Home /News /sports /
বর্ণবিদ্বেষীদের গুরুত্ব নেই, ইংল্যান্ডের জার্সি 'মায়ের সমান' সাকার কাছে

বর্ণবিদ্বেষীদের গুরুত্ব নেই, ইংল্যান্ডের জার্সি 'মায়ের সমান' সাকার কাছে

বর্ণবিদ্বেষ আরও শক্ত করবে আমাদের, বলছেন সাকা

বর্ণবিদ্বেষ আরও শক্ত করবে আমাদের, বলছেন সাকা

উল্লেখ্য, ওয়েম্বলিতে ইউরো ফাইনালে ইতালির কাছে টাই-ব্রেকারে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় ইংল্যান্ডের। এই পর্বে লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হন জ্যাডন স্যাঞ্চো, র‌্যাশফোর্ড ও সাকা। এরপরই সোশ্যাল মাধ্যমে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হন তাঁরা

  • Share this:

    লন্ডন: ইংলিশ ফুটবলের আগামীদিনের সুপারস্টার ধরা হচ্ছে তাঁকে। আর্সেনালের বা পায়ের ফুটবলার বুকায়ও সাকা ভবিষ্যতে অনেক বড় জায়গায় যাবেন নিশ্চিত ফুটবল পণ্ডিতরা। গ্যারেথ সাউথগেটের অত্যন্ত প্রিয় পাত্র। কিন্তু ফাইনালে ইতালির বিরুদ্ধে পেনাল্টি মিস বাচ্চা ছেলেটাকে বড় ধাক্কা দিয়ে গিয়েছে। গালাগাল, অভিশাপ এবং সবচেয়ে বড় অপরাধ বর্ণবিদ্বেষের শিকার হতে হয়েছে। বেশ কয়েকদিন মুখ খোলেননি। হারের হতাশা কাটিয়ে উঠতে সময় লাগাটা স্বাভাবিক!

    বর্ণবিদ্বেষের ঘটনায় মার্কাস র‌্যাশফোর্ডের পর এবার মুখ খুললেন বুকায়ো সাকা। লম্বা ট্যুইটে তিনি বলেন, ‘এই সব কুরুচিকর মনোভাবের মানুষকে আমি গুরুত্ব দিচ্ছি না। এমন কার্যকলাপ আমার মনোবলে চিড় ধরাতে পারবে না। তবে ফুটবলে বর্ণবিদ্বেষ কোনওভাবেই কাম্য নয়। আর ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা আমার কাছে গর্বের। দীর্ঘ ৫৫ বছর পর ফের দেশকে বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে তুলতে পেরেছি। পরিবারের সদস্যরা আমায় অভিনন্দন জানিয়েছেন। এটাই আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার।’

    উল্লেখ্য, ওয়েম্বলিতে ইউরো ফাইনালে ইতালির কাছে টাই-ব্রেকারে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় ইংল্যান্ডের। এই পর্বে লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হন জ্যাডন স্যাঞ্চো, র‌্যাশফোর্ড ও সাকা। এরপরই সোশ্যাল মাধ্যমে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হন তাঁরা। যা নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় ইংল্যান্ডের ফুটবলমহল। সেই দেশের সরকারও ঘটনাটির তীব্র নিন্দা করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে মেট্রোপলিটন পুলিশ ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে।

    এই প্রসঙ্গে আর্সেনালের তরুণ উইঙ্গার সাকা বলেন, ‘ফাইনালের পর কয়েকদিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিয়েছিলাম। এই ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনার আশঙ্কা অবশ্যই ছিল। আর এটা খুবই দুঃখজনক, সোশ্যাল মাধ্যমে এগুলোকে রোখার উপায় নেই। ট্রফিটা ঘরে আনতে পারলাম না। আমার পেনাল্টি শটের উপর দলের ভাগ্য নির্ধারণ করছিল। বল জালে জড়াতে না পারায় আমি ক্ষমাপ্রার্থী। তবে এগুলি খেলারই অঙ্গ। এই কঠিন সময়ে যারা পাশে দাঁড়িয়েছে, সবাইকে ধন্যবাদ।’

    ইংল্যান্ডের অধিনায়ক এবং সেরা স্ট্রাইকার হ্যারি কেন আগেই পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এই তিন ফুটবলারের। যাঁরা নিজেদের ফুটবলারদের বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণ করেন, সেই সমর্থকদের ইংল্যান্ডের প্রয়োজন নেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন কেন। তবে ইংলিশ সর্মথকরা আর কবে ভদ্র হলেন? হুলিগান নামক বিশেষণ কী এত সহজে মুছে যাওয়ার?

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    Tags: EURO 2020 Copa 2021, Euro Cup 2020

    পরবর্তী খবর