Home /News /sports /
Anil Kumble son, wildlife photographer : দুর্ধর্ষ ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার! চিনে নিন অনিল কুম্বলের ছেলে মায়াসকে

Anil Kumble son, wildlife photographer : দুর্ধর্ষ ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার! চিনে নিন অনিল কুম্বলের ছেলে মায়াসকে

ছেলে মায়াসের সঙ্গে ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফিতে অনিল কুম্বলে

ছেলে মায়াসের সঙ্গে ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফিতে অনিল কুম্বলে

Anil Kumble son Mayas launches coffee table book Safari saga based on wildlife photography. বেঙ্গালুরুতে ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফি নিয়ে কুম্বলের ছেলের বই প্রকাশ

  • Share this:

    #বেঙ্গালুরু: ডাক্তারের ছেলে ডাক্তার হবে এমন কোন কথা নেই। তেমনই খেলোয়াড়ের ছেলে খেলোয়াড় হবে এমন গ্যারান্টি কোথায়? টেস্ট ও ওয়ানডে মিলিয়ে ৯৫৬ উইকেট নেওয়া বাবার মতো বোলার হননি তাঁর ছেলে মায়াস কুম্বলে। আর এই কাজের ‘ভিত্তিপ্রস্তর’ও কুম্বলের হাতেই গড়া। খেলার পাশাপাশি বন্য প্রাণীদের নিয়ে শখের ফটোগ্রাফিতেও মন সঁপেছেন কুম্বলে। পাঁচ বছর আগে একদিন মায়াসের হাতে লেইকা ব্রিজ ক্যামেরা তুলে দিয়ে বলেছিলেন, ওয়াইল্ডলাইফ সাফারিতে গেলে এটা ব্যবহার কর ।

    আরও পড়ুন - Rohit Sharma six breaks nose : হিটম্যানের কান্ড! বিশাল ছক্কায় গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকের নাক ভাঙলেন রোহিত শর্মা

    সেই যে শুরু হল, এত দিনে কুম্বলে জুনিয়র নিজেকে ধীরে ধীরে ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার হিসেবে ভালোই তৈরি করেছেন। নিজের তোলা ছবিগুলো দিয়ে একটি ‘কফি টেবিল বুক’ বানিয়েছেন মায়াস। কিছুদিন আগে ভিভিএস লক্ষ্মণের উপস্থিতিতে সেই বইয়ের মোড়ক উন্মোচনও হয়ে গেল। ১৭ বছর বয়সী মায়াস মনে করেন, নানা জায়গায় ঘুরে বন্য প্রাণীদের ছবি তোলার বিষয়টি তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য।

    বেঙ্গালুরু ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ছবি তোলার ক্লাবের সহপ্রতিষ্ঠাতা মায়াস। ২০১৭ সালে রনথাম্বরে ন্যাশনাল পার্কে একবার বুনো পোকার কামড়ও খেতে হয় তাঁকে। এরপরই মায়াসের জীবনে নতুন এক দুয়ার খুলে যায়। তাঁর বাবা অনিল কুম্বলেরও যে বুনো জীবজন্তুর ছবি তোলার ঝোঁক আছে। ঘুরে বেড়ানোর সময় বাবার কাছে ছবি তোলা সম্বন্ধে শিখেছি।

    View this post on Instagram

    A post shared by Mayas (@mayas.kumble)

    বাড়িতে ইউটিউবে টিউটোরিয়াল দেখে ছবি নিয়ে কাজ করি। ছবি তোলার জন্য কোথাও ঘুরতে গেলে বাবা ও আমার সম্পর্কটা বন্ধুর মতো হয়ে যায়। ছবি তোলার মাধ্যমে একাডেমিক পড়াশোনা থেকে একটু দম ফেলার সুযোগ পাই—বলেছেন মায়াস। গত পাঁচ বছরে বিড়াল গোত্রের প্রাণী, শিকারি পাখি ও স্তন্যপায়ী প্রাণীদের প্রচুর ছবি তুলেছেন মায়াস।

    সেসব ছবির সংকলনেই বইটি বানানো হয়েছে। কর্ণাটকের কাবিনিতে বিরল কালো চিতা বাঘের ছবি তুলেছেন মায়াস। এই ছবিকেই নিজের ‘সেরা’ ক্লিক বলে মনে করেন তিনি। এছাড়াও বানেরঘটা এবং কাবেরী ন্যাশনাল পার্কে রয়েল বেঙ্গলের ছবি তুলেছেন মায়াস।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    Tags: Anil Kumble, Wild life

    পরবর্তী খবর