West Bardhaman News- বন্ধ স্কুল। জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা। বড় সরস্বতী প্রতিমার চাহিদা কম, মনখারাপ কুমোর পাড়ার
- Published by:Samarpita Banerjee
Last Updated:
আপাতত বন্ধ সমস্ত স্কুল। বড় সরস্বতী প্রতিমার চাহিদা যে কমবে, সেটা এখন থেকে বুঝে গিয়েছেন মৃৎশিল্পীরা। তবুও ঝুঁকি নিয়ে চলছে মূর্তি তৈরির কাজ
#পশ্চিম বর্ধমান- সপ্তাহ ঘুরলেই সরস্বতী পুজো। বিদ্যাদেবীর আরাধনায় মেতে উঠবে আপামর বাঙালি। আট থেকে আশি, সকলেই এদিন ব্যস্ত হয়ে পড়বেন অঞ্জলি দিতে। যারা পড়াশোনার সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়েছেন বহুকাল আগে, তারাও ওই দিনে কিছুক্ষণের জন্য ফিরে পেতে চাইবেন শৈশব। কুমারপাড়াতেও ব্যস্ততা তুঙ্গে। জোর কদমে চলছে মূর্তি তৈরির কাজ। তা সত্বেও চিন্তায় মৃৎশিল্পীরা। বিগত দুবছর ধরে তাদের একের পর এক ধাক্কা দিয়ে চলেছে করোনা। আপাতত বন্ধ সমস্ত স্কুল। বড় সরস্বতী প্রতিমার চাহিদা যে কমবে, সেটা এখন থেকে বুঝে গিয়েছেন মৃৎশিল্পীরা। তবুও ঝুঁকি নিয়ে চলছে মূর্তি তৈরির কাজ। ওই যে কথায় আছে না, 'আশায় বাঁচে চাষা'।
হাতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। অন্যান্য বছরে, এখন থেকেই শুরু হয়ে যায় চাঁদা তোলার ধুম। লক্ষ্মী পুজোর মতোই, সরস্বতী পুজোও আসলেই সর্বজনীন। স্কুল থেকে শুরু করে ক্লাব, বাড়িতে বাড়িতে হয় দেবী সরস্বতীর আরাধনা। স্কুলগুলিতে বড় বড় মাপের সরস্বতী প্রতিমার পুজো হয়। ওই একটা দিনই ছুটি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় যেতে মন ছটফট করে পড়ুয়াদের। আবার পরের দিন ক্লাবের পাড়ার পুজো মণ্ডপে কাটিয়ে দেওয়া যায় পুরো একটা দিন। উপলক্ষ শুধুমাত্র সরস্বতী পুজো।
advertisement
কিন্তু করোনার জন্য এখন বন্ধ স্কুল। ফলে বিদ্যালয়গুলিতে জাঁকজমকের সঙ্গে সরস্বতী পুজো হওয়া অনেকটাই অনিশ্চিত। বড় মাপের প্রতিমা চাহিদা এখনও পর্যন্ত সেই অর্থে নেই বলে দাবি করছেন মৃৎশিল্পীরা। তাই বছরের শুরুতেই, প্রথম পুজোতে খুব একটা লাভের মুখ দেখতে পাবেন না বলেই মনে করছেন মৃৎশিল্পীরা।
advertisement
এই ব্যাপারে মৃৎশিল্পীরা বলছেন, অন্যান্য বছর এই সময় তারা প্রচুর বড় প্রতিমার অর্ডার পেয়ে যান (West Bardhaman News)। কিন্তু চলতি বছরে সেই সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। এর বড় কারণ হিসেবে তারা মনে করছেন, স্কুল বন্ধ থাকায় স্কুল কর্তৃপক্ষগুলি নমো নমো করে সারবে সরস্বতী পুজো। লকডাউন এর জেরে সরস্বতী পুজোর বাজেট কাটছাঁট করা হবে। ফলে বড় সরস্বতী প্রতিমার চাহিদা এখনো পর্যন্ত মৃৎশিল্পীদের কাছে নেই বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন মৃৎ শিল্পীরা। দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকার কুমোর পাড়ার মৃৎশিল্পীদের অবস্থা মোটামুটি ভাবে একই।
advertisement
তারা বলেছেন, প্রত্যেক বছর বিভিন্ন এলাকার স্কুল থেকে নিয়ম করে বড় প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়(West Bardhaman News)। কিন্তু বিগত দুবছর ধরে তা হচ্ছে না। পাশাপাশি অনেক ক্লাবের পুজো এই লকডাউন এর জেরে বন্ধ হয়েছে। ফলে সেখানেও কমেছে বড় মূর্তির চাহিদা। তাই সরস্বতী পুজোতে বড় প্রতিমা বিক্রি করে বিশেষ লাভের আশা দেখছেন না তারা।
advertisement
তবুও কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে বড় প্রতিমা বানাচ্ছেন কিছু কিছু মৃৎশিল্পী। তারা বলছেন, হয়তো আর কয়েক দিন বাদে বড় মূর্তি কেউ কেউ খুঁজতে পারেন(West Bardhaman News)। কোনো কোনো স্কুলে বড় মূর্তি পুজো করা হতে পারে। অথবা কিছু কিছু ক্লাব ছোট করে পুজো করালেও, বড় মাপের মূর্তি নিয়ে যেতে পারে। সেই সময় যাতে তাদের ঠিকঠাক যোগান দেওয়া যায়, তার জন্য এখন থেকেই তারা কিছু কিছু বড় মূর্তি বানাচ্ছেন। তবে তা সম্পূর্ণ নিজেদের ঝুঁকি নিয়ে। তবে সরস্বতী পুজোর বাজার কেমন হবে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না কুমোর পাড়ার শিল্পীরা।
advertisement
Nayan Ghosh
Location :
First Published :
Jan 28, 2022 8:58 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিম বর্ধমান/
West Bardhaman News- বন্ধ স্কুল। জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা। বড় সরস্বতী প্রতিমার চাহিদা কম, মনখারাপ কুমোর পাড়ার







