• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • OTHER SPORTS AFGHAN NATIONAL YOUTH TEAM FOOTBALLER ZAKI ANWARI DIED AFTER FALL FROM C17 PLANE SMJ

Afgan Footballer Zaki Anvari died: সেদিন বিমান থেকে ছাদে আছড়ে পড়েছিলেন আফগান ফুটবলার জাকি

Afgan Footballer Zaki Anvari died: সেদিন C-17 বিমান থেকে খসে পড়েছিলেন তিনজন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন জাকি।

Afgan Footballer Zaki Anvari died: সেদিন C-17 বিমান থেকে খসে পড়েছিলেন তিনজন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন জাকি।

  • Share this:

    #কাবুল:

    কত স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। দেশের জার্সিতে আর কত ম্যাচ খেলা বাকি ছিল তাঁর। কিছুই পূরণ হল না। অকালে চলে যেতে হল তাঁকে। তাঁর কোনও দোষ নেই। কখনও বাস্তব স্বপ্নের মতো মসৃণ হয় না। বাস্তব কঠিন, রুক্ষ। আফগানিস্তান তালিবানি শাসনের আওতায়। কুশাসনে আফগানিস্তানের অবস্থা হবে শোচনীয়। সেটা অনেকেই আন্দাজ করে দেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় যুব ফুটবল দলের জাকি আনওয়ারি। বিমানে ওঠার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। পারেননি। তালিবান শাসনে জীবন দূর্বিষহ হয়ে উঠবে। নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে C-17 বিমানের গিয়ার বক্স আঁকড়ে ধরে দেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। মাঝআকাশে হাত ছুটে যায় তাঁর। এমন মৃত্যু যা দেখে গোটা বিশ্ব আঁতকে উঠেছিল।

    সেদিন C-17 বিমান থেকে খসে পড়েছিলেন তিনজন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন জাকি। আফগানিস্তানের ১৯ বছর বয়সী সম্ভাবনাময় ফুটবলার। কিন্তু সব সম্ভাবনা অচিরেই শেষ হয়ে গেল। বিমান থেকে জাকির দেহ আছড়ে পড়েছিল কারও বাড়ির ছাদে। ছিন্নবিচ্ছিন্ন সেই দেহ দেখে চিনতেই পারেননি কেউ। পরে জানা যায় নির্মম সত্যিটা। তালিবানিরা আফগানিস্তান দখলের পরই দেশ ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে পালাতে চেয়েছিলেন জাকি। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। বিমানের গিয়ার বক্স আঁকড়ে মাঝআকাশে ঝুলে থাকা তো আর সহজ কথা নয়! জাকি পারেননি। জাকির এমন পরিণতি যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না গোটা ফুটবল বিশ্ব। আফগানিস্তানের ফুটবল সমর্থকরাও জাকির এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা ভেবে চোখের জল ফেলছেন।

    দিন দুয়েক আগে ১৭ বছরের রেজা আর তার ১৬ বছরের ভাই কবীরও আমেরিকার বিমান থেকে পড়ে মারা গিয়েছিল। তার পর একইভাবে বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছে জাকির। আফগানিস্তানের জনপ্রিয় পপ তারকা আরিয়ানা সঈদও দেশ ছেড়েছেন। আরিয়ানা ২০১৫ সালে আফগানিস্তানের ঘরোয়া ফুটবল লিগের থিম সং গেয়েছিলেন। তিনি এখন দোহায় রয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে আরিয়ানা জানিয়েছেন, তিনি ইস্তানবুলের দিকে পাড়ি দিয়েছেন। গত এক বছর ধরে বারবার তালিবানিরা তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি খুব খারাপ। কারণ এখন দেশ তালিবান কবলে। ফলে আরিয়ানাকে প্রাণে মারার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল তালিবান।

    Published by:Suman Majumder
    First published: