• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • RATION DEALER CREATE PRESSURE TO POOR PEOPLE FOR NON SUBSIDY RATION CARD IN NAMKHANA SMJ

ভর্তুকিহীন রেশন কার্ড বানাতে দরিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষদের চাপ! ডিলারের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই রেশন ডিলার ভুল বুঝিয়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষদের ভর্তুকিহীন কার্ড বানানোর জন্য ফর্ম পূরণ করাচ্ছিলেন।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই রেশন ডিলার ভুল বুঝিয়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষদের ভর্তুকিহীন কার্ড বানানোর জন্য ফর্ম পূরণ করাচ্ছিলেন।

  • Share this:

#নামখানা: দরিদ্র সীমার নিচে থাকা মানুষদের ভর্তুকহীন রেশন কার্ড বানানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন রেশন ডিলার। এমনই মারাত্মক অভিযোগ উঠল। রবিবার সকালে রেশন দোকানদারকে ঘিরে ধরে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রেশন গ্রাহকেরা। তারা রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলতে থাকেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই রেশন ডিলার ভুল বুঝিয়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষদের ভর্তুকিহীন কার্ড বানানোর জন্য ফর্ম পূরণ করাচ্ছিলেন। অবশেষে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মিটে যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার নামখানা থানার পাতিবুনিয়া,চন্দনী পাড়াতে। রেশন ডিলার বন্দনা দাস ৯৫ জন গরীব মানুষকে ভর্তুকিহীন কার্ডের আবেদন করিয়ে ছিলেন। এর আগে তাঁরা আবেদন করেছিলেন। তাঁদের বেশিরভাগেরই ভর্তুকিহীন সাদা রেশন কার্ড এসেছে। প্রত্যেকটি মানুষের দাবী, রেশন ডিলার দীর্ঘ ন'মাস যাবত কাউকে সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী চাল গম দেয়নি। রেশন ডিলার প্রত্যেককে বুঝিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদেরকে সাদা কার্ড করানোর জন্য আদেশ পাঠিয়েছে। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, ওই রেশন দোকানদারের গোডাউনে সবসময়ের জন্য হাজার বস্তার কাছাকাছি চাল গম ইত্যাদি মজুত থাকে। তাঁদের আরও অভিযোগ, যদি রাজ্য সরকার মানুষের জন্য খাদ্য সরবরাহ না করে থাকে, তাহলে ওই ডিলারের গোডাউনে এত পরিমান খাদ্যদ্রব্য মজুত কেন থাকে?

রেশন দোকানটি চালান বন্দনা দাসের স্বামী রাজকুমার দাস। গ্রামের এক কোণে নদীর ধারে তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন গরীব মানুষের রেশনের চাল, গম সামগ্রী নিয়ে দুর্নীতির ব্যবসা। সাধারণ মানুষের এই অভিযোগ ছিলই।  এক মাস আগে ইয়াসে ক্ষতি হয়েছিল এখানকার প্রচুর মানুষের। তাঁরা ধান, চাল কিছুই রক্ষা করতে পারেননি সেই সময়। তখন সরকার থেকে পাঠানো খাদ্যদ্রব্য বেশিরভাগ মানুষই পায়নি এই রেশন ডিলারের কাছ থেকে।  এত বড় অভিযোগ পাওয়ার পর খাদ্য আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে ব্যবস্থা নেবেন।  গ্রামবাসীরা দীর্ঘ পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা রেশন দোকানের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। আগামীকাল অর্থাত্ সোমবার বিডিও কিংবা খাদ্য আধিকারিকের কাছে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দিতে গ্রামবাসীরা সবাই বাড়ি ফিরে যান।

Published by:Suman Majumder
First published: