আরও জাঁকিয়ে পড়বে শীত, 'হলুদ' সতর্কবার্তা হাওয়া অফিসের

আরও জাঁকিয়ে পড়বে শীত, 'হলুদ' সতর্কবার্তা হাওয়া অফিসের

সোমবার একের পর এক জেলায় তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে স্বাভাবিকের থেকে বেশ কয়েক ডিগ্রি নিচে। যার জেরে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বাংলা জুড়ে

সোমবার একের পর এক জেলায় তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে স্বাভাবিকের থেকে বেশ কয়েক ডিগ্রি নিচে। যার জেরে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বাংলা জুড়ে

  • Share this:

    #কলকাতা: কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে সারা বাংলা । সোমবার একের পর এক জেলায় তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে স্বাভাবিকের থেকে বেশ কয়েক ডিগ্রি নিচে। যার জেরে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বাংলা জুড়ে। আগামী দুদিন এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছে মূলত উত্তর-পশ্চিমের শীতল ও শুষ্ক বাতাসের জেরে শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিয়েছে। এ দিন জলপাইগুড়ি, মালদহ, বাঁকুড়া, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং নদিয়ায় একাধিক জায়গায় শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এছাড়াও সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘন্টায় উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায় শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    গত দশবছরের মধ্যে এ বারই প্রথমবার ফেব্রুয়ারিতে তাপমাত্রা এতটা নিম্নমুখী। কোনো শহরে যদি রাতের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে যায় তাহলে এবং দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি কম হলে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেই হিসাব মিলিয়ে সোমবার কলকাতায় সর্বনিম্ন ১১.৪ ডিগ্রি (-৪.৫), দমদমে ৯.৬ ডিগ্রি (-৫.৩), ডায়মন্ড হারবারে ১০.৯ ডিগ্রি (-৪.৯), বাঁকুড়া ৯.১ ডিগ্রি ( -৫), শ্রীনিকেতনে ৭ ডিগ্রি (-৫.৯), কল্যাণীতে ৬.৫ ডিগ্রি (-৭), মালদহে ৮.৯ ডিগ্রি (-৫) এবং জলপাইগুড়িতে ৬.৯ ডিগ্রি (-৪.৭) সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।

    পশ্চিমবঙ্গেই শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোনও কোনও জায়গায় ঘন কুয়াশাও দেখা দিতে পারে। আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে সতর্কবার্তায় দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী দু’দিন শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। যার জেরে জারি হয়েছে, হলুদ সতর্কবার্তা ৷ অর্থাৎ এই সময়ে বয়স্ক এবং শিশুদের প্রতি বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। তাঁরা যেন রাতে এবং ভোরের দিকে ঘরের ভিতরে থাকেন সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বেশি করে উলের জামাকাপড় অবশ্যই ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে। এছাড়াও এই শীতে বিভিন্ন পশু এবং খামারে থাকা মুরগির ক্ষতি হতে পারে বলেও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

    Published by:Simli Dasgupta
    First published: