corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিশেষভাবে সক্ষম যুবক ও তাঁর বাবাকে মেরে, পিঠের চামড়া তুলে দিল দুষ্কৃতীরা !

বিশেষভাবে সক্ষম যুবক ও তাঁর বাবাকে মেরে, পিঠের চামড়া তুলে দিল দুষ্কৃতীরা !
photo source collected

ঘটনার চারদিন কেটে গেলেও এখনও আক্রমণকারীরা গ্রেফতার না হাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায় ।

  • Share this:

#হাওড়া: রাস্তায় বেরোলেই চলতো টোন টিটকিরি। কখনও প্রতিবাদ আবার কখনও সমাজের বন্ধু বলেই পাশকাটিয়ে যেত বিশেষ ভাবে সক্ষম কিশোরটি । মাঝে মাঝে অবশ্য কু কথায় জবাবও দিত সে। তবে কি বলছে সেটা বোঝা একেবারেই কারোর পক্ষে সম্ভব ছিল না । এক তারিখ রাতেও দৃষ্টিক্ষিন হওয়া যুবকের চোখে বার বার জোরালো আলোর রশ্মি পড়ায় বছর উনিশের বিশেষভাবে সক্ষম যুবক প্রতিবাদ করেছিল প্রতিদিনের মতো। প্রতিবাদের  পরিণামে নিগৃহীত হতে হলো, সোজা হয়ে দাঁড়াতে না পাড়া যুবক ও তার পিতাকে | নৃশংস ঘটনার সাক্ষী হলো হাওড়ার লিলুয়া থানার অন্তর্গত বেলগাছিয়া কুঞ্জপাড়ায় মানুষজনেরা। কিছু লোক রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও সমাজের মাতব্বরদের শক্তির কাছে প্রতিরোধ গড়ে উঠলো না।  সুঠাম চেহারার তিন যুবকের মাতব্বরি এতটাই ছিল যে বাড়িঘর ভেঙে পিতা পুত্রকে মেরে পিঠের চামড়া তুলে নিল। পাড়ার তিন যুবক অভিজিৎ দাস, ভাস্কর কর্মকার ও শিবু কর্মকারের প্রহারের ফলে মুখ ফেটে রক্ত বেরোতে থাকলো বাবার, যে রক্ত চোখে দেখার শক্তিটিও নেই ছেলের । পাড়ার বিদ্যুৎ পোস্টার কাজ নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে ঝামেলার মীমাংসা করতে আশা এলাকার মাতব্বরদের মাতব্বরির মাত্রা দেখে এলাকার অনেকেই ক্ষিপ্ত ।আক্রান্ত পরিবারের পাশাপাশি এলাকার সবাই চাই অপরাধীদের চরম শাস্তি।

আক্রান্ত পরিবারের তরফে অভিযোগ জমা পড়লেও পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ । চার দিন হলেও এখনও কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় ওই পরিবার এখন কার্যত গৃহবন্দি এবং আতঙ্কিত ।  পুলিশ সূত্রে খবর  ঘটনাটি ঘটেছে ১লা জুন, ওইদিন রাতে বিদ্যুতের কাজের সময় টর্চের আলো মুখে পড়া নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে বিবাদ শুরু হলেও তাৎক্ষণিক মিটেও যায়। ওইদিন গভীর রাতে অভিজিৎ দাস, ভাস্কর কর্মকার এবং শিবু কর্মকার নামে তিন যুবক মৃণালের বাড়িতে ব্যাপক হামলা চালায় সন্ধ্যার ঝামেলা নিয়ে কথা বলার নামে করে বাড়িতে ঢুকে সবকিছু ভাঙচুর করে ও পিত পুত্রকে বেধড়ক মারধর করে তারা।এব্যাপারে হাওড়া পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ ও স্থানীয় কাউন্সিলর ভাস্কর ভট্টাচার্যর দাবি, আইন আইনের পথে চলবে। বিশেষভাবে সক্ষম একজনের গায়ে হাত দেওয়া উচিত হয়নি। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি এবং আক্রান্তের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন । এই ঘটনা নিয়ে অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে নালিশ জানিয়েছেন । ঘটনার চারদিন কেটে গেলেও এখনও আক্রমণকারীরা গ্রেফতার না হাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায় ।

DEBASHISH CHAKRABORTY

Published by: Piya Banerjee
First published: June 6, 2020, 4:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर