corona virus btn
corona virus btn
Loading

কেরলের কাছে ৩-১ গোলে হার ইস্টবেঙ্গলের, গ্যালারিতে হাতাহাতিতে আক্রান্ত কোয়েস কর্তা

কেরলের কাছে ৩-১ গোলে হার ইস্টবেঙ্গলের, গ্যালারিতে হাতাহাতিতে আক্রান্ত কোয়েস কর্তা
গ্যালারিতে হাতাহাতি

জঘন্য হারে পাঁচে নামল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচ শেষে উত্তাল লাল-হলুদ গ্যালারি। সমর্থকদের হাতে আক্রান্ত কোয়েস কর্তারা।

  • Share this:

#কল্যাণী: রোটাং লা দেখেছেন? যোজি লা? মাউন্টেন পাস দেখার শখ থাকলে মাঠে বসে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ দেখে আসুন। লাল-হলুদ ডিফেন্স এখন মাউন্টেন পাসেরই সমান। ডিফেন্সের মধ্যে যা ফাঁক দিয়ে দলমার হাতি গলে যাবে। মাঝমাঠে ব্লকিং বলে কিছু নেই।

মার্কাস জোসেফ, হেনরি কিসেকারা ফাঁকা জমিতে উসেইন বোল্টের গতিতে দাপিয়ে বেড়ালেন কল্যাণীতে। তছনছ করে দিলেন আলেজান্দ্রোর সাজানো বাগান। ওহ! কাঠ ইস্টবেঙ্গল সমর্থক হলে অবশ্যই সরব্রিটেট বা ইকোস্পিন সঙ্গে রাখুন। দলের যা হাল, তাতে সঙ্গে ওষুধ রাখা জরুরি। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে আরেক হ্যাপা। জঘন্য হারের ধাক্কায় ক্ষোভে উথলে উঠল সমর্থকরা।

ভিআইপি গ্যালারিতে আক্রান্ত হলেন কোয়েস-ইস্টবেঙ্গল সিইও সঞ্জিৎ সেন ও ব্রিগেডিয়ার বিশ্বজি‍ৎ চট্টোপাধ্যায়। জানুয়ারির ট্রান্সফার উইনডোতে মোহনবাগান দল গুছোতে পারলে কোয়েস কেন পারল না? এই ইস্যুতেই সঞ্জিৎ সেন ও বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে ঘেরাও করে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। পুলিশ এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে না নিয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারত।তিন বিদেশি নিয়ে নেমেছিলেন গোকুলাম কোচ সান্তিয়াগো ভালেরা। তাতেও তিন গোল চাপিয়ে গেলেন আলে স্যারের ইস্টবেঙ্গলকে।

ডার্বির আগে গোকুলাম ঠেলায় পয়েন্ট টেবিলে পাঁচে নেমে এল টিম আলেজান্দ্রো। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমজমাট ম্যাচটাই সময়ের সঙ্গে একপেশে হয়ে গেল। ২০ মিনিটে লাল-হলুদ রক্ষণকে টলিয়ে হেনরি কিসেকার গোল। ২৭ মিনিটে ডিকার ফ্রিকিক থেকে কাশিমের গোলে যাও বা ম্যাচে ফেরা গেল।

প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে মার্কাসের গোলমুখী শট বাঁচাতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসলেন ক্রেসপি মার্তি। দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটা গোল। এবার মার্কাস জোসেফ। স্কোরলাইন ইস্টবেঙ্গল ১, গোকুলাম ৩। ছয় ম্যােচ ইস্টবেঙ্গল আটকে রইল আট পয়েন্টে। সাত ম্যাচে মোহনবাগানের পয়েন্ট চোদ্দ। রবিবাসরীয় যুবভারতীতে এক বনাম পাঁচ। লুধিয়ানা টু চন্ডিগড় থমথমে বাগানের পরিবেশটা বদলে গেল দিল্লি নেমে।

কল্যাণীর খবর দিল্লি পৌঁছতেই মনখুশ বাগান কোচ-কর্তাদের। মোহনবাগান-এটিকে গাটছড়া নিয়ে বাগান সমর্থকদের ক্ষোভ সামলানোর ভাবনার মুখে ডার্বিতে প্রতিপক্ষের ফুটি-ফাটা অবস্থা দেখে স্বস্তি ফিরছে গঙ্গাপাড়ের সবুজ-মেরুনে। কথায় বলে না, উপরওয়ালা যবভি দেতা, দেতা ছপ্পর ফাড় কে!

রিপোর্টার: পারাদীপ ঘোষ

First published: January 15, 2020, 9:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर