দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বছর শেষের উৎসবের মরশুমেও চাহিদা কম, হতাশ বর্ধমানের সীতাভোগ-মিহিদানা ও শক্তিগড়ের ল্যাংচা বিক্রেতারা

বছর শেষের উৎসবের মরশুমেও চাহিদা কম, হতাশ বর্ধমানের সীতাভোগ-মিহিদানা ও শক্তিগড়ের ল্যাংচা বিক্রেতারা

ছর শেষের উৎসবের মরশুমেও তেমন বিক্রিবাটা নেই। মন খারাপ বর্ধমানের সীতাভোগ মিহিদানা বা শক্তিগড়ের ল্যাংচা বিক্রেতাদের

  • Share this:
#বর্ধমান: বছর শেষের উৎসবের মরশুমেও তেমন বিক্রিবাটা নেই। মন খারাপ বর্ধমানের সীতাভোগ মিহিদানা বা শক্তিগড়ের ল্যাংচা বিক্রেতাদের। অন্যান্যবার এই সময় তাদের ভাল বিক্রিবাটা হয়। কিন্তু এবার নিউ নর্মাল পরিস্থিতিতে বর্ষশেষের উৎসবে শক্তিগড়ের ল্যাংচা, বর্ধমানের সীতাভোগ মিহিদানার চাহিদা তেমন নেই। তাতেই হতাশ মিষ্টি বিক্রেতারা।

এমনিতেই এ বার শান্তিনিকেতনে পৌষ মেলা হয়নি। তার ওপর এখনও সেভাবে বাসিন্দারা বাইরে বের হচ্ছেন না। তার ফলেই মিষ্টির চাহিদা এ বছর কম বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। তাঁরা বলছেন, '' প্রতি বছর শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলায় লাখো মানুষের ভিড় হয়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রেল বা সড়কপথে অগণিত পর্যটক  শান্তিনিকেতনে যান। ২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বোলপুর যাতায়াতের পথে অনেকেই শক্তিগড়ের ল্যাংচা হাবে জলযোগ সাড়েন। ল্যাংচা কিনে নিয়ে যান। আবার অনেকে শান্তিনিকেতনে যাতায়াতের পথে বর্ধমানের বিখ্যাত মিষ্টি সীতাভোগ মিহিদানা কেনেন। কিন্তু এবার পৌষ মেলা না হওয়ায় মিষ্টির দোকানগুলোতে সেই চেনা ভিড় নেই।

শক্তিগড়ের ল্যাংচা বিক্রেতারা জানান,  '' এমনিতে বছরের এই সময়ে  ক্রেতার সংখ্যা বাড়ে... সড়কপথে অনেকেই কাছে দূরের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। তাদের অনেকেই ল্যাংচা খেয়ে,  কিনে বাড়ি ফেরেন। পৌষ মেলার সময় সেই চাহিদাটা অনেকটাই বেড়ে যায়। অন্যান্যবার পৌষ মেলার জন্য বাড়তি মিষ্টি তৈরি করতে হয়। কিন্তু এবার পৌষ মেলা না হওয়ায় ল্যাংচার বিক্রি নেই বললেই চলে।

বর্ধমানের সীতাভোগ মিহিদানা বিক্রেতারা বলছেন, '' এমনিতেই সারাবছর করোনা ও লকডাউনের জেরে বিক্রিবাটা বন্ধ। এখন আনলক পর্বের হাত ধরে জনজীবন অনেকটা স্বাভাবিক হলেও সীতাভোগ মিহিদানা চাহিদা অন্যান্যবারের তুলনায় বেশ কমl কারণ, বাসিন্দাদের অনেকের হাতেই পর্যাপ্ত টাকা নেই। চাল ডাল তেলের চাহিদা মিটিয়ে মিষ্টি কেনার আর্থিক সামর্থ্য হারিয়েছেন অনেকেই। তার ওপর পৌষ মেলা না থাকায় ক্রেতা আরও অনেকটাই কম রয়েছে। এই অবস্থার যে কবে পরিবর্তন ঘটবে তা বোঝা যাচ্ছে না। তবু পৌষ মেলার হাত ধরে কিছুটা হলেও বিক্রিবাটা হবে এমনটা আমরা আগে থেকে আশা করেছিলাম। কিন্তু এবার পৌষ মেলা না হওয়ায় আমরাও হতাশ।''

SARADINDU GHOSH

Published by: Rukmini Mazumder
First published: December 26, 2020, 10:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर