advertisement

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে হুগলির একমাত্র বৌদ্ধ মন্দির

Last Updated:

হুগলি জেলার একমাত্র বৌদ্ধ মন্দির পুরশুরার দেউলিপাড়ায় ৷ এলাকায় প্রায় ৫০০ পরিবারের বসবাস, আনুমানিক এক লক্ষ আশি হাজার মানুষের বাস ৷ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেই মন্দির নষ্টের দিকে যাচ্ছে ৷ এলাকার এক সমাজসেবী তারকনাথ বাইরির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে গড়ে ওঠে এই মন্দির ৷ স্বয়ং দালাই লামা এই মন্দির উদ্ধোধন করেছিলেন ৷

#পুরশুরা: হুগলি জেলার একমাত্র বৌদ্ধ মন্দির পুরশুরার দেউলিপাড়ায় ৷ এলাকায় প্রায় ৫০০ পরিবারের বসবাস, (আনুমানিক ১,৮০,০০০মানুষ)  ৷ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই মন্দির নষ্টের দিকে যাচ্ছে ৷ এলাকার এক সমাজসেবী তারকনাথ বাইরির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে গড়ে ওঠে এই মন্দির ৷ স্বয়ং দালাই লামা এই মন্দির উদ্ধোধন করেছিলেন ৷
এলাকাবাসীরা বহুদিন ধরেই মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন ৷  মন্দিরের ভিতরের শিল্পকলা দেখার জন্য বহুদূর থেকে মানুষেরা আসেন ৷ বুদ্ধ পূর্ণিমায় বৌদ্ধ সম্প্রদায় ছাড়াও অন্য মানুষের সমাগমও চোখে পড়ার মতো ৷ এই মন্দির বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সাহিত্যিকের সাহিত্য রচনার পীঠস্থান হয়েছে ৷
advertisement
advertisement
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন এই মন্দির তাঁদের কাছে গর্বের ৷ পুরশুরার  আশেপাশের গ্রাম থেকেও মানুষের সমাগম লেগেই থাকে ৷ নতুন প্রজন্মের কাছে এই মন্দিরের গুরুত্ব ধরে রাখতেই মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন আছে ৷
view comments
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে হুগলির একমাত্র বৌদ্ধ মন্দির
Next Article
advertisement
TMC: মুকুল রায়ের পর ফেলানি বসাক! রাইটার্স বিল্ডিংয়ে মমতার আন্দোলনের অন্যতম মুখ, প্রয়াত নদিয়ার 'এই' বীরাঙ্গনা, চিনুন তাঁকে
মুকুল রায়ের পর ফেলানি বসাক! মমতার আন্দোলনের অন্যতম মুখ, প্রয়াত নদিয়ার 'এই' বীরাঙ্গনা
  • নদিয়ার শান্তিপুরের আন্দোলনের অন্যতম মুখ ফেলানি বসাকের মৃত্যু।

  • ১৯৯৩ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন।

  • ফেলানি বসাকের মেয়ের ধর্ষকদের শাস্তির দাবি আজও পূরণ হয়নি।

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement