advertisement

West Medinipur News: নিজে পড়তে পারেননি অর্থাভাবে, আজ ৪০০ শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ছেন 'এই' মানুষটি! আয়ের বড় অংশ ঢালছেন শিক্ষায়

Last Updated:

West Medinipur News: দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর ধরে নিজের বাবার স্মৃতির উদ্দেশে প্রতিবছর পড়ুয়াদের হাতে বই তুলে দেন সুজিত চক্রবর্তী।

+
বই

বই দান সুজিত চক্রবর্তীর

বেলদা, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: প্রত্যন্ত গ্রাম, সীমিত আয় আর অনটন। এই বাস্তবতার মধ্যেই কেটেছে শৈশব। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে বেশিদূর পড়াশোনা করা সম্ভব হয়নি তাঁর। কিন্তু চোখের সামনে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যাওয়া পড়ুয়াদের দেখেই মনে জন্মেছিল এক দৃঢ় সংকল্প, অর্থ যেন আর কোনও শিশুর শিক্ষার পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। সেই সংকল্পকেই জীবনের ব্রত করে প্রায় দুই দশক ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলেছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় ব্লকের তেঁতুলিয়া এলাকার বাসিন্দা সুজিত চক্রবর্তী।
পেশায় তিনি একজন রেলওয়ে কন্ট্রাক্টর। তবে পরিচয়ের সীমা এখানেই শেষ নয়। দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর ধরে নিজের বাবার স্মৃতির উদ্দেশে প্রতিবছর সরস্বতী পুজোর মঞ্চ থেকেই বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের হাতে বই তুলে দেন তিনি। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নিজের উদ্যোগেই পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার একাধিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০০ জন পড়ুয়ার হাতে বই তুলে দিয়েছেন সুজিতবাবু। ছোটবেলায় আর্থিক অভাবের কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে না পারার যন্ত্রণা আজও তাঁকে তাড়া করে ফেরে।
advertisement
আরও পড়ুন: খুদেদের আঙুলের ছোঁয়ায় কথা বলছে তবলা, প্রতিভা দেখে চোখ কপালে দর্শকদের! পারফরম্যান্স দেখে লোম খাড়া হয়ে যাবে
সেই স্মৃতি থেকেই জন্ম নিয়েছে এই মানবিক উদ্যোগ। তিনি বলেন, “আমি যা করতে পারিনি, সেটা যেন অন্যরা করতে পারে, এই ইচ্ছেটুকুই আমার প্রেরণা।” তাই বই দানের পাশাপাশি প্রান্তিক গ্রামের ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তক, শিক্ষা সামগ্রী কিংবা প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তাও করে থাকেন তিনি। শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, সারা বছর ধরেই বিভিন্ন প্রয়োজনে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ান সুজিত চক্রবর্তী। নিজের উপার্জনের বড় একটি অংশ তিনি সমাজের কল্যাণেই ব্যয় করেন।
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে এই কাজকে তিনি কখনও ‘দান’ বলে মনে করেন না। তাঁর কথায়, “এটা আমার দায়িত্ব।” এই উদ্যোগে স্বাভাবিকভাবেই খুশি স্থানীয় মানুষজন ও অভিভাবকরা। অনেকেই মনে করছেন, এমন উদাহরণই সমাজে শিক্ষার প্রকৃত মূল্যবোধকে বাঁচিয়ে রাখে। আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে অজুহাত না বানিয়ে যিনি শিক্ষার স্বপ্নকে লালন করে চলেছেন, সুজিত চক্রবর্তীর এই প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে সমাজের কাছে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
West Medinipur News: নিজে পড়তে পারেননি অর্থাভাবে, আজ ৪০০ শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ছেন 'এই' মানুষটি! আয়ের বড় অংশ ঢালছেন শিক্ষায়
Next Article
advertisement
Sara Sengupta on Rahul Arunoday Banerjee: মনের খেয়াল রাখা জরুরি, থেরাপি লজ্জার নয়! যীশু-নীলাঞ্জনার মেয়ে সারা সেনগুপ্তকে শিখিয়েছিলেন রাহুলই
মনের খেয়াল রাখা জরুরি, থেরাপি লজ্জার নয়! যীশু-নীলাঞ্জনার মেয়ে সারা সেনগুপ্তকে শিখিয়েছিলেন রাহুলই
  • রাহুলও ছিলেন নীলাঞ্জনার বন্ধু এবং ভাইয়ের মতো, তাঁর মেয়েদের খুব কাছের মানুষ

  • মানসিক সমস্যা হলে তার খেয়াল রাখা উচিত, সারাকে শিখিয়েছিলেন রাহুল

  • শোকবার্তায় সারা উল্লেখ করলেন সেই কথা

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement