• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • Swasthya Sathi Card: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে বীরভূমে প্রথমবার বেসরকারি হাসপাতালে হাঁটু প্রতিস্থাপন

Swasthya Sathi Card: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে বীরভূমে প্রথমবার বেসরকারি হাসপাতালে হাঁটু প্রতিস্থাপন

People replaces knee with help of swasthya sathi card

People replaces knee with help of swasthya sathi card

Swasthya Sathi Card: হাঁটুর ক্ষয়ে হাঁটার ক্ষমতা হারিয়েছিলেন বেশ কিছুদিন আগে। সেই কারণেই প্রায় ৪ মাস ধরে বিছানায় শুয়েই দিন কাটতো তাঁর।

  • Share this:

#বীরভূম: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে (swasthya sathi card) একেবার দারুণ সুবিধা হাতেনাতে পাওয়া গেল৷ বীরভূমে (Birbhum) প্রথম হাঁটু প্রতিস্থাপন হল রাজ্য সরকারিরে এই বিশেষ কার্ড ব্যবহার করে৷  বীরভূমের সিউড়ির স্বস্তিক বেসরকারি হাসপাতালে এই অপারেশন হল। বীরভূমের সাঁইথিয়া থানা এলাকার বাসিন্দা বন্ধুরা গ্রামের অনিমা কোনাই হাঁটুর ক্ষয়ে হাঁটার ক্ষমতা হারিয়েছিলেন বেশ কিছুদিন আগে। সেই কারণেই প্রায় ৪ মাস ধরে বিছানায় শুয়েই দিন কাটতো তাঁর।

তিনি খোঁজ খবর নিয়ে  ডাঃ প্রিয়জিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন । তারপরই তিনি সমস্ত শারীরিক পরীক্ষা করে পরামর্শ দেন হাঁটু নতুন ভাবে প্ৰতিস্থাপনের জন্য । কিন্তু এই অপারেশনের খরচা প্রচুর প্রায় ২ লক্ষ টাকা । তবে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা এই পরিবারের ২ লক্ষ টাকা চিকিৎসার খরচ বহন করার ক্ষমতা ছিল না। তাই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (swasthya sathi card) হওয়ার পর রোগীর পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ডাক্তারের সঙ্গে ও তারপর বেসরকারি ওই হাসপাতাল স্বস্তিক হাসপাতালের  সাথে যোগাযোগ করলে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে অপারেশন করা হবে বলে জানানো হয় রোগীর বাড়ির লোককে । সেই মতো হল বাম হাঁটু প্রতিস্থাপনের ঘটনা।

এই বিষয়েই চিকিৎসক প্রিয়জিৎ চট্টোপাধ্যায় জানান , "  বীরভূমের সাঁইথিয়া থানা এলাকার বাসিন্দা বন্ধুরা গ্রামের অনিমা কোনাই বেশ অনেক দিন ধরেই ভুগছিলেন হাঁটুর ব্যাথায় । দীর্ঘ দিন ধরে অনেক জায়গায় ঘুরে অবশেষে আসেন আমার কাছে । আমি তার হাটুর অবস্থা দেখে বুঝতে পারি তার হাটুর হাড় ক্ষয়ে গেছে । তারপর তার শারীরিক পরীক্ষা করে তার হাটু পুনরায় প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নিই । ঠিক তার কয়েকদিন পরে আজ সকালে তার হাটুর অপারেশন করা হয় । এবং সেটি সফল হয় । "

ডাক্তার প্রিয়জিৎ চট্টোপাধ্যায় আরও জানান   কয়েকদিনের মধ্যেই অনিমা কোনাই আবার হাঁটতে পারবেন তাঁর নিজের পায়ে । রোগীর বাড়ির লোক মিলন কোনায় বলেন, " অনেক ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে । স্বাস্থ্য সাথী কার্ড না থাকলে আজ আমরা চেয়েও এই অপারেশন করাতে পারতাম না । তাই এই কার্ডের জন্য আজ আমার শাশুড়ি মাকে সুস্থ করতে পারলাম । এরজন্য সঙ্গে অসংখ্য ধন্যবাদ ডাক্তারবাবু ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ।’’ "সিউড়ি স্বস্তিক হাসপাতালের কর্ণধার জয় প্রকাশ খৈতান জানান তারা A ক্যাটাগরি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের (swasthya sathi card) পরিষেবার জন্য প্রস্তুত,  আগামীদিনেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে আরও এই ধরনের অপারেশন করবেন সাধারন মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য।’’

Supratim Das

Published by:Debalina Datta
First published: