertisement
4/7
পূর্ণিমা তিথি সূর্যোদয়ের সময় বর্তমান থাকায় (উদয়া তিথি), এই সময় হোলিকা দহন করলে কোনো দোষ লাগে না—এ কথা পণ্ডিতেরা স্পষ্ট করেছেন।গ্রহণের প্রভাব ও ভদ্রকাল থাকলেও, কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চললে গৃহে সুখ-শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।
পূর্ণিমা তিথি সূর্যোদয়ের সময় বর্তমান থাকায় (উদয়া তিথি), এই সময় হোলিকা দহন করলে কোনো দোষ লাগে না—এ কথা পণ্ডিতেরা স্পষ্ট করেছেন। গ্রহণের প্রভাব ও ভদ্রকাল থাকলেও, কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চললে গৃহে সুখ-শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।
advertisement
5/7
হোলিকা দহনের সময় গমের শিষ আগুনে সেঁকে নিয়ে তা প্রসাদ হিসেবে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করতে হয়। এটি সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক বলে মনে করা হয়।হোলিকা দহনের পর অবশিষ্ট ছাই সংগ্রহ করে একটি পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। পরদিন রঙের হোলি খেলার আগে সেই ভস্ম দিয়ে কপালে তিলক পরলে নবগ্রহের দোষ নাশ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
হোলিকা দহনের সময় গমের শিষ আগুনে সেঁকে নিয়ে তা প্রসাদ হিসেবে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করতে হয়। এটি সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক বলে মনে করা হয়। হোলিকা দহনের পর অবশিষ্ট ছাই সংগ্রহ করে একটি পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। পরদিন রঙের হোলি খেলার আগে সেই ভস্ম দিয়ে কপালে তিলক পরলে নবগ্রহের দোষ নাশ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
advertisement
6/7
এ বছর হোলির দিনে নিজের রাশির অনুকূল রঙ দিয়ে উৎসব শুরু করলে গ্রহদোষ দূর হয়ে সৌভাগ্য বৃদ্ধি পাবে বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়। রাশি অনুযায়ী শুভ রঙগুলো হলো—মেষ, বৃশ্চিক — লাল রঙ

বৃষ, তুলা — সাদা বা হালকা শেডের রঙ

মিথুন, কন্যা — সবুজ রঙ

কর্কট — সাদা বা সিলভার রঙ

সিংহ — লাল বা কমলা রঙ

ধনু, মীন — হলুদ রঙ

মকর, কুম্ভ — গাঢ় রঙ (যেমন নীল বা কালো)

এই রঙগুলো ব্যবহার করে হোলির আনন্দ শুরু করলে ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায় বলেই মনে করা হয়।
এ বছর হোলির দিনে নিজের রাশির অনুকূল রঙ দিয়ে উৎসব শুরু করলে গ্রহদোষ দূর হয়ে সৌভাগ্য বৃদ্ধি পাবে বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়। রাশি অনুযায়ী শুভ রঙগুলো হলো— মেষ, বৃশ্চিক — লাল রঙ বৃষ, তুলা — সাদা বা হালকা শেডের রঙ মিথুন, কন্যা — সবুজ রঙ কর্কট — সাদা বা সিলভার রঙ সিংহ — লাল বা কমলা রঙ ধনু, মীন — হলুদ রঙ মকর, কুম্ভ — গাঢ় রঙ (যেমন নীল বা কালো) এই রঙগুলো ব্যবহার করে হোলির আনন্দ শুরু করলে ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায় বলেই মনে করা হয়।
advertisement
7/7
তাব্দী পর আসা এই গ্রহণ-যুক্ত হোলি ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে শাস্ত্রবিধি মেনে উদ্‌যাপন করলে অশুভ শক্তির উপর বিজয় লাভের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের আর্থিক ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যাও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে বিশ্বাস করা হয়।
তাব্দী পর আসা এই গ্রহণ-যুক্ত হোলি ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে শাস্ত্রবিধি মেনে উদ্‌যাপন করলে অশুভ শক্তির উপর বিজয় লাভের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের আর্থিক ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যাও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে বিশ্বাস করা হয়।
advertisement
advertisement
advertisement