১০০ ঘণ্টা ট্রেনিংয়েই বাজিমাত...! হাতে আসবে মোটা টাকা, কপাল খুলছে ৩৩ মহিলার

Last Updated:

সরকারি স্কিম উৎকর্ষ বাংলার মাধ্যমে মহিলাদের জন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আর তাতেই কপাল খুলতে চলেছে ৩৩ মহিলার।

+
ট্রেনিংরত

ট্রেনিংরত মহিলা

বাঁকুড়া: প্রান্তিক জেলা বাঁকুড়া! জেলায় মহিলাদের জীবনজীবিকা আরও উন্নত করতে বাঁকুড়া জেলার ছাতনা দুই নম্বর ব্লকে একটি সরকারি উদ্যোগ। সরকারি স্কিম উৎকর্ষ বাংলার মধ্যে, মহিলাদের জন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ছাতনা ব্লকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে স্কিম নিয়ে। ৩৩ জন মহিলা অংশগ্রহণ করেছেন এই স্বনির্ভরতার স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে। ৩৩ জনকে নিয়ে চলছে সেলাই শেখানোর কাজ। এক মাসে প্রায় ১০০ ঘন্টা ট্রেনিং।
ছাতনা ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৌরভ ধল্য জানান, এর আগে বিভিন্ন সংস্থা এ ধরনের ট্রেনিং প্রোগ্রামগুলি পরিচালনা করলেও, বর্তমানে এই ট্রেনিং প্রোগ্রামগুলি পঞ্চায়েত লেভেলের সংঘগুলির দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। উৎকর্ষ বাংলার নিয়ম অনুযায়ী প্রায় এক মাসের ট্রেনিং এবং তারপর সঠিক মূল্যায়নের পর সার্টিফিকেট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক।
advertisement
advertisement
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই প্রকল্পের কাজ ছাতনা ব্লকে শুরু হলেও পরবর্তীকালে বিভিন্ন পঞ্চায়েতে ছড়িয়ে পড়বে। অন্যান্য এলাকার মহিলারাও চাইলে যোগদান করতে পারবেন উৎকর্ষ বাংলার ট্রেনিং প্রোগ্রামগুলিতে। ইতিমধ্যে একমাস যাবৎ চলবে এই ট্রেনিং, প্রায় ১০০ ঘন্টার শিবির।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
advertisement
সেলাই শেখার মাধ্যমে শুধুমাত্র যে স্কিল শিখছে মহিলারা তা নয়, এর পাশাপাশি তারা বুনছে স্বনির্ভর ভবিষ্যতের স্বপ্ন! বাঁকুড়ার মত প্রান্তিক জেলায় মহিলাদের স্বনির্ভর হওয়ার অভিযানটা সহজ না হলেও অসম্ভব নয়। সেই লক্ষ্মী এবার অগ্রসর হয়েছে বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের ৩৩ জন মহিলা।
নীলাঞ্জন ব্যানার্জী
view comments
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
১০০ ঘণ্টা ট্রেনিংয়েই বাজিমাত...! হাতে আসবে মোটা টাকা, কপাল খুলছে ৩৩ মহিলার
Next Article
advertisement
‘আমরা ট্যাক্স দিই এই জন্য?’ দিল্লির বিষাক্ত দূষণে নাক–গলার অস্ত্রোপচার ছোট্ট ছেলের, ভেঙে পড়লেন মা!
‘ট্যাক্স দিই এই জন্য?’ দিল্লির বিষাক্ত দূষণে নাক–গলায় অস্ত্রোপচার ছেলের, ভেঙে পড়লেন মা
  • সাক্ষী পাহাওয়ার ছেলের শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয় যে চিকিৎসকদের অস্ত্রোপচার করতে হয়.

  • দিল্লি-এনসিআর দূষণের কারণে সাক্ষীর ছেলের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যায়, চিকিৎসায় কাজ হয়নি.

  • দূষণের কারণে ছেলের অ্যাডিনয়েড ও টনসিল স্টেজ-৪ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, অস্ত্রোপচার ছাড়া উপায় ছিল না.

VIEW MORE
advertisement
advertisement