• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • করোনা আবহে বন্ধ স্কুল, টিচার্স ডে'তে গুলতি হাতে কী করছেন এই শিক্ষক!

করোনা আবহে বন্ধ স্কুল, টিচার্স ডে'তে গুলতি হাতে কী করছেন এই শিক্ষক!

শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এক অভিনব কর্মসূচি নিয়েছিল মেমারির ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা।

শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এক অভিনব কর্মসূচি নিয়েছিল মেমারির ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা।

শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এক অভিনব কর্মসূচি নিয়েছিল মেমারির ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা।

  • Share this:

#মেমারি: করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ। তার মধ্যেই এবারের শিক্ষক দিবস পালিত হচ্ছে। কিন্তু এমন একটা দিনে গুলতি হাতে কী করছেন পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল অরুনকান্তি নন্দী! জঙ্গলের দিকে গুলতি তাক করে কী যেন শিকার করছেন! তাঁকে দেখে কয়েকজন পড়ুয়ার হাতেও উঠেছে গুলতি।  গুলতিতে বড় বড় ভাটা দিয়ে কি করছেন তাঁরা! কোন লক্ষ্যে তাক করছেন গুলতি?

হেঁয়ালি রেখে তাহলে সব খোলসা করেই বলা যাক। শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এক অভিনব কর্মসূচি নিয়েছিল মেমারির ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা। করোনা আবহে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা শূন্য। অন্যান্য বছরের মতো পরিস্থিতি এবার নয়। প্রতি বছরের মতো অনেক কিছুই এখন সম্ভব হচ্ছে না। তেমন ভাবেই বৃক্ষরোপন সম্ভব হয়নি এবার। গুলতি হাতে প্রিন্সিপাল জানালেন, আজকের দিনটিকে আমরা সবুজায়নের জন্য বেছে নিয়েছি। প্রকৃতি জানান দিচ্ছে আগামী দিনে জঙ্গল সৃষ্টি করতে না পারলে আমাদের অস্তিত্ব সংকটের মধ্যে পড়বে। তাই জাপানের কৃষিবিদ লেখক মাসানবু ফুকুওকার দেখানো সিড বল পদ্ধতি অবলম্বন করে জঙ্গল সৃষ্টি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই ‘সিড বল’ ঠিক কি? জানা গেল, সাধারণ মাটির সঙ্গে জৈব সার মিশিয়ে ছোট ছোট মাটির গোলাকার অংশে দু-তিনটি বীজ রেখে ছাত্রী ছাত্ররা তৈরি করেছে এই বল। সোনাঝুরি, নিম, তেঁতুল, বেল, খেঁজুর, জাম বীজ রাখা হচ্ছে এই সিড বলে। এই বলই পতিত জমি,রাস্তার ধারে খেলার ছলে ছুড়ে বা গুলতির সাহায্য অনেক দূরে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।তারপর সেই মাটির দলা জমিতে থেকে আর্দ্রতা সংগ্রহ করে তৈরি হবে এক একটি গাছ। তা দিয়েই তৈরি হবে জঙ্গল। এই বিষয়কে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে 'অ্যাসোসিয়েটেড সাকশেসন'।

তবে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে বর্ষার মৌসুমে সামাজিক বন সৃষ্টির কোনও মিল নেই। করোনা আবহে ছাত্র ছাত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় খেলার ছলে এই ভাবে বনসৃজন করবে- এমনটাই পরিকল্পনা নিয়েছে এই স্কুল। স্কুলের এই কর্মকাণ্ডে বেজায় খুশি পড়ুয়ারা। তাদের অভিভাবকেরাও খুশি।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published: