• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • OTHER SPORTS NEERAJ CHOPRA DEDICATES OLYMPICS GOLD MEDAL TO MILKHA SINGH AND PT USHA RRC

Neeraj Chopra - Milkha Singh: মিলখা সিং, পি টি ঊষাকে পদক উৎসর্গ নীরজের

সোনার ছেলের অভিনব উৎসর্গ

Neeraj Chopra dedicates gold medal to Milkha Singh . নীরজ জানিয়েছেন মিলখা বেঁচে থাকলে তিনি গিয়ে দেখা করে আসতেন। তিনি নিশ্চিত মিলখা সিং যেখানেই থাকুন তাঁকে দেখছেন

  • Share this:

    #টোকিও: আজ ইতিহাস তৈরির দিন। আজ উচ্ছাস প্রকাশের দিন। আজ সোনার স্বপ্ন দেখার দিন। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী আজ একটাই নামে মোহিত। নীরজ চোপড়া। ভারতের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। ১৩ বছর পর যিনি বিশ্বের সেরা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সোনা এনে দিলেন দেশকে। টোকিওর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে যখন জাতীয় সংগীত বাজছে, তখন জাতীয় পতাকার দিকে তাকিয়ে ছেলের চোখে হয়তো কিছুটা জল। স্বপ্ন সার্থক হওয়ার মুহূর্ত আবেগঘন হবেই।

    ১৩০ কোটির মুখ উজ্জ্বল করেছেন তিনি। কিন্তু আজকে দাঁড়িয়েও অদ্ভুত শান্ত এবং বিনম্র। মাটির কাছাকাছি। জানিয়ে দিলেন এই পদক উৎসর্গ করছেন মিলখা সিং এবং পি টি ঊষাকে। রোম অলিম্পিকে মিলখা এবং মেলবোর্নে ঊষার হাত থেকে পদক ছিটকে গিয়েছিল মুহূর্তের ভুলে। সেই আক্ষেপ আজও বহন করে চলেন তাঁরা। কদিন আগেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছেন মিলখা সিং। নীরজ জানিয়েছেন মিলখা বেঁচে থাকলে তিনি গিয়ে দেখা করে আসতেন। তিনি নিশ্চিত মিলখা সিং যেখানেই থাকুন তাঁকে দেখছেন।

    নীরজ মনে করেন তাঁর এই পদক দেশের সেই সব অ্যাথলিটদের জন্য যাঁরা অল্পের জন্য অলিম্পিক পদক হাতছাড়া করেছিলেন। পাশাপাশি আগামীদিনে তিনি চান তাঁর এই সাফল্য দেখে উঠে আসুক পরবর্তী প্রজন্ম। যখন জাতীয় সংগীত বাজল, তখন নাকি সারা শরীরে বিদ্যুৎ খেলে যাচ্ছিল। মুখে বলে সেই আবেগ বর্ণনা করা সম্ভব নয় হরিয়ানার ছেলের পক্ষে।

    কিন্তু দুটো থ্র ৮৭ মিটার হওয়ার পর দুটো ফাউল কেন হল প্রশ্ন করলে তিনি জানান আজ অলিম্পিক রেকর্ড ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন। তাই তৃতীয় এবং চতুর্থ থ্রও করার সময় বেশি জোর লাগিয়েছিলেন। জানতেন জার্মানির জোহানেস ভেটার ছাড়া আর কেউ খুব বেশি প্রতিদ্বন্দিতায় ফেলতে পারবেন না তাঁকে।

    সেই জার্মান তারকা অর্ধেক পথেই ছিটকে যান। তখনই মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যায় শেষ পাতে সোনা আসছে ভারতের। নীরজের মিলখা সিং- কে উৎসর্গ করার কথা শুনে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট করেন মিলখা সিংয়ের ছেলে জীব।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: