কী কান্ড ! নিয়ম ভেঙে পুলিশের হাতে আটক পৃথ্বী

ই পাস না থাকার কারণে পুলিশের হাতে আটক পৃথ্বী

জনগণকে করোনাবিধি মানতে বাধ্য করছে পুলিশ। তারকা হলেও রক্ষা নেই। শাস্তি পেতেই হবে। তাই ভারতের জাতীয় দলের তরুণ তারকা পৃথ্বী শ করোনাবিধি ভেঙে পড়েছেন বিপদে। তাঁকে আটকে রেখেছিল পুলিশ।

  • Share this:

    #কোলাপুর: দেশে প্রতিদিন নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে মৃত্যু মিছিলে। শ্মশানের আগুন নিভছে না। কান্না আর হাহাকার চারিদিকে। মহামারী যে এরকম ভয়ানক হতে পারে কেই বা ভাবতে পেরেছিল ? এই পরিস্থিতির কবে উন্নতি হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই জনগণকে করোনাবিধি মানতে বাধ্য করছে পুলিশ। তারকা হলেও রক্ষা নেই। শাস্তি পেতেই হবে। তাই ভারতের জাতীয় দলের তরুণ তারকা পৃথ্বী শ করোনাবিধি ভেঙে পড়েছেন বিপদে। তাঁকে আটকে রেখেছিল পুলিশ।

    আইপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পৃথ্বী কোলাপুর হয়ে গোয়ায় ছুটি কাটাতে যেতে চেয়েছিলেন। করোনাবিধি অনুযায়ী জরুরি প্রয়োজনে রাজ্য ছাড়তে হলে সঙ্গে ই-পাস থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু পৃথ্বী শয়ের কাছে কোনো পাস ছিল না। সেই কারণেই আম্বলি এলাকায় যেতেই পুলিশ তাঁর গাড়ি থামায়। ই-পাস দেখাতে বললে পৃথ্বী ব্যর্থ হন। সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল ফোন থেকে অনলাইনে ই-পাশের আবেদন করেন তিনি। ই-পাস পাওয়ার পর তাঁকে ছাড়া হয়।

    করোনায় বন্ধ হওয়া আইপিএলে আইপিএলে শেষবার মাঠে দেখা গিয়েছিল পৃথ্বী শকে। টুর্নামেন্টে নিজের সেরা ফর্মে ছিলেন এই তারকা ওপেনার। ৮ ম্যাচে ৩টি হাফ-সেঞ্চুরিসহ করেছেন ৩০৮ রান। স্ট্রাইক রেট ১৬৬.৪৮। তার আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের পর দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। এরপরে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে ফিরে বিজয় হাজারে ট্রফিতে ৮২৭ রান করেন। তবে ফর্মে থাকলেও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দলে তাঁর জায়গা হয়নি।

    পৃথ্বী সম্পর্কে অবশ্য আগে বড় সার্টিফিকেট দিয়ে গিয়েছিলেন রিকি পন্টিং। দিল্লি ক্যাপিটালস দলে থাকার সুবাদে এই ছেলেটিকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। পৃথ্বী যে আগামী দিনের মহাতারকা সেটা নির্দ্বিধায় জানিয়েছিলেন পন্টিং। ক্রিকেট মাঠে তাঁর প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ না থাকলেও, করোনা আক্রান্ত দেশে আরও দায়িত্বশীল কীভাবে হওয়া যায় সেটা শিখতে হবে পৃথ্বীকে। আশা করা যায় পুলিশের হাতে আটক থাকার ঘটনা তাঁর চোখ খুলে দেবে।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: