Home /News /west-bardhaman /
Paschim Bardhaman: জানেন কি! সিয়ারশোল রাজবাড়ির রথে রয়েছে একাধিক চমক

Paschim Bardhaman: জানেন কি! সিয়ারশোল রাজবাড়ির রথে রয়েছে একাধিক চমক

বিগত দু বছর করোনার জন্য নমঃ নম করে পালিত হয়েছে রথযাত্রা তবে এ বছর রথযাত্রায় সেই পুরনো আমেজ ফিরে এসেছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার রথযাত্রা গুলির মধ্যে অন্যতম রানীগঞ্জ রাজবাড়ির সিয়ারশোল রাজবাড়ির রথযাত্রা

  • Share this:

    #পশ্চিম বর্ধমান : বিগত দু বছর করোনার জন্য নমঃ নম করে পালিত হয়েছে রথযাত্রা তবে এ বছর রথযাত্রায় সেই পুরনো আমেজ ফিরে এসেছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার রথযাত্রা গুলির মধ্যে অন্যতম রানীগঞ্জ রাজবাড়ির সিয়ারশোল রাজবাড়ির রথযাত্রা কারণ বর্ধমান রাজাদের আমল থেকে এই রথযাত্রাটি শুরু হয় প্রথমে কাঠের রথেই রথযাত্রা উৎসব পালিত হতো রানীগঞ্জে তবে এক বছর দুর্ঘটনার অগ্নিকাণ্ডের জেরে পুড়ে যায় তারপরেই তৈরি করানো হয় পিতলের রথ, তবে পিতলের রথ ছাড়াও অন্য বিশেষ চমক রয়েছে এখানে। কারণ রথযাত্রার দিনে রথে এখানে শুধুমাত্র জগন্নাথ দেব, বা বলরাম, সুভদ্রা থাকেন না। তাদের সঙ্গে থাকেন রাজবাড়ীর কুলদেবতা দামোদর চন্দ্র জিউ। এখানে মাসির বাড়ি যাওয়ার মত কোন নিয়ম নেই। কারণ আগে এই রথটি পুরনো রাজবাড়ি থেকে নতুন রাজবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হতো। যদিও বর্তমানে নতুন রাজবাড়ি থেকে রথটি নিয়ে আসা হয় সিয়ারসোল পুরনো রাজবাড়ি ময়দানে। সেখানে সাতদিন রথটি থাকে। উল্টো রথে আবার নিয়ে যাওয়া হয় রাজবাড়িতে।

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরে ৯৮ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে পিতলের এই রথটি। প্রাচীনকালের জমিদার বাড়ির এই রথ প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, ১৯২৫ সালের আগে পর্যন্ত পুরীর জগন্নাথের রথের আদলে কাঠের রথ ছিল এখানে। নতুন রাজবাড়ি থেকে পুরনো রাজবাড়ি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হত সেই রথ। পরে সেই রথ উৎসব শেষে রাজ পরিবারের হল ঘরে রাখা হতো রথটিকে। তবে কাঠের সেই রথ কোন কারনে আগুন লাগায় পুড়ে যায়। তারপর সিয়ারশোল রাজ পরিবারে সদস্য প্রমথনাথ মালিয়া কলকাতার চিৎপুরের প্রসাদ চন্দ্র দাসকে দিয়ে পিতলের রথ তৈরি করান।

    আরও পড়ুনঃ দুর্গা প্রতিমার কাঠামোতে মাটি দেওয়া হল রথের দিনেই! আশার আলো শিল্পীদের মনে!

    নতুন রথের চারিপাশেই রামায়ণ মহাভারতের বিভিন্ন দেবদেবীর লীলার বিষয় উল্লেখিত রয়েছে। রয়েছে কৃষ্ণ লীলার নানান কাহিনী। মূর্তির আদলে তুলে ধরে তা রথের স্থাপন করা রয়েছে। তবে এই রথে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার সঙ্গে চূড়ায় অধিষ্ঠিত হন কুলদেবতা দামোদর চন্দ্র জিউ। আগে এই রথ পুরনো রাজবাড়ি থেকে নতুন রাজবাড়ী নিয়ে আসা হলেও, বিগত কয়েক বছর ধরে রথটির নতুন রাজবাড়ী থেকে পুরনো রাজবাড়ীতে নিয়ে আসার চল শুরু হয়েছে। মূলত মূল্যবান মূর্তি চুরি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নজরে রেখে, এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছর ভর রাজবাড়ির সামনেই কড়া নজরদারির মধ্যে রাখা হয়।

    আরও পড়ুনঃ বিধানচন্দ্র রায়ের ১৬০ তম জন্ম দিবসে আবেগ ঘন দুর্গাপুর

    রাজ পরিবারে প্রবীণ সদস্যদের সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরীর জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার সময়কালেই এই রথযাত্রার আয়োজন করা হয়। যাকে ঘিরে বসে বিশাল মেলা। সুপ্রাচীন এই রথযাত্রায় গ্রামীণদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে আধুনিক সব দোকানের সঙ্গে কৃষি সহায়ক নানান সামগ্রীয় বিক্রির দোকান দেখা যায়। এই মেলা টানা কদিন ধরে চলে বলে জানা গিয়েছে।

    Nayan Ghosh
    Published by:Soumabrata Ghosh
    First published:

    Tags: Paschim bardhaman, Raniganj, Rathyatra

    পরবর্তী খবর