Home /News /south-bengal /
Howrah police Missing Case: নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে দিতেন, সেই পুলিশ কর্মীর দেহ এক মাস বেনামী লাশ হয়ে পড়ে থাকল মর্গে!

Howrah police Missing Case: নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে দিতেন, সেই পুলিশ কর্মীর দেহ এক মাস বেনামী লাশ হয়ে পড়ে থাকল মর্গে!

Howrah News: দেড় মাস বেয়ারিশ লাশ হয়ে পরে লাশ কাটা ঘরে। এক সময় তিনিই নিখোঁজদের বাড়ি ফেরাতেন।

  • Share this:

#কলকাতা: চাকরি জীবনে নিজেই খুঁজে দিয়েছেন একাধিক নিখোঁজ ব্যক্তিকে। আবার কখনও মর্গে পরে থাকা বেওয়ারিশ দেহের খোঁজ পরিবারকে দিয়েছেন রাজারহাট থানার সাব ইন্সপেক্টর পার্থ চৌধুরী। ভাগ্যের পরিহাস, পার্থ বাবু নিজেই নিখোঁজ ও বেওয়ারিশ লাশ হয়ে পড়ে রইলেন মর্গে |

এক-দু দিন নয়, প্রায় দেড় মাস তাঁর দেহ বেওয়ারিশ হয়ে পরে রইল হাওড়া মর্গে। কেন ঘটলো এমন ঘটনা! বিধাননাগর পুলিশ কমিশনারেট থেকে জানানো হয়েছে, ১১ অক্টোবর রাতে ডিউটি সেরে বেলুড়ে নিজের ফ্ল্যাটের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান পার্থবাবু। তার পর থেকেই পার্থ বাবুর কোনও হদিশ পাওয়া যাচ্ছিল না।

আরও পড়ুন- ৭ জনের মৃত্যু! হাঁসিখালিতে মারাত্মক দুর্ঘটনা, শ্মশান যাত্রাতেই সব শেষ...

বেলুড় থানায় একটি নিখোঁজ মামলাও করা হয় পরিবারের তরফে। নিখোঁজ থাকার বেশ কিছুদিন পর বালির পদ্মবাবু রোডের রেল ব্রিজের নিচ থেকে পার্থ বাবুর দেহ উদ্ধার হলেও, সেই সময় তার কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। রক্তাক্ত আবস্থায় পাওয়া দেহের কোনো পরিচয় না পেয়ে বালি থানার পুলিশ সেটি হাওড়া মর্গে পাঠিয়ে দেয় এবং পরিচয়বিহীন অবস্থায় পরে থাকে দেহ।

এরই মধ্যে সাব ইন্সপেক্টর পার্থ চৌধুরীর খোঁজে নামে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ। একটি দল গঠন করে শুরু হয় তদন্ত। তদন্তকারীরা হাওড়াতে এসে পরিচয়হীন দেহের খোঁজ পান। তার পর বৃহস্পতিবার তদন্তকারী দল এসে পৌঁছয় হাওড়া পুলিশ মর্গে। সেখানে উদ্ধারের পর পার্থবাবুর ছবি দেখে সনাক্ত করেন তাঁরা।

আরও পড়ুন- বহুতল থেকে আগুনের হলকা! সালকিয়ায় পথচারীর উপস্থিত বুদ্ধিতে প্রাণে বাঁচলেন অনেকে

এর পর শুক্রবার তাঁর আত্মীয়দের হাতে তুলে দেওয়া হয় দেহ। কীভাবে মৃত্যু হল পার্থ বাবুর, সেই তদন্ত শুরু করেছে বিধাননগর কমিশনারেটর তৈরী বিশেষ তদন্তকারী দল। একইসঙ্গে পার্থবাবুর মৃত্যুর তদন্ত করছে বালি থানার পুলিশও।

১১ অক্টোবর থেকে পার্থবাবু কোথায় ছিলেন, তাঁর মোবাইল লোকেশন দেখা হচ্ছে | তবে তদন্তকারীদের সন্দেও, তিনি রাতে যখন ফিরছিলেন, তখন ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই তাঁর ওপার হামলা চালানো হতে পারে। অথবা কোনো গাড়ি ধাক্কা মেরে পালিয়ে যেতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ১১ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত কোথায় ছিলেন পার্থ বাবু?

১১ তারিখ নিখোঁজ হলে কেন তাঁর দেহ উদ্ধার হলো ২০ অক্টোবর! তা হলে কি কেউ বা কারা তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে পরে খুন করে ফেলে গিয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। পার্থবাবুর আদি বাড়ি হুগলিতে হলেও তিনি থাকতেন বেলুড়ের পুলিশ কোয়াটারে।

পার্থ বাবুর এক আত্মীয় সৌরভ ঠাকুর বলেন, বেলুড় থানায় নিখোঁজ অভিযোগ করলেও, দিনের পর দিন পুলিশ তাদের সঙ্গে অভব্য ব্যবহার করে। এমনকী একটি দেহ উদ্ধার হলেও তার কোনো রকম সঠিক তথ্য দেওয়া হয়নি।

Published by:Suman Majumder
First published:

Tags: Howrah, Howrah Crime, Howrah news, Missing

পরবর্তী খবর