East Bardhaman News: পুকুর সংস্কারের সময় উদ্ধার একাদশ শতকের বিষ্ণুমূর্তি
- Reported by:Sayani Sarkar
- hyperlocal
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
পুকুর সংস্কারের সময়ে উদ্ধার একাদশ শতকের প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি। মূর্তিটি সংরক্ষণের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামে।
রায়না,সায়নী সরকার: পুকুর সংস্কারের সময় উদ্ধার প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি,আনুমানিক একাদশ শতকের এই মূর্তিটি। বর্তমানে মূর্তি নিয়ে আসা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়াম ও আর্ট গ্যালারিতে।
কালো ব্যাসাল্ট পাথরের উপর খোদাই করা বিষ্ণু মূর্তিটি আনুমানিক একাদশ শতকের। মূর্তিটির উচ্চতা ২৮ ইঞ্চি (টেনন অর্থাৎ বেদীতে পুঁতে রাখা অংশটি নিয়ে মোট ৩৩.৫ ইঞ্চি) এবং প্রস্থ ১৩ ইঞ্চি।মূর্তির দুপাশে রয়েছে বিষ্ণুর দুই স্ত্রী লক্ষ্মী ও সরস্বতী। এছাড়াও দুপাশে সিংহ কর্তৃক হস্তী-অবদমনের রিলিফ (Relief) বা মৃগরাজ-কুঞ্জর মোটিফ আছে। পাদপীঠের ডানদিকে আছে বাহন গরুড়। স্টেলার (Stele) উপরে আছে কীর্তিমুখ ও দুপাশে আছে উড়ন্ত বিদ্যাপদ বা বিদ্যাধর।
advertisement
বৃহস্পতিবার রায়নার পলাশন সাঁইপাড়ার বাসাপুকুর সংস্কারের কাজ চলাকালীন মাটির নীচে চাপা পড়ে থাকা বড় মাপের একটি প্রাচীন মূর্তি প্রথম নজরে আসে। স্থানীয়রা খবর দেন রায়না থানায়। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পুরো সামগ্রী হিসেবে মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় থানা। মূর্তিটি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামের সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেমতো খবর দেওয়া হয় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামে।
advertisement
advertisement
১৬ই জানুয়ারি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় মিউজিয়ামের পক্ষ থেকে শ্যামসুন্দর বেরা সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে রায়না থানা থেকে মূর্তিটি নিয়ে আসেন মিউজিয়ামে।সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তিটিকে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘর ও আর্ট গ্যালারির বিশেষজ্ঞদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মূর্তিটি সংরক্ষণের পাশাপাশি গবেষণাও হতে পারে মূর্তিটিকে নিয়ে বলে জানা গেছে।
শ্যামসুন্দর বেরা জানান, রায়না থানার পুলিশের পক্ষ থেকে মূর্তি উদ্ধারের বিষয়টি জানানো হয়। পাশাপাশি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীও বিষয়টি ফোন করে জানান তাকে। বর্তমানে মূর্তিটি নিয়ে আসা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামে। জেসিবির সাহায্যে পুকুর সংস্কারের কাজ হওয়ার ফলে মূর্তিটির পাদানি অংশের বাঁ দিক,স্টেলার ওপরের বাঁ দিক, একই দিকের উড়ন্ত বিদ্যাধর, নাকো বাম চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামে আসা সকল ছাত্র-ছাত্রী ও পর্যটকদের আমরা প্রাচীন এই জিনিসগুলির গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝাই। তার ফলস্বরূপ বর্তমানে অনেকেই এই ধরনের মূর্তি বা সামগ্রী দেখতে পেলে ফোন করে বিষয়টি জানায় এবং এই ধরনের মূর্তি বা সামগ্রিক সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতন হচ্ছেন। বিষয়টি খুবই ভালো লাগছে কারণ এগুলি শুধু প্রাচীন মূর্তি নয় এক একটি ভাস্কর্য।
Location :
Barddhaman (Bardhaman),Barddhaman,West Bengal
First Published :
Jan 18, 2026 2:59 PM IST








