advertisement

East Medinipur: সমুদ্রের শঙ্খ থেকে শাঁখা, কীভাবে তৈরি হয় এই শাঁখা? জানুন

Last Updated:

East Medinipur: শাঁখাতেই বাঙালি নারীর পরিচয়—সমুদ্রের শঙ্খ থেকে হাতে পরার শাঁখা তৈরি হয় বেশ কয়েকটি পর্যায়ে। 

+
শাঁখা

শাঁখা বানাতে ব্যস্ত শিল্পী 

পটাশপুর, মদন মাইতি: কথায় আছে, হিন্দু নারীদের বিবাহিত জীবনের অন্যতম চিহ্ন তার হাতের শাঁখা আর মাথার সিঁদুর। এই শাঁখা শুধু অলঙ্কার নয়, বিশ্বাস ও সংস্কারের প্রতীক। সময় বদলেছে। বদলেছে শাঁখার নকশাও। এখন বাজারে নানা ডিজাইনের শাঁখা পাওয়া যায়। পাতলা, মোটা, খোদাই করা, পলা লাগান—রকমারি শাঁখায় ভরছে দোকান। কিন্তু জানেন কি? সামুদ্রিক শঙ্খ থেকে নানান ডিজাইনের এই শাঁখা তৈরি হয় কীভাবে? তার পিছনে রয়েছে দীর্ঘ প্রক্রিয়া এক প্রক্রিয়া, যা আজ আমরা জানব।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ২ ব্লকের খড়িকা পাটনা ও বাগমারির শাঁখারিপাড়া আজও সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তারা শাঁখা তৈরি করে চলেছেন। আধুনিকতার ছোঁয়া এলেও, হাতে কলমে কাজের গুরুত্ব আজও অটুট।
আরও পড়ুন-৩০০ বছর পর মহাশিবরাত্রিতে বিরল রাজযোগ…! সৌভাগ্যের দরজা খুলবে কোন রাশির, মিলবে কুবেরের ধন, বিপুল ধনবর্ষা কাদের কপালে
শাঁখা তৈরির মূল উপাদান সামুদ্রিক সাদা শঙ্খ। এই শঙ্খ সাধারণত তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার উপকূল থেকে আসে। বড় আকারের, মোটা ও মসৃণ শঙ্খ বেছে নেওয়া হয়। ফাটল আছে এমন শঙ্খ বাদ দেওয়া হয়। প্রথমে শঙ্খ ভালভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করা হয়। ভিতরের ময়লা ও দুর্গন্ধ দূর করতে চুন-জল বা বিশেষ রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।
advertisement
advertisement
আরও পড়ুন-ভয়ঙ্কর দুঃসময় আসছে…! মঙ্গলের গোচরে জীবন ছারখার ৩ রাশির, আগামী ২ মাস খুব সাবধান! পদে পদে চরম বিপদ
তারপর রোদে শুকাতে দেওয়া হয়। শুকিয়ে গেলে শুরু হয় কাটার কাজ। বড় করাত বা বৈদ্যুতিক কাটার দিয়ে শঙ্খ গোল করে কাটা হয়। এই সময় খুব সতর্ক থাকতে হয়। কারণ শঙ্খ ভঙ্গুর। সামান্য ভুলেই ফেটে যেতে পারে।
advertisement
কাটা শঙ্খ থেকে হাতের মাপ অনুযায়ী গোল অংশ আলাদা করা হয়। অনেকটা চুড়ির মত আকার দেওয়া হয়। এই কাজ দক্ষ শিল্পীর হাতেই সম্ভব। এরপর শুরু হয় ঘষামাজা। কাটা অংশের ধারাল দিক ফাইল বা মেশিন দিয়ে সমান করা হয়। বাইরের অংশও মসৃণ করা হয়। তারপর পালিশ করা হয় যত্ন সহকারে। পালিশের পর শাঁখায় উজ্জ্বল সাদা রং ফুটে ওঠে। অনেক শাঁখায় লাল রঙের পলা লাগান হয়। আবার কিছু শাঁখায় খোদাই করে ফুল, লতা বা নকশা তোলা হয়।
advertisement
সব কাজ শেষ হলে প্রতিটি শাঁখা পরীক্ষা করা হয়। কোথাও ফাটল বা ত্রুটি আছে কি না দেখা হয়। মান ঠিক থাকলে জোড়া বেঁধে বাজারে পাঠানো হয়। এক জোড়া শাঁখা তৈরিতে সময় ও পরিশ্রম দুটোই লাগে। তবু শিল্পীরা এই কাজ ছাড়েননি। বাজারের চাহিদা অনুযায়ী তারা নতুন নতুন ডিজাইন আনছেন। সামুদ্রিক শঙ্খ থেকে শাঁখা তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও শ্রমসাধ্য। প্রতিটি ধাপে দরকার হয় দক্ষ হাত ও অভিজ্ঞতা। কাটা, ঘষা, পালিশ ও নকশার মধ্য দিয়ে সাধারণ শঙ্খই হয়ে ওঠে নারীদের পবিত্র শাঁখা। এই নিখুঁত কারিগরিই শাঁখা শিল্পকে আজও বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Medinipur: সমুদ্রের শঙ্খ থেকে শাঁখা, কীভাবে তৈরি হয় এই শাঁখা? জানুন
Next Article
advertisement
West Bengal Weather Update: বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে দক্ষিণবঙ্গে, উত্তরে চলবে বৃষ্টি, তাপমাত্রাও বাড়বে
বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে দক্ষিণবঙ্গে, উত্তরে চলবে বৃষ্টি, তাপমাত্রাও বাড়বে
  • বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে দক্ষিণবঙ্গে

  • উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সতর্কতা

  • তাপমাত্রাও বাড়বে

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement