Home /News /west-midnapore /
Paschim Medinipur: প্লাষ্টিক দ্রব্যের ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছে ডোমদের বংশ পরম্পরার বাঁশ শিল্প

Paschim Medinipur: প্লাষ্টিক দ্রব্যের ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছে ডোমদের বংশ পরম্পরার বাঁশ শিল্প

title=

চাহিদার অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে জঙ্গলমহল ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুরের একাধিক গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ডোম সম্প্রদায়ের একমাত্র জীবিকা নির্বাহের শিল্প। সংস্কার চালাতে এখন বাধ্য হয়ে এইসব অসহায় পরিবার গুলো কৃষিকাজে মজুরী করে দিন নির্বাহ করছেন।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

    #পশ্চিম মেদিনীপুর : জীবিকা সংকটে বাঁশের আসবাবপত্র তৈরির কারিগর ডোম সম্প্রদায়ের মানুষজন। নিত্যদিন প্লাস্টিকের তৈরি সরঞ্জামের একচেটিয়া বাজার দখলের ফলে চাহিদা কমছে ডোমেদের তৈরি বাঁশের আসবাবপত্রের। ফলে চাহিদার অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে জঙ্গলমহল ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুরের একাধিক গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ডোম সম্প্রদায়ের একমাত্র জীবিকা নির্বাহের শিল্প। সংস্কার চালাতে এখন বাধ্য হয়ে এইসব অসহায় পরিবার গুলো কৃষিকাজে মজুরী করে দিন নির্বাহ করছেন। গোপীবল্লভপুরের আলমপুর গ্রামের ডোম পাড়ার বাসিন্দাদের জীবন কাহিনী শুনতে গেলে অসহায় পরিবার গুলো তুলে ধরেন নিজের বর্তমান অসহায়তার কথা। বাঁশের কারিগর সুভাষ চন্দ্র ঘড়াই বলেন, প্লাস্টিকের তৈরি পারিবারিক সামগ্রী বাজারে ছেয়ে গেছে। আগে বাঁশের তৈরি ছোট বড় ঝুড়ি, কুলা এর প্রচুর ব্যবহার ছিল কিন্তু এখন আর নেই।

    তার সঙ্গে বেড়েছে কাঁচামাল হিসাবে বাঁশের দাম। সংস্কার চালানোর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও চড়া ফলে এসব দিয়ে সংসার চালানো একেবারে অসম্ভব হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি সুভাষ বাবু অভিযোগ করেন, কোন সরকারি সহায়তায়ও নেই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। অন্যদিকে লক্ষীন্দর ঘড়াই আক্ষেপের সুরে বলেন, আমরা অর্থ সম্বলহীন মানুষ, কোনরকম জীবিকা করে সংসার চালাই বাইরের বাজারে বাঁশের সামগ্রী হয়তো থাকতে পারে, কিন্তু বাইরে নিয়ে যাওয়ার সামর্থ আমাদের নেই।

    আরও পড়ুনঃ গ্রামীন হাটে হাতি! দেখেই দৌড়ে ছুটোছুটি

    আমাদের অসহায়তার বিষয়ে কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। সরকার বিভিন্ন শিল্পীদের নানা প্রকল্পের আওতায় এনে তাদের অর্থনীতি খারাপ দশা ফেরানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু আমাদের কথা কেউ ভাবেনা। যতদিন পারব এই শিল্প পরম্পরা বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করব, তারপর জানিনা এই শিল্প ভবিষ্যতে টিকে থাকবে কিনা।

    Partha Mukherjee
    Published by:Soumabrata Ghosh
    First published:

    Tags: Jhargram, Paschim medinipur

    পরবর্তী খবর