বঙ্গকন্যার ইংলিশ চ্যানেল জয় ! নজির গড়লেন কালনার সায়নী

বঙ্গকন্যার ইংলিশ চ্যানেল জয় ! নজির গড়লেন কালনার সায়নী

লর্ডসে স্বপ্ন ছোঁয়া হয়নি চাকদহের ঝুলনের। কিন্তু ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে নিজের স্বপ্নকে ছুঁয়ে ফেললেন আরেক বঙ্গকন্যা।

  • Share this:

#কলকাতা: লর্ডসে স্বপ্ন ছোঁয়া হয়নি চাকদহের ঝুলনের। কিন্তু ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে নিজের স্বপ্নকে ছুঁয়ে ফেললেন আরেক বঙ্গকন্যা। কালনার সায়নী দাস। এমন এক কীর্তি যা তাঁকে এক মঞ্চে বসিয়ে দিল মিহির সেন, আরতি সেনদের সঙ্গে।

ইংল্যান্ডের ডোভার থেকে ফ্রান্সের কালাই। ন্যূনতম ২১ মাইল। উত্তাল সমুদ্র। সঙ্গে ভয়ঙ্কর হাঙর। বিপজ্জনক জেলিফিস। কনকনে ঠাণ্ডা। চোরা স্রোত। ঘন কুয়াশা। এজন্যই বিশ্বে ক্রস-কান্ট্রি সাঁতারের কঠিনতম চ্যালেঞ্জ ধরা হয় ইংলিশ চ্যানেলকে। বুধবার সব চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে ইংলিশ চ্যানেল জয় করলেন সায়নী দাস। সময় নিলেন ১৪ ঘণ্টা ৮ মিনিটে। চ্যানেল জিতে উঠেও কালনার মেয়ের গলায় ধরা পড়ল চাপা উত্তেজনা।

বড় কোথাও ট্রেনিং নয়। বাবার হাত ধরে শুরু। রাধ্যেশ্যাম দাস। প্রাইমারি স্কুলের টিচার। কিন্তু নিয়মিত খেলে যেতেন। সায়নীর সাঁতারের নেশা বাবার থেকেই। ছোট বেলায় কালনার বারুইপাড়ার বাড়ির কাছে পুকুরে প্রথম হাত-পা ছোঁড়া। কলেজ উঠতে ট্রেনিংয়ের ধরণ, জায়গা - দুটোই বদলাল। এখন শ্রীরামপুর কলেজে ফার্স্ট ইয়ারের পড়ুয়া। সেখানেও পড়ার ফাঁকেই চলত হাড়ভাঙা ট্রেনিং। শুরু সেখান থেকেই। এরইমধ্যে রাজ্য, জাতীয় স্তরে সাফল্য। ইংলিশ চ্যানেল পারের স্বপ্ন ছিল অনেক দিনের। সেজন্য পুরীর গভীর সমুদ্রেও ট্রেনিং করেছেন। কিন্তু কোথাও গিয়ে সায়নীর বিলেত যাত্রাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। পাশে দাঁড়ায় রাজ্য ক্রীড়া পর্ষদ। সায়নীদের ভিসা, যাতায়াতের খরচের জন্য পাশে দাঁড়ায় ক্লাব, গ্রামবাসীরাও। অবশেষে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার আনন্দ। সাফল্যের দিনে পাশে রয়েছেন বাবা-মা, কোচ। আপাতত সায়নীর ফেরার অপেক্ষায় বারুইপাড়া।

First published: 01:33:31 PM Jul 27, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर