Mike Tyson: রিং মাস্টার এখন গাঁজা চাষের রাজা

Mike Tyson: রিং মাস্টার এখন গাঁজা চাষের রাজা

গাঁজা চাষ ও বিক্রি করে সফল জীবন কাটাচ্ছেন টাইসন

গাঁজা চাষ করেই তিনি এখন কোটি কোটি টাকা আয় করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে গাঁজা উৎপাদন ও ক্রয়-বিক্রয় বৈধ।

  • Share this:
    #ক্যালিফোর্নিয়া: বক্সিং রিং এর ভেতরে তিনি ছিলেন সাক্ষাৎ মৃত্যুদূত। কখনও স্পিংস, কখনও টিলম্যান, কখনও হোলিফিল্ড। মাইক টাইসন নামক দৈত্যর বিরুদ্ধে লড়াই খুব একটা উপভোগ করেননি কেউ। তবে কেরিয়ারের মধ্যগগনেও বিতর্ক ছিল নিত্য ছায়াসঙ্গী। কখনও যৌণ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে, কখনও বিপক্ষের কান কামড়ে রক্তারক্তি করেছেন। ইপম্যান, হ্যাংওভার সহ বেশকিছু হলিউড সিনেমায় কাজও করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মাঝে একটা সময় মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
    মাইক টাইসনের মেজাজটাই আসল রাজা। মাথা গরম মানুষ বলেই পরিচিত ছিলেন। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে পাল্টাতে শিখেছেন। বক্সিংয়ের জগতে তিনি অমর হয়ে গেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনে দুই হাতে কামিয়েছেন। আবার উড়িয়েছেন দুই হাতে। যে কারণে ৫৮৪ মিলিয়ন বা ৫৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার মালিক হয়েও তিনি এক সময় দেউলিয়া হয়েছিলেন। সেই মাইক টাইসন আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।
    তার ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে আছে গাঁজা চাষ! হ্যাঁ, গাঁজা চাষ করেই তিনি এখন কোটি কোটি টাকা আয় করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে গাঁজা উৎপাদন ও ক্রয়-বিক্রয় বৈধ। ২০১৬ সালের নভেম্বরে ওই রাজ্যটিতে ২১ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য গাঁজা সেবনের বৈধতা দেওয়া হয়। সেখানেই টাইসন একটা গাঁজা চাষের কম্পানি খুলেছেন। যার নাম 'টাইসন র‍্যাঞ্চ।' মানুষের ছুটি কাটানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে এখানে। মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা জায়গাটিতে ইছে করলে নেশা করতে করতেই সময় কাটাতে পারেন।
    টাইসনের ফার্মটি ১৬ হেক্টর জমির ওপর অবস্থিত। এখান থেকে তিনি প্রতিমাসে পাঁচ লাখ ডলার আয় করেন। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ তিন কোটি টাকারও বেশি! এছাড়া ৫৪ বছর বয়সী টাইসন এবং তার বন্ধুরাই তো মাসে ৪০ হাজার ডলারের গাঁজা সেবন করেন। ভারতীয় মুদ্রায় অঙ্কটা দাঁড়ায় প্রায় তেত্রিশ লাখ টাকা! টাইসন নিজেই এই তথ্য দিয়েছেন। নিজের ফার্মে তৈরি গাঁজায় টাইসন এতটাই মুগ্ধ যে তিনি এখন নিজেকে 'সেরা গাঁজা চাষী' হিসেবে দাবি করেন। ২০১৯ সালের নভেম্বরে র‍্যাপার বি-রিয়ালের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে ক্যামেরার সামনেই বিশাল এক গাঁজা সেবন করেন টাইসন।
    তিনি জানিয়েছেন জীবিকা নির্ধারণের জন্যই এই রাস্তা বেছে নিয়েছিলেন তিনি। তাছাড়া দেশের আইন কানুন ভেঙে তিনি কাজ করছেন না। তবে তাঁর এই ব্যবসা ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। টাইসন মনে করেন বক্সিং যদি জীবনের প্রথম ইনিংস হয়, তাহলে সফল গাঁজা ব্যবসায়ী হিসেবে এটা তাঁর দ্বিতীয় ইনিংস। বক্সিংয়ে যেমন প্রতিপক্ষকে নকআউট করতেন সহজে, তেমনই ব্যবসাতেও এগিয়ে যেতে চান টাইসন। পাশাপাশি মানুষের সাহায্যে কাজও করতে চান জানিয়েছেন তিনি।
    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: