• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • OTHER SPORTS MAJOR DHYAN CHAND SON ASHOK KUMAR BACKS GOVENMENT DECISION TO NAME KHEL RATNA AFTER DHYAN CHAND SMJ

Dhyan Chand Khel Ratna: 'খেলার পুরস্কার খেলোয়াড়ের নামে হওয়াই উচিত', বলছেন ধ্যান চাঁদের ছেলে

খেলোয়াড়দের নামেই হওয়া উচিত খেলার পুরস্কার। বলছেন মেজর ধ্যান চাঁদের ছেলে অশোক কুমার।

খেলোয়াড়দের নামেই হওয়া উচিত খেলার পুরস্কার। বলছেন মেজর ধ্যান চাঁদের ছেলে অশোক কুমার।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:

    দীর্ঘদিন ধরে তিনি এক দাবিতেই লড়াই করছেন। তাঁর বাবা মেজর ধ্যান চাঁদকে ভারতরত্ন পুরস্কারে ভূষিত করতে হবে। সরকার আসে, সরকার যায়। কিন্তু তাঁর দাবি পূরণ হয় না। ধ্যান চাঁদের ছেলে অশোক কুমারের লড়াইও থামে না। তবে এই দাবি শুধু তাঁর একার নয়। দেশের অনেক ক্রীড়াপ্রেমীই দাবি করছেন, মেজর ধ্যান চাঁদ ভারতরত্ন পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার যোগ্য দাবিদার। তবে ক্রীড়ামন্ত্রক এখনও সেই দাবি মেনে নেয়নি। যদিও ক্রীড়াপ্রেমীদের দাবি আংশিক মেনে নিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। এবার খেল রত্ন পুরস্কারের নামকরণ হয়েছে মেজর ধ্যান চাঁদের নামে। এতদিন সেই পুরস্কার ছিল রাজীব গান্ধির নামে। তবে এবার থেকে মেজর ধ্যান চাঁদ খেল রত্ন পুরস্কার।

    হকির জাদুকরের ছেলে অশোক কুমার কেন্দ্রের এমন সিদ্ধান্তে খুশি। তিনি এদিন বলেছেন, ''দেশের মানুষের মনে পাকাপাকি জায়গা করে ফেলেছেন আমার বাবা মেজর ধ্যান চাঁদ। ধ্যান সিং থেকে তাঁর ধ্যান চাঁদ হয়ে ওঠার লড়াই অনেক বড়। খেলা পুরস্কারের নাম সব সময় খেলোয়াড়দের নামে হওয়া উচিত। এটা তো সবে শুরু। আরও অনেক কিছুর নাম পরিবর্তন হতে পারে। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এমন পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ধ্যান চাঁদ গোটা দেশের গর্ব। খেল রত্ন পুরস্কার তার নামে হওয়ায় ধ্যান চাঁদের অবদান আরও একবার স্বীকৃতি পেল। সঠিক সময়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একদিকে আমাদের পুরুষ হকি দল টোকিও অলিম্পিকে পদক জিতেছে। মেয়েরা দারুন লড়াই করে হৃদয় জিতেছে। হকির স্বর্ণযুগ ফেরানোর এর থেকে ভাল সময় বোধ হয় আর হবে না। ''

    ১৯৯১-৯১ থেকে খেল রত্ন পুরস্কার দেওয়া হয় দেশের সফল ক্রীড়াবিদদের। এতদিন এই পুরস্কারের নাম ছিল রাজীব গান্ধি খেল রত্ন। পুরস্কারের সঙ্গে ২৫ লক্ষ টাকার আর্থিক পুরস্কারও পান একজন ক্রীড়াবিদ। এদিন অশোক কুমার বললেন, ''আমাদের দেশের প্রতিটা বাচ্চা এখনও ধ্যান চাঁদের নাম জানে। বাবার অবদান কেউ ভোলেনি। এটাই আমাদের কাছে সব থেকে বড় প্রাপ্তি। ভারতীয় হকির সঙ্গে বাবার অবদানের কথাও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। একজন অ্যাথলিট অনেক ত্যাগ ও লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজের জায়গা তৈরি করে। আমার তো মনে হয় প্রতিটা টুর্নামেন্ট, স্টেডিয়ামের নামও ক্রীড়াবিদদের নামে হওয়া উচিত।'' উল্লেখ্য, ১৯২৮, ১৯৩২ ও ১৯৩৬ অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী ভারতীয় হকি দলের উল্লেখযোগ্য সদস্য ছিলেন মেজর ধ্যান চাঁদ।

    Published by:Suman Majumder
    First published: